সতেরোই জুন, দু’হাজার সতেরো

ফ্যাতারু বজরা-ঘোষ

 

হায়না নাকি হাসে। স্বাভাবিক। কান্না থাকলে হাসিও থাকবে। যত হাসি তত কান্না, বোলে গ্যাচেন রাম শন্না। যে কাঁদে সেই হাসে। আর যে হাসে সেই ফাঁসে। হাসি তো ফাঁসি। হাসি কান্না পাসাপাসি চলে। পরমানু বোমা পরীক্কা হলো, আমি সুনেচি বুদ্দ হেসেচিল। জংগলমহল খিলখল করে হেসেচে কদিন আগে। খালি ভুকা পেটেও হাসে। পাহাড় তো হেসে গড়িয়ে পড়চে। হাসির আওয়াজ কলকাতায় বোসেও সোনা যাচ্চে বেস। পাহাড় ইজ ইস্মাইলিং
ও:
পুলিশ লোক ক্যালাচ্চে, লোকে পুলিস ক্যালাচ্চে। খুন জখম বোমাবাজি। সান্ত ছিল। একজন গিয়ে কাতুকুতু দিয়ে এলেন। ব্যাস আর কি খিলখিলানি হাসি। বন্দই হয়না।

গোটা রাজ্য খুব সান্তিতে ছিল। রাজ্য তো নয় লাফিং কেলাব। সবাই সুনাম কচ্চে, আহা। বাহা। চাদ্দিকে সুনাম। তবে কেও বেয়াড়া পস্ন কল্লেই জেলে ভরে দেওয়া হবে। একন মিটিন মিচিল বন্দ কোরে দেওয়া হয়েচে। হাসতে অসুবিদা হয়।

ভানু ব্যানাজ্জির সেই কমিক সুনেচেন? ক্যাসেটের যুগের মাল। একন পাবেন কিন জানিনা।

এক লোক পঞ্চা এসেচে লর্ড ভানুর কাচে পরামস্য চাইতে। তার বাপ দাদারা ফেঁসে গতাচে। ক্যানো?
জমিদার এক বাড়ি বানিয়েচেন। সবাই তারিফ কচ্চে। জমিদারের রাজ্যে বাস। তার তারিফ করতেই হয়। জমিদারের রাজ্যে পুলিশ গান গাইবে, শিল্পি মাসল ফোলাবে, কবি চেয়ার মুচবে… তবেনা লোকে হাসবে। উন্নয়ন কি এমনি হয়। লোকে লাফিং এন্ড এস্মাইলিং। তো তারিফ কত্তে কত্তে পঞ্চার বাপ বলে বসলো বাড়িতো ভাল হয়েচে, কিন্তু সিঁড়ি এত ছোট করেচে। মরে গেলে এত বড় লাস নামাবে কি করে? ব্যাস! এতবড় কতা। জেলে ঢুকিয়ে দিয়েচে। এই সুনে তার বড়ছেলে গেচে। বলেচে আরে বাবার বুদ্দি নেই, ওকে ছেড়ে দিন। লাশ সিঁড়ি দিয়ে নামাবে ক্যানো, ধাক্কা দিয়ে উপর থেকে ফেলে দিলেই তো কাম ফতে। ব্যাস! একেও জেলে দিয়েছে! এই সুনে মেজ ছেলে মানে পঞ্চার মেজদা গিয়ে বলেচে আরে আমার বাবা দাদা কারোরই বুদ্দি নেই জমিদার মসাই, ছেড়ে দিন ওদের। আরে মরে গেলে লাশ কুচি কুচি করে কেটে নামাবে। ব্যাস এরও জেল!
এবার পঞ্চার পালা সে এসেচে ভানুর কাচে জানতে, সে কি বললে বাপ দাদারা মুক্তি পাবে?
-আরে তুই গিয়ে বল, আমার বাবা, দুই দাদা কারোরই বুদ্দি নাই। মরে গেলে বাড়ি সুদ্দু জ্বালাইয়া দিলেই হইবো।

একন বাড়ির উত্তর দিকটা জ্বালানো শুরু হয়েচে।

সেদিন একটা কাগজের কাটিং পড়চিলাম, বাংলার পাউচ ওই দিয়ে মুড়ে দেয়। চোকে পড়লো, পড়ে নিলাম। রোগের নাম প্রোস্রাব নিয়ন্ত্রনে অক্ষমতা। ইংরেজিতে লেকা আচে, দাঁড়ান বানান কোরে পড়ি… ইনকনটিনেন্স?
কি রোগ মাইরি
জানলাম জোরে হাসলে মুত্তরথলিতে চাপ পড়ে হিসু বেরয়ে পড়তে পারে? মানে এই রোগটা ধল্লে তবেই। খুব জোরে হাসবেন না। হাসাবেনও না। হিসুর সাথে হাগাও বেরিয়ে পড়তে পারে। তার সাতে বদ রক্ত।
হাসতে হাসতে কেলিয়ে যেতে হবে। পাহাড় কেলিয়ে গ্যাচে। ধ্বজভঙ্গের ইয়ের মতো।
আজকে লিকতে মোটেই হাসি পাচ্চেনা। পড়ে আপনাদেরও পাবেনা। আমার ভয় লাগচে, এট্টু ঘেন্নাও।

1 Comment

  1. ক্ষি ক্ষিল্লি! হাসি পাচ্চে কিন্তু চেপে আচি!

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*