অরুণাচলের জবানবন্দী

অহনা মল্লিক

 

একুশ আইন কাজীর বিচার
কি অর্বাচীন সত্যি বলে
রাজা তোমার কাপড় কোথায়
কলম ধরেন অরুণাচলে।।

সাহেব বিবি টেক্কা গোলাম
লেখাচ্ছে নাম রাজার দলে
মানুষ তখন খুব অসহায়
ভরসা থাকুক অরুণাচলে।।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

হুজুর ধর্মাবতার, আপনার সামনে হাঁটু গেড়ে বসবার মতো কিছু নেই এ এজলাসে? আমি, সত্যি বলছি ধর্মাবতার, বড্ড লজ্জা পাচ্ছি, ভীষণ ভয় পাচ্ছি, সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলতে। আমি তো আসামী এখন, খুন করেছি হয়তোবা রাষ্ট্রের উদার মহত্ব, তার জনসেবা, তার কর্ণধারদের অসীম জ্ঞানরাশি, তার সর্বভুক প্রজ্ঞা। মাপ করবেন না ধর্মাবতার, এই যে আমার কোনওখানে, মাথায় বা মেরুদণ্ডে, কী যে ভর করে কলম বা কীবোর্ডে, কবিতা কিংবা গদ্যে আত্মকথনে অকারণে অপ্রয়োজনে সত্যগুলো বুদবুদের মতো উঠে আসে। আমারই সংসারী প্রথম সত্তা ভারি ভীতু, চির ডরপুক, সংসারী। তাকে দাবড়ে দেয়, ধর্মাবতার, আমার দ্বিতীয় সত্তা, কবিতা বা গদ্যে। আমার দ্বিতীয় সত্তা, এই যাঃ, কোথাও কি বিচ্ছিন্নতা ঘটে গেল সংসারী-কবিতে? কিন্তু দ্বিতীয় বাজে-বকা-আমি, পুরনো-ও-ছেঁদো কথা বলা আমি, তার জন্য হিসেবী-সংসারী-আমি দায়ী হব, সেটা ঠিকঠাক বিচার হবে কিনা, একটু ভেবে দেখবেন, ধর্মাবতার?

ধর্মাবতার, ছোটবেলা থেকে এই দ্বিতীয় সত্তার মাথাটা বিগড়ে গেছে, কেউ তাকে হয়তোবা চুপিসাড়ে কবে বলে দিয়েছে, কবিরা সত্যদ্রষ্টা, কেউ বলেছিল কবিরা প্রস্তুত থাকুক লোরকার মতো গুলিতে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার জন্য, প্রস্তুত থাকুক জালিয়ানওয়ালাবাগ কোথাও ঘটে গেলে তার দায় নিজের নেহাত অশক্ত মাথায় তুলে নেবার জন্য। এসব কথার, আপনিই বলুন ধর্মাবতার, কোনও মানে আছে কি!

এইসব তুচ্ছ কথা, বড় বড় কবিরা বুঝেছেন এখন, শুনতে ও শোনাতে দায় নেবার দরকার নেই কোনওখানে। তাই এ-রাজত্বে সব কবিই সুবোধ অথবা নিতান্তই দুর্বোধ, নয়তো তাদের নাম মুছে দেওয়া গেছে নির্বিঘ্নে। স্বীকৃত কবিরা কেউ নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রদ্রোহ পোষে, রাষ্ট্রও রেসিপ্রোকেট করে— চেয়ারে বা পিঠেহাতে, সুযোগ আপোসে খুঁজে নেয় কবিশ্রীভূষণ। তার মাঝে, ধর্মাবতার, আমি কোন হরিদাস পাল, কবিতায় আত্মাকে বিক্রি না করার পণ রাখি?

এইসব কঠিন ঝামেলায় আমার কী দরকার ছিল, ধর্মাবতার, আমি এক সামান্য ডাক্তার? ডেঙ্গি নিয়ে ভুল করেছি, হ্যাঁ, আমিই ভুল করেছি, কেন না সর্বশক্তিমান ও আমার শাস্তিবিধাতা ভুল করবেন, তা তো হতে পারে না। তিনি, তাঁরা, তাঁর প্রসাদধন্য সব্বাই, জনগণের জন্য, জনগণের হুকুম আদায় করে, সিংহাসনে বসে আছেন। আর আমি আছি কোথায় কোন বারাসাতের এক হাসপাতালে, যেখানে তোলাবাজ থেকে মন্ত্রী-পরিচিত, সবাই আমার টেবিল চাপড়ানোর হক রাখে। আর আমি কী ভেবেছি নিজেকে? জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জে, দ্য হুইসল ব্লোয়ার, যার কথায় সত্যি উদঘাটিত হবে আর সবাই নড়েচড়ে বসবে? চায়ের ঠেকে লোকাল ট্রেনে রোগীদের পাড়ায় গ্রামে গঞ্জে সব্বাই জেনে যাবে, আমার হাসপাতালে, এবং বাংলার প্রায় সমস্ত সরকারি হাসপাতালে, মেডিসিন ওয়ার্ডের মেঝে ছেড়ে উপচে ওঠা ভর্তি রোগীর ভিড় নেমে এসেছে হাসপাতাল বিল্ডিং-এর অন্যত্র মেঝেতে? জেনে যাবে, যেখানেই প্লাসটিক শিট পাতার সামান্যতম জায়গা রয়েছে, সেখানে জ্বর নিয়ে ভর্তি মানুষ, যাঁদের কোন জ্বর, সেটা জেনেও না-জানানোটা আমাদের, কী বলে, উপরওয়ালার অকথিত বিধান? জেনে গিয়ে তাঁরা সব মৌন ম্লান মুখে ভাষা পেয়ে যাবেন, বলবেন, হাসপাতাল বাড়াও? বিনিপয়সায় সব ওষুধ দাও, পরীক্ষাগুলো ভাল করে সময়ে করো, আর সেগুলোর রিপোটে লেখো সত্যিকথা, নবান্নর আদেশকথা না? পাবলিক এগিয়ে এসে বলবেন, মশা মার? বলবেন, সরকার তুমি হুঁশিয়ার, জনগণ হ্যায় তৈয়ার?

ধর্মাবতার, হাজার হাজার রোগী ঘেঁটে ঘেঁটে একটু অহংকার বেড়েছিল বোধহয়, বোধহয় মনে হয়েছিল, তাঁদের কী দরকার, আর কীভাবে তা দেবার চেষ্টা করা যেতে পারে, সেটা হাসপাতাল-রোগী-জনস্বাস্থ্য থেকে যোজনদূরে বসা আমলা-মন্ত্রীর চাইতে আমি কিছু কম বুঝব না। বোঝায় ভুল হয়ে গেছে। যে পাবলিকের যে বেঁচে থাকাটাই দুর্ঘট, তাঁরা মরে যাওয়াটা দৈনন্দিন আর পাঁচটা ঘটনার মতন মেনে নেবেন, কিংবা তাৎক্ষণিক সুবিচারের মরীচিকায় সামনে থাকা বেঁড়ে ব্যাটা ডাক্তার-নার্সদের পেটাবেন, এই সহজ কথাটা আমি বোধহয় সত্যকথনের অহংকারে বুঝিনি।

তবু সেই কথাগুলো না বললে, আমার উপায়ও ছিল না যে! চিকিৎসা ব্যাপারটা একটা বিজ্ঞান, যদিও ভোটবুথ দখলের মতো প্রেস্টিজিয়াস বিজ্ঞান নয়, আমাদেরই গলতি কোথাও— মানুষ স্বাস্থ্যের জন্য স্লোগান দেয় না, স্বাস্থ্যের জন্য ভোট দেয় না। এবং সরকারি বড়কর্তা থেকে পাড়ার দাদারা যে খাপ-পঞ্চায়েত নিদান দেয়, তা-ই শিরোধার্য করে ডাক্তারের ওপর চড়াও হয়। কিন্তু হাতে একটাও পেটো নেই, দুটো-একটা টু-শটার নেই, নিদেনপক্ষে ভোটিং বুথের পাহারাদাররা আড়ালে আমার পা চেটে দেবার প্রতিযোগিতাতেও নামছে না, তেমন অবস্থায় কি আর ভোট করানোর মতন উন্নত সায়েন্সটাও কাজে লাগানো যায়, কী বলেন ধর্মাবতার? এবার দেখুন, হাসপাতালে আমার অবস্থা পেটোহীন পেঁচো সর্দারের মতো!

***

ধর্মাবতার, একবার শুধু দেখে নিন কোন কথাগুলো আমি ভুল করে বলে ফেলেছিলাম। আমার লেখা ঐ কথাগুলো দেখলে, আমি নিশ্চিত জানি, আপনি বুঝবেন সরকারের গেজেটেড অফিসারের তকমা-পাওয়া আমি, আমার মতো আরও কয়েকশ’ সরকারি ডাক্তার, এমনকি তাদের বেসরকারি ভাই-বেরাদরদের অধিকাংশ, আমরা সব্বাই হলাম নেহাতই পেঁচো সর্দার, যার প্রয়োজন আসলে ফুরিয়ে গেছে। কিংবা আমি ও আমরা মৃত-চিকিৎসার শববাহকের দল। আমার এক জুনিয়ার ভাই একবার বলেছিল, ডাক্তার নই, আমরা হলাম সিস্টেমের কাকতাড়ুয়া, আমাদের দূর থেকে দেখা যায় আর ঢিল ছোঁড়া যায়, কেটেও ফেলা যায়, কিন্তু আমাদের খাড়া করে ‘হাসপাতালে সব করে দিয়েছি’ বলে বিবৃতি দেন যাঁরা, তাঁদের চরণযুগল ছাড়া কিচ্ছুটি স্পর্শও করা যায় না। আমরা, ধর্মাবতার, গণশত্রু, কেন না আমাদের হাতে রোগী মরে। কোনও মন্ত্রী-সান্ত্রী রোগী মেরেছেন, এমন শুনেছেন কখনও? আমরা গণশত্রু, কেন না আমাদের অধিকাংশ রোগীদের তুলনায় আমরা বেশ বড়লোকই বলা চলে, তাদের জীবন-মৃত্যুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে যদি আমরা প্রত্যেকবার জিততে না পারি তবে তাঁরাই বা আমাদের ক্ষমা করবেন কেন? সরকার বলেছেন, মানে মহামান্যা বলেছেন, কর্পোরেট হাসপাতালগুলো কু-কাজ করে। আর লোকে জানে হাসপাতাল মানে আসলে হল ডাক্তার, অতএব কু-কাজ করে ডাক্তাররাই। যদিও মহামান্যা এও বলেছেন শতকরা নব্বইভাগ ডাক্তার ভাল, যে ডাক্তার আমার বাপকে মারল সামান্য ইয়ে-জ্বরে, সেই ডাক্তার ভাল হবে এও বিশ্বাস্য নাকি?

আমার কবিতাগুলো কুচি-কুচি করে উড়িয়ে দিয়েছি মানুষের মুখে ও হাওয়ায়, ওগুলো তেমন কবিতা হয়ে ওঠেনি। যে কোনও কবি বা পরিচালক, গায়ক বা নায়ক, বুঝবেন ‘সি ইউ – থ্যাঙ্ক ইউ’ এইসব অমর সৃষ্টির পাশে ওগুলো দাঁড়াতেই পারে না, ওসব রেখে বাংলা সাহিত্যজগতকে কলুষিত হতে দেওয়া যায় না। হুজুর ধর্মাবতার, তবু যে লেখাটা লিখেছিলাম সোশ্যাল মিডিয়ায়, সেটা একবার পড়ে দেখুন। সবটা পড়িয়ে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করব না, সেটুকুই পড়ুন যেখানে আমি নিজেই বলেছি কতটা ক্ষমতাহীন আমি, আমরা।

***

“যখন আমার নামে ভর্তি হওয়া মানুষের মোট সংখ্যা পঞ্চাশ ষাট ছিল কয়েকসপ্তাহ আগেও… কিন্তু তার পরে এই জেলায় পাল্লা দিয়ে বেড়েছে জ্বর, সেই কারণে প্রচুর মৃত্যু, আর অকল্পনীয় মৃত্যুভয়।

অথবা অন্য ভাবে বললে, ভর্তি রোগীর সংখ্যাটা যতদিন কম ছিল মানে কম বেশি একশ’, জানতাম যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ করছি। আজ যখন সে সংখ্যা পাঁচশ’র আশেপাশে, জেনে গেছি যুদ্ধ অসম্ভব। বন্যার জল ঢুকে পড়েছে, এখন একমাত্র গতি ভেসে যাওয়া।

…মিডিয়া কিন্তু প্রান্তিক হাসপাতাল দেগঙ্গা বা রুদ্রপুর হাসপাতাল ছেড়ে দিন, এমন কী জেলা হাসপাতালে উঁকি দিয়েও দেখেনি। কাজ সেরেছে সম্ভবত স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসকদের সাথে কথা বলে, যাদের একমাত্র কাজই হচ্ছে তথ্য চেপে যাওয়া।

যাই হোক, যা বলছিলাম, মেডিসিন ওয়ার্ডের মেঝে ছেড়ে উপচে ওঠা ভর্তি রোগীর ভিড় নেমে এসেছে হাসপাতাল বিল্ডিং-এর অন্যান্য মেঝেতে, যেখানেই প্লাসটিক শিট পাতার সামান্যতম জায়গা রয়েছে, সে’খানে। পা রাখার জায়গা আক্ষরিক অর্থেই নেই। ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা? কেউ জানে না, শুধু কম্পিউটার জানে। সবার গায়ে জ্বর। অনেকের কাছেই বাইরের ল্যাবে করানো ব্লাড রিপোর্ট। সবারই এক আর্তি, রিপোর্টে ডেঙ্গু ধরা পড়েছে… সবার বাড়ির লোকের দাবী, স্যালাইন দাও।

সবাইকে সেই দিনের ভারপ্রাপ্ত ডাক্তার ইচ্ছে থাকলেও ছুঁয়ে দেখতে পারছে না। কারণ ত্রিবিধ। প্রথমত মোট রোগীর সংখ্যা, সম্ভবত পাঁচশ, একলা দেখতে হবে রাউন্ডে। দ্বিতীয়ত বেড হেডটিকিটের উল্লিখিত রোগীকে খুঁজে পাওয়া। কোন বারান্দার বা কোন ঘুপচির মধ্যে গাদাগাদি হয়ে রয়েছে সে হাজার ডাকাডাকি করেও পাওয়া যাচ্ছে না। তৃতীয়ত খুঁজে যদিও বা পাওয়া গেল, গায়ে গা লাগিয়ে শুয়ে থাকা মানুষগুলোর কাছে অন্যকে পায়ে না মাড়িয়ে পৌঁছোনো কার্যত অসম্ভব।

জেলার স্বাস্থ্য প্রশাসক অতি চালাকের মতো বিবৃতি দিচ্ছে হাসপাতালে সব ব্যবস্থা (পড়ুন নির্ভেজাল অব্যবস্থা) রয়েছে। হাসপাতালের প্রশাসক অসহায়। অলিখিত নির্দেশ রয়েছে অব্যবস্থার কথা বা ছবি ঢাকতে হবে যে কোনও মূল্যে।…

আমি? একদিনে যাকে দেখতে হবে কমবেশি পাঁচশ জন, সেই আমি অতিব্যস্ত আগামী এক দেড় দিনের মধ্যেই নমো নমো করে এ’দের অনেককে জ্বর গায়েই বাড়ি পাঠিয়ে দিতে, কেন না পরের দিন গুলোয় নতুন পাঁচশ জনের তো “সাব হিউম্যান তবু সব ব্যবস্থা থাকা” সরকারী হাসপাতালে জায়গা চাই।

…এর মধ্যেই মারা যাচ্ছে জ্বরের রোগী। বুঝিয়েসুজিয়ে (প্রশাসনিক জবানে কাউন্সেলিং করে), কান্না মোছানোর চেষ্টা করছি। ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ লিখছি… না না ডেঙ্গু নয়। এই রাজ্যে ডেঙ্গু হওয়া বারণ। এই অতি চালাক আমি… রক্তচোখের ভয়ে ভীত কেন্নোর মতো সন্ত্রস্ত এই আমি অভাগার ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ লিখছি ‘ফিভার উইথ থ্রম্বোসাইটোপিনিয়া’।

আর রক্তচোখের মালকিন মালিকেরা তখন কার্নিভ্যালে কৃত্রিম একধরণের ঠোঁট প্রসারিত চালাক চালাক প্রায় অশ্লীল হাসির ভঙ্গিমায়, কখনও বিসর্জন দেখছে, কখনও দেখছে ফুটবলের কবন্ধ রাক্ষুসে মূর্তি।

এর মধ্যে বলাই বাহুল্য জ্বর ছাড়া অন্যান্য রোগীরাও ভর্তি হয়েছেন মেডিসিন ওয়ার্ডে। মানে হার্ট অ্যাটাক, সেরিব্রাল স্ট্রোক, সিরোসিস, কাশি-বমিতে রক্তপাত, খিঁচুনি ইত্যাকার বহু দুর্ভাগা। তাঁদের দেওয়া সুচিকিৎসা(?)র কথা সহজেই অনুমেয়। আমার দেওয়া তথ্যের সমর্থনে রোগীদের দুর্দশার ছবি মোবাইলে তুলে সাঁটানোই যেত এই দেওয়ালে। কিন্তু মহামহিম স্থানীয় প্রশাসক কার যেন মোবাইল এই অপরাধে নাকি বাজেয়াপ্ত করেছেন। সরকারী গোপন তথ্য ফাঁস করা অপরাধ।

একটা পুরোনো রাশিয়ান কৌতুকী মনে পড়ল। শিক্ষামন্ত্রীকে গাধা বলেছিল একটা লোক। বিচারে দু’দফায় জরিমানা হয়েছিল তার। প্রথম কারণ শিক্ষামন্ত্রীকে অপমান, দ্বিতীয় কারণ রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁস। জানি না আমার এই লেখায় সেই গোপন তথ্য ফাঁসের অপরাধ ঢুকে গেল কিনা।

প্রান্তিক ভোটার আপাতত জ্বরে কাঁপছে। কাঁপুক। মরে যাচ্ছে। যাক। অপ্রতিহত চলুক ভোগান্তি আর মৃত্যুর কার্নিভ্যাল।”

ধর্মাবতার, একবার নয়, দুবার শাস্তি দিন আমাকে। একবার গাধার ভার বহন করেছি এতদিন ধরে, সেই জন্য। দ্বিতীয়বার পবিত্র রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছি, সেজন্য।

***

পুনরায় ফাঁস করা সেই তথ্য তুলে ধরি ধর্মাবতার, আপনার সামনে।  মেল মেডিসিন আর ফিমেল মেডিসিনের নোটিশ বোর্ডের ছবি দিলাম। বাহুল্যবোধে আইসোলেশন ওয়ার্ডেরটা দিলাম না।

 

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*