আমি কলোনির ছেলে, সোভিয়েতে আমার হক আছে

অর্ক

 

আমাদের ছোটবেলা জুড়ে ছিল দু’টি অলৌকিক প্লেন, যারা ঠোঁটে মৃত্যুপরোয়ানা ঝুলিয়ে উড়ে গিয়েছিল ওয়র্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দিকে। ঘুমভাঙা কৈশোরে আমরা দেখেছিলাম, অতিকায় বাড়ির পেট থেকে গলগল করে বেরিয়ে আসছে ধোঁয়া, মৃত্যু আর আগুন। তারপরই শুরু হয়েছিল যুদ্ধ। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। ডিনারটেবিলে বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে আমরা দেখতাম জলপাই পোশাক আর ট্যাঙ্ক। দেখতাম, আফগানিস্তান গুঁড়িয়ে যাচ্ছে, তালিবান গুঁড়িয়ে যাচ্ছে, আমেরিকা আর আমেরিকার বন্ধু নর্দান অ্যালায়েন্স জিতছে। শুনতাম মোল্লা ওমর নাকি মারা গিয়েছেন। লাদেনকে পাওয়া যাচ্ছে না। আরেকটু বড় হওয়ার পর দেখলাম মাটির নীচ থেকে টেনে বের করা হচ্ছে সাদ্দাম হুসেনকে, লোকটার একমুখ দাড়ি। আমরা দেখলাম দেশে দেশে যুদ্ধের বিরুদ্ধে মিছিল করছে মানুষ। কাগজে পড়লাম সেই মিছিল চিৎকার করছে— ওয়ান টু থ্রি ফোর, স্টপ ইয়োর স্টুপিড ওয়র!

আমরা সোভিয়েত দেখিনি, পূর্ব ইউরোপ দেখিনি। তেভাগা, তেলেঙ্গানা, নকশালবাড়ি, আইপিটিএ, দেশভাগ, ইউসিআরসি— কিচ্ছু দেখিনি। আমরাই প্রথম প্রজন্ম, যাদের ছোটবেলা ছিল বার্বিডলের মতো সুখী, রাংতার মতো ঝকমকে। আমরাই সেই প্রজন্ম, যাদের কাছে বিপ্লব মানে খিল্লি, কারণ ইতিহাস মৃত। স্কুলে পড়ার সময় আমরা শুনেছিলাম, বামফ্রন্টের বিকল্প উন্নততর বামফ্রন্ট আর পুঁজিবাদের বিকল্প পুঁজিবাদ স্বয়ং। শুনেছিলাম, সময় নেই, যা করার করে ফেলতে হবে এখনই। শুনেছিলাম— ডু ইট নাউ। আমাদের বলা হয়েছিল দেওয়াল থেকে শিখতে হবে, দেওয়াল থেকে জানতে হবে। বলা হয়েছিল, দেওয়ালে পিঠ ঠেকার আগে দেওয়াল জুড়ে লিখতে হবে। আমরা লিখেছিলাম— বামফ্রন্ট সরকার, উন্নয়নের হাতিয়ার। আমরা প্রশ্ন করিনি, জানতে চাইনি, ঠিক কবে থেকে, কেন, কীভাবে বামফ্রন্ট সরকার সংগ্রামের হাতিয়ার থেকে উন্নয়নের হাতিয়ারে পরিণত হল! কারা করল এমন? প্রশ্ন করিনি, এনকেভিডি আর চেকা বিপ্লবের অংশ ছিল কী না! আমাদের প্রশ্ন করার প্রয়োজন পড়েনি, কারণ আমরা জানতাম ভাল করে জয়েন্ট দিতে হবে। তারপরেই প্লেসমেন্ট। এমএনসি আমাকে নিয়ে যাবে সব পেয়েছির দেশে। আমরা জেমস বন্ড দেখতাম। আমরা জানতাম দুনিয়ার কোথাও কমিউনিস্টরা নেই। কমিউনিস্টরা শেষ হয়ে গেছে। ইতিহাস শেষ হয়ে গেছে। আমাদের সদ্য শেখা আঁতলামিতে তা দিয়েছিলেন ফুকুয়ামা। আমরাই সেই প্রজন্ম, যাদের কোনও বিস্ময়বোধ নেই। আমরা অবাক হতাম না, কারণ গোটা দুনিয়াটাই একটা গ্রাম। আমরা জানতাম ইন্টারনেট জানে না এমন কিচ্ছুটি নেই। আমরা কনফিডেন্ট, কারণ পৃথিবীটা এগিয়ে গিয়েছে। লেনিনের মূর্তির গলায় দড়ি দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নামানো হয়েছে নীচে। সিনেমায় দেখেছিলম, অতিকায় লেনিনমুণ্ড ভাসতে ভাসতে মিশে যাচ্ছে আশমানি মেঘে।

লেনিন যেখানে দাঁড়িয়ে থাকেন, তার ঠিক উল্টোদিকেই একটা বিপজ্জনক বাড়ি। একপাশে অশোকা বার, অন্যপাশে বন্দুকের দোকান। লেনিনের কোট সারাক্ষণ হাওয়ায় ওড়ে। হাওয়া না থাকলেও ওড়ে। লেনিনকে উড়তেই হয়। দিনভর তাঁর পায়ের নীচে বসে থাকে প্রেমিকপ্রেমিকা, আপিসমানুষ। লেনিন দেখেন কাপের পর কাপ লাল চা বিক্রি হচ্ছে, লেবুজল বিক্রি হচ্ছে, আদর আর সততা বিক্রি হচ্ছে। ট্রামগুমটির রাস্তা পেরোল বৃদ্ধ ট্রাম। লেনিন দেখেন অফিস যাওয়ার কথা বলে বেরিয়ে পড়া যুবক ছেলেটি বিড়ি কেনে। অ্যাডিডাস লেখা টি

শার্ট বিক্রি করছে খিদিরপুরের আমিনুল, ষাট টাকা পার পিস। লেনিন দেখছেন, আকাশে এখন মেঘ, বৃষ্টিবিকেল। রাত সাড়ে ন’টায় লেনিনকে সাক্ষী রেখে ডোরিনা ক্রসিংয়ে এসে দাঁড়ান তিনজন বয়স্কা যৌনকর্মী। তাঁদের খদ্দের জোটে না বহুদিন। রাত বাড়লে লেনিন মাঝেমাঝে ডানদিকে তাকান— আলোয় আলোয় ঝলমল করছে পার্ক স্ট্রিট। ট্রিঙ্কাসের সামনে আলগোছে হাই তুলছেন বিষন্ন পুলিশকর্মী। কয়েকটা বাইক ছুটে গেল, চিৎকার। লেনিন দেখছেন, ছেলেমেয়েদের সাহসী পোশাক। লেনিন দেখছেন কলকাতা শহরের কামনামদির লিঙ্গের মতো আকাশ ফুঁড়ে উঠছে পুরুষালী ফর্টি টু। লেনিন দেখছেন ম্লানমুখ শহীদ মিনার।

আমাদের আইডল আর তাদের বান্ধবীরা জয়েন্টের প্রস্তুতি নিত পাথফাইন্ডারে। তাদের কলেজ ছিল যাদবপুর, শিবপুর, আইআইটি। নিদেনপক্ষে ফিউচার, গুরু নানক বা জলপাইগুড়ি। কয়েকবছরের মধ্যেই অনেকে চেপে বসত বিদেশগামী প্লেনে, পুজোয় গিফট দিত বিদেশী পুলওভার। আমরা জানতাম উন্নয়ন হচ্ছে, শিল্প আসছে, কেটে যাচ্ছে স্থবিরতা। এটা সেই সময় যখন উষা কারখানার কঙ্কাল ঢাকা পড়ছে সাউথ সিটির আদুরে ঠান্ডায়। আমরা সিনেমা দেখতে যেতে শুরু করলাম মাল্টিপ্লেক্সে। বাড়িতে এসি বসল। আমরা পপকর্ন কিনতাম, খবরকাগজ পড়তাম, বিশ্বাস করতাম— ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর। আমরা শিখে নিয়েছিলাম ধর্মঘট খারাপ, কারণ স্ট্রাইক হলে উন্নয়ন থেমে যায়। বন্ধ্যা বনধ্— কী স্মার্ট শব্দবন্ধ, তাই না?

গরমকালের রাত্তিরে আচমকা কারেন্ট চলে গেলে বড্ড দমবন্ধ লাগে। হাওয়া ঢোকে না, কারণ জানলা বন্ধ— এসি চলছিল। ফ্যান ঘুরছে না, এসি বন্ধ, অন্ধকার। ঘাম হচ্ছে। ভাল করে ঘুম ভাঙার আগেই বমি পায়। দুর্গন্ধ। ঠাকুমার মৃত্যুর দিন তুমুল বৃষ্টি হয়েছিল, সেই সঙ্গে এতোলবেতোল হাওয়া। ইলেকট্রিক চুল্লি কাজ করেনি। ঠাকুমাকে পোড়ানো হয়েছিল কাঠে। মাথা ফাটার শব্দের মতো এই রাত। পোড়া মাংসের গন্ধের মতো। জানলা খুলতে গিয়ে ছিটকিনি পাওয়া যায় না প্রথমে। রাস্তার আলো জ্বলছ না। জলের বোতল নেই। যতটা সাজাতে পারব ভেবেছিলাম, আদৌ সেভাবে সাজবে জীবন? তোমাকে পাব? পরের প্রোজেক্টটায় নেবে তো আমাকে?

দাদার প্লেনে ওঠার আগের দিন বাড়িতে মাংস হয়েছিল। রবিবার সকালে বাবার বন্ধুরা আসত, সেদিন তাদের না করে দিয়েছিল বাবা। আমাদের বংশে এর আগে বিদেশযত্রা বলতে আমার ঠাকুর্দার। ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ষাট সালে না কবে যেন রাশিয়া গিয়েছিল। সেই গল্প শুনে শুনে আমরা বড় হলাম। খুব কিছু আনতে পারেনি— লেনিনের ছবিওয়ালা ব্যাজ, ঠাকুমার জন্য একটা লাল স্কার্ফ আর সোভিয়েত ইউনিয়নের একটা পতাকা। সেগুলোর কথা উঠলেই আমার মনে পড়ে ন্যাপথলিন। আচ্ছা, ন্যাপথলিনের গন্ধ কি বিশ্বায়নবিরোধী নয়?

পিঙ্ক স্লিপ কাকে বলে আমরা জানতাম না। আমরা মানে আমি, বাবা আর মা। বাবার বন্ধুরাও জানত না। হারহারামি এলসিএস ডাবুকাকুও না। দাদা কি জানত? জানি না। জানলেও কিছু বলেনি কখনও। যে ছেলেটা এত ভাল চাকরি পেল, বিদেশ গেল, বিয়ে করল, সে একটা গোলাপী স্লিপের জন্য আত্মহত্যা করবে কেন, বুঝিনি। যেমন বুঝিনি গাছগাম্বাট কমিউনিস্টরা ভোগে যাওয়ার পর রাশিয়ায় বেশ্যাবৃত্তি কেন বাড়বে! কেন মানুষ আবার খুনি স্ট্যালিনের ছবি হাতে মিছিল করে, কেন ভোট বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পায় জুগানভের পার্টি, কেন নীনা আন্দ্রিয়েভাকে কথা বলতে দেওয়া হয় না! তখনও বুঝিনি কাকে বলে রিসেশন!  আমরা বুঝিনি কেন ওয়াল স্ট্রিটে রাত জাগছিল ছেলেমেয়েরা, বুঝিনি কীভাবে ফিলিপিন্সের অর্ধেকটা দখল করে নিল গেরিলারা! বুঝিনি, কৌমচেতনা কেন বার বার পেড়ে ফেলে আমাদের! আমরা বুঝিনি, কিন্তু অনুভব করছিলাম। আমাদের রক্তমাংসে ঢুকে যাওয়া অতীত আমাদের প্রশ্ন করতে শেখাচ্ছিল। আমরা মারুতি মানেসর কারখানার দিকে দেখছিলাম, খাম্মাম আর মেদিনীপুরের কৃষকের দিকে দেখছিলাম, রাজস্থানের খেতমজুদের দিকে দেখছিলাম। আমরা তাকিয়ে ছিলাম ফরাসী মুলুকের ধর্মঘটের দিকে, নেপালের মুক্তি সংগ্রামের দিকে, বেলজিয়ামের শ্রমিক-কৃষক-ছাত্রের মহামিছিলের দিকে। তাকিয়ে ছিলাম দক্ষিণ আমেরিকার দিকে। আমরা বুঝে নিচ্ছিলাম, ইতিহাস কখনও মরে না। মাঝেমধ্যে থমকে দাঁড়ায় মাত্র।

‘আমিও আসলে ঘর খুঁজে যাই

খুঁজছ তুমিও, পাচ্ছি টের

যদি পেয়ে যাই আমরা দু’জন

ঘর যেন হয় সক্কলের’

আমি তোমাকে ভালবাসি। তোমার শরীরে শরীর মিশিয়ে আমি পেরিয়ে যাব এই কালসভ্যতার মর্গসন্ধ্যা। তোমার নাভিতে জিভ দিয়ে আমি লিখে দেব পূর্বপুরুষের নাম। তোমার স্তনে দাঁত দিয়ে খোদাই করে দেব বিশ্বাস। তুমিও, তুমিও আমার বুকে পিঠে উরুসন্ধিতে গলায় সাপের মতো, গেরিলার মতো, স্বপ্নদ্রষ্টার মতো লিখে দেবে অনাগত সুদিনের ছবি। তুমি দেখো, তুমি দেখো, ওরা আমাদের শৈশব, কৈশোর লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বাবা মা দাদু দিদিমাকে লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা অতীতভ্রষ্ট, অন্ধ, কঙ্কালসার হয়ে পড়ে আছি। ওরা যা কিনতে বলছে, কিনছি। যা করতে বলছে, মুখ বুজে করে যাচ্ছি ঠিক তাই। আমার দমবন্ধ হয়ে আসছে, আমার বমি পাচ্ছে, আমার শিরা উপশিরায় বয়ে যাওয়া রক্ত ঘেন্না করতে বলছে নিজেকে। এ আমি কোথায় এলাম, ভালবাসা! আমার শীত করছে, আমার ভয় করছে! হেরে যাওয়ার ভয়, ছাঁটাই হওয়ার ভয়, ইএমআই দিতে না পারার ভয়। আমি যখন প্রতিদিন সকালে কার্ড পাঞ্চ করে এই মৃত্যুপুরীতে ঢুকি, তুমি বিশ্বাস করো, আমার পূর্বপুরুষেরা আমাকে টিটকিরি দেন। তাঁদের গলায় বুলেটের দাগ, শ্রীকাকুলাম। তাঁদের মুখ থ্যাৎলানো, উনষাট সাল। তাঁদের শরীরে কয়েদিপোশাক, বিয়াল্লিশ। তাঁদের বুকের চামড়ায় তপ্ত লৌহশলাকা ঢুকিয়ে রক্ত আর গলা মাংসে খোদাই করে দেওয়া হয়েছে কিছু হরফ, বরানগর। আমি পারছি না। আমি পারছি না। আমি আপ্রাণ ভুলতে চেষ্টা করছি, পারছি না। আমি পারব না। আমি মরে যাব। তুমি আমাকে আদর করো, আমাকে চুমু খাও, চেটে দাও সর্বাঙ্গ আমার। আমার শরীর থেকে মুছে দাও একমেরু শৈত্য এবার।

আমি দেখতে পাচ্ছি প্রিয়তমা, বলশোই থিয়েটারে সন্ধের শো ভাঙছে। রাস্তা আলো করে বাড়ি ফিরছে মলিন পোশাক পরা হাসিখুশি মানুষের দল। কমসোমলের ছেলেমেয়ে একে অন্যের দিকে তাকাচ্ছে ঠারেঠোরে। আমি দেখতে পাচ্ছি পেট্রোগ্রাডের রাস্তায় ফেস্টুন আর ফেস্টুন। এনকেভিডি নেই, চেকা নেই, কেজিবি নেই। তুমি বিশ্বাস করো, সত্যিই নেই আর। আমাকে ভদকা এগিয়ে দিচ্ছেন পুতিলভ কারখানার শ্রমিক, আমার পাশে পাশে হেঁটে চলেছে পাভেল ভ্লাসভ, পাভেল কোরচাগিন। বরফ পড়ছে, শীত করছে, আমাকে বাড়ি ফিরতে হবে তাড়াতাড়ি। আমার জন্য অপেক্ষা করছেন পেলাগেয়া নিলভনা। তাঁর হাতে বাইবেল। সন্ধ্যাপ্রদীপের কসম, জান, আমি তোমাকে ভালবাসি, সকালের আজানের কসম। বরফ বাড়ল। শীত করছে। রাত বাড়লে সাশা আর আন্দ্রেই আসবে। আসবে জয়া, শুরা, ইভান, একপেয়ে আলেক্সিই মেরেসিয়েভ। শ্রমিক আর সৈনিকদের সোভিয়েতের দফতরে হেঁটে যাচ্ছি আমি। আমার হাত ধরো। আমি ইউসিআরসি করা বাড়ির ছেলে, আমি কলোনির সন্তান, এই যৌথযাপনে আমার হক আছে। সোভিয়েতে হক আছে আমার।

6 Comments

  1. আহা, আমাদের স্মৃতি উস্কে দিলে ভাই।

  2. এরকম একটা লেখা ছাপতে পারার জন্য পত্রিকার গর্বিত হওয়া উচিত। আমি পত্রিকার একজন পাঠক হিসেবে গর্ববোধ করছি। হক আছে কমরেড, আমাদের সব্বার, বুঝে নিতে হবে।

    লাল সেলাম….

  3. আমি অর্কের প্রজন্মের নই – তার সম্ভবতঃ দুই কি তিন প্রজন্ম আগের। সোভিয়েত যখন ভাঙে, আমি তখন এগারো ক্লাস। অবশ্য আরো দু-তিন বছর আগে থেকেই আমরা শুনেছি ফ্লাসনস্ত, পেরেস্ত্রৈকা। শুনেছি গর্বাচভ, ইয়েলেৎসিন। আমার বাবা-মা দুজনেই সিপিএম সমর্থক ছিলেন, ঠাকুর্দা কংগ্রেসী (পরে তৃণমূল) – তাঁর আনন্দ এবং বাবা-মা’য়ের বিভ্রান্তির মধ্যে আমার নিজেরও তখন রাজনৈতিক বোধ হচ্ছে – আমার মনে হচ্ছে হয়তো এটা হবারই ছিল। হয়তো সত্যিই পুঁজিবাদের বিকল্প নেই। কিন্তু সেটা মেনে নিতেও কষ্ট হত। ইস্পাত পড়তে পড়তে কেঁদে ভাসাতাম

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*