চৌরাস্তার হলদে ট্যাক্সি

ঝগড়া

সৌমিত দেব

 

ওই যা হয় আর কী। একটা ঢ্যাঙা, এলোমেলো, ময়লা ছেলে আর একটা পরীর মতো মেয়ে। চেনা প্লট। চেনা ছক। না, মেয়েটা হয়ত অতটাও পরী পরী নয়, কিন্তু ছেলেটা তো তাকিয়েছে, চশমা, আরিব্বাস, ভালোবাসা, আদর, ‘এ আমায় পছন্দ করল কী করে’, আরও আরিব্বাস, আরও ভালোবাসা, আরও আদরের ফিল্টারের মধ্যে দিয়ে। উডি অ্যালেন থেকে মৈনাক ভৌমিক, কে নেই সেই দলে। রোমান্টিক কমেডির ভরসাযোগ্য আদি ও অকৃত্রিম প্রতিষ্ঠান। আমাদের কোনও ভরসা নেই। যাকগে যাক, তা এই গেল ভূমিকা। এইবার আমরা দেখে নেব পরপর কয়েকটা দৃশ্য…

দৃশ্য ১

ফাটাফাটি ঝগড়া হচ্ছে। ফাটাফাটি ঝগড়া। একেবারে রাস্তার মধ্যিখানে দাঁড়িয়ে। লোকজন আড়চোখে চেয়ে চলে যাচ্ছে। কিন্তু দুজনের হুঁশ নেই। মন দিয়ে ঝগড়া চলছে তো চলছেই। এমন সময় হঠাৎ বলা নেই কওয়া নেই চারপাশ স্থির হয়ে গেল। ওই, বিদেশি সিনেমাতে দেখা যায় না? তেমন। নট-নড়ন চড়ন অবস্থা। যে ট্রাফিক পুলিশটা পর্যন্ত গাড়ি থামাতে হাত তুলেছিল। হাতটা রয়ে গেছে ওভাবেই। গাড়িটাও থেমে আছে। লোকজনও। অবাক হয়ে গেল ওরা দুজন। এ কী ম্যাজিক রে বাবা! হাত ঘড়িগুলোর কাঁটাও স্থির। নড়ছে না। এবার! কী হবে? দুজনেই হতভম্ব। এমন সময়েই ছেলেটার মনে পড়ল একটা দুরন্ত পয়েন্ট। হ্যাঁ, একদম মোক্ষম হয়েছে। এইটে বলে দিলেই ঝগড়াটা একেবারে টুপ করে ফেলে দেওয়া যাবে মেয়েটার কোর্টে। কিন্তু কোথায় সে মেয়ে? ছেলেটা তাকিয়ে দেখে মেয়েটা হেঁটে বেড়াচ্ছে স্থির শহরের মধ্যে দিয়ে৷ চারপাশের জড় বস্তুর মধ্যে একমাত্র প্রাণ! একমাত্র হাসির ঝলক। একমাত্র বাঁকা চোখের চাউনি। বাদবাকি সমস্ত স্থির। নিথর নিঃসাড়। কোনও শব্দ নেই আর। কোনও চলন নেই কোত্থাও। ছেলেটা যতক্ষণে এগুবে বলে ভাবছে, মেয়েটা ততক্ষণে রাস্তার ওপার চলে গেছে। যাহ, হাত ধরা হল না যে! এইবার। ছেলেটাও চলে এল এইপারে। এসে দাঁড়াল মেয়েটার পাশে। এদিকে ঝগড়াটা তো শেষ হয়নি! পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে দুজন। মুখে কুলুপ। ঝগড়া করার ইচ্ছেটাই নেই আর। ধুশ। মেয়েটা হাঁটতে শুরু করল, পেছন পেছন ছেলেটা। মেয়েটা যেদিকে এগুচ্ছে, সেই দিকটাতেই রাস্তার ঠিক মাঝখানে একটা দরজা। মেয়েটা দরজাটা খুলে ভেতরে ঢুকে পড়ল। দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল। ছেলেটা এসে দাঁড়াল দরজাটার সামনে। চুল এলোমেলো করে নিয়ে নক করল দরজায়। মেয়েটাই খুলল দরজাটা। আরিব্বাস, চুল কাটিয়েছে! হেসে ফেলল দুজনে। ধরা পড়ে যাওয়ার হাসি। সারাদিন পর দেখা হল তো! ছেলেটা ফোন না করলে এইবার মেয়েটাও করত না! ছেলেটাও ঢুকে পড়ল দরজাটার মধ্যে দিয়ে। দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল, ভ্যানিশ হয়ে গেল। শহর আবার চলতে শুরু করেছে। আবার জ্যান্ত!

ফাটাফাটি ঝগড়া হচ্ছে। ফাটাফাটি ঝগড়া। একেবারে রাস্তার মধ্যিখানে দাঁড়িয়ে। লোকজন আড়চোখে চেয়ে চলে যাচ্ছে। কিন্তু দুজনের হুঁশ নেই। মন দিয়ে ঝগড়া চলছে তো চলছেই। এমন সময় হঠাৎ ছেলেটার একটা কথায় হেসে ফেলল মেয়েটা! ছেলেটা গেল বেকুব বনে। এই কথায় কেউ হাসতে পারে! মেয়েটা ধরল ছেলেটার হাতখানা৷ সঙ্গে সঙ্গে একটা মেঘ এসে ঘিরে ধরল ওদের৷ মেঘটা আস্তে আস্তে ভাসিয়ে তুলছে দুজনকে৷ বসে পড়ল ওরা দু’জন মেঘের ওপর। এত উঁচু থেকে শহরটা যেন মাঠে শুয়ে তারা দেখবার মতো। উলটো। মেয়েটা মাথা রাখল ছেলেটার কাঁধে। ছেলেটা জড়িয়ে নিল মেয়েটাকে আরেকটু কাছে। দুজনে বসে আছে স্থির৷ একটা গান দু’জনের বেজায় পছন্দ। সেইটেই চলুক তবে। চলল গানটা। গানটা শেষ হব হব এমন সময় মেঘটা আস্তে আস্তে ভেঙে পড়তে শুরু করল বৃষ্টির মতো। মেয়েটাকে ছেলেটা সেই থেকে বৃষ্টি বলে ডাকে। সেই যেই সেইবার ঢিমেতালে নেমে এসেছিল মাটিতে। সেই যে সেইবার, যেবার মেয়েটাকে দেখে প্রথম বুঝেছিল, আসলে এ আমার মতো। বেজায় একা, বেজায়। তাই সারাক্ষণ একে ওকে তাকে যে কোনও শর্তে আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়। যতবড় দল তত বেশি নিশ্চিন্ত। যে কোনও শর্তে। সেই যে সেইবার, যেবার মেয়েটাকে দেখে প্রথম বুঝেছিল, আসলে এ আমার মতো, এর সঙ্গে আমি থেকে যাব আমার সঙ্গে এ।

ফাটাফাটি ঝগড়া হচ্ছে। ফাটাফাটি ঝগড়া। একেবারে রাস্তার মধ্যিখানে দাঁড়িয়ে। লোকজন আড়চোখে চেয়ে চলে যাচ্ছে। কিন্তু দুজনের হুঁশ নেই। মেয়েটার একটা ফোন এল। একটু দূরে গিয়ে ফোনটা ধরল মেয়েটা। তাড়াতাড়ি সেরে চলে এসে দেখে ওদের মাঝখানে প্রচুর মানুষ চলাচল করছে। একটা মানুষের ভিড় ঢুকে পড়েছে ওদের মধ্যিখানে। ছেলেটাকে একা ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে মেঘটা। মেয়েটাও দরজাটা খুলে ঢুকে পড়ল আবার। দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল।

ছেলেটা আজ প্রায় এক জন্ম দাঁড়িয়ে আছে দরজাটার সামনে। বৃষ্টি আসে অসময়ে আজকাল প্রায়ই। বৃষ্টি প্রায়ই আসে আজকাল অসময়ে৷

তুমহারে আঁসু পোছু, ইতনি মেরি অওকাত নেহি হ্যায়

দৃশ্য ২

সব থেকে উঁচু ফ্ল্যাট বাড়িটার, সবথেকে উঁচু ছাত…

বেড়ালের মতো গুটিগুটি পায়ে রোদ্দুর এসে লাগে চোখে। এ সময় রোদচশমা প্রয়োজনীয়৷ কী হবে তার শেড? কে জানে? পছন্দ হওয়া অত সোজা? কী রঙে দেখা হবে দুনিয়া সেটা ঠিক করবে কে? যে পরবে সে! এ তো সহজ হিসেব— “এভাবে জামায় চশমা মুছতে দেখলে সবাই ভাববে আমরা প্রেম করছি।” গোল চশমার ফ্রেম। একতরফা, বেজায় একতরফা ছেলে।

রোদচশমা কেনা হয়ে গেছে। দেখা যাচ্ছে না সে এক জন্ম দিনরাত্রি ভেবে চলেছি তো চলেছি, বাংলায় যাকে মিস করা বলে৷

শহরের কবিতার ছবি, সবই…

দৃশ্য ৩

বেজে গেছে কখন সে টেলিফোন

সেবার জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। সঙ্গে হাওয়া। স্যাঁতস্যাঁতে হাওয়া৷ মেয়েটা সেবার শহরে নেই। ছেলেটা সারাদিন টো টো করে কাজকর্মের ফাঁকে৷ একদিন হঠাৎ একটা আশ্চর্য ঘটনা! শহরের ব্যস্ততম রাস্তায় হঠাৎ একদিন দেখা গিয়েছে একটা রেলের কামরা। অথচ কারও কোনও হেলদোল নেই। গাড়ি ঘোড়া মানুষ কামরাটাকে কাটিয়ে পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। যেন খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। যেন এমন তো হয়ই৷ এমন তো যেন হামেশাই হচ্ছে। কিন্তু ছেলেটা অবাক! কান থেকে হেডফোন খুলে, এলোমেলো রাস্তা পেরিয়ে গিয়ে পৌঁছোল কামরাটার সামনে৷ কামরাটা ধবধব করছে সাদা। দরজাটা খুলে কামরায় উঠে পড়ল ছেলেটা। উঠে পড়ল বলা ভুল অবশ্য। দরজার কামরাটা খুলে ছেলেটা নেমে এল আরেকটা শহরে৷ সেখানে তখন দিনের আলো ঝলমল করছে। ঝলমলে হেমন্ত। একটা ছেলে আর একটা মেয়ে বসে আছে ট্যাক্সিতে পাশাপাশি। ট্যাক্সিটা দাঁড়িয়ে আছে একটা সিগনালে। কবিতায় একটা শাল ফেলে রেখে আসার কথা ছিল পাহাড়ে। দামী শাল পাহাড়ে ফেলে আসা হবে নাকি? ইয়ার্কি! ওসব কিছুই হবে না! ট্যাক্সিটা অবাক ছেলেটা আর পাহাড়ি মেয়েটাকে নিয়ে মিলিয়ে গেল শহরে। আমাদের ছেলেটা হাঁটা শুরু করল। দু’পকেটে হাত। হাঁটতে হাঁটতে অবাক। এই শহরেও রাস্তার মাঝ বরাবর দাঁড়িয়ে আছে একখানা রেলের কামরা। অথচ কারও কোনও হেলদোল নেই। গাড়ি ঘোড়া মানুষ কামরাটাকে কাটিয়ে পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। যেন খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। যেন এমন তো হয়ই৷ এমন তো যেন হামেশাই হচ্ছে। কিন্তু ছেলেটা অবাক! এলোমেলো রাস্তা পেরিয়ে গিয়ে পৌঁছোল কামরাটার সামনে৷ কামরাটার সারা গায়ে ছবি আঁকা। নানা রকমের ছবি। পাকা, কিন্তু বহুদিনের অনভ্যাসের হাতে আঁকা ছবি। ইচ্ছেমতো রঙের বাঘ। কামরার দরজাটা খুলে ছেলেটা নেমে এল আরেকটা শহরে। সেখানে তখন সন্ধ্যা। জায়গাটা একই আছে, একই রকম একদম। শুধু একটা ছেলে আর একটা মেয়ের ফাটাফাটি ঝগড়া হচ্ছে। ফাটাফাটি ঝগড়া। একেবারে রাস্তার মধ্যিখানে দাঁড়িয়ে। লোকজন আড়চোখে চেয়ে চলে যাচ্ছে। কিন্তু দুজনের হুঁশ নেই। মন দিয়ে ঝগড়া চলছে তো চলছেই। এমন সময় হঠাৎ বলা নেই কওয়া নেই চারপাশ স্থির হয়ে গেল। ওই, বিদেশি সিনেমাতে দেখায় না? তেমন। নট-নড়ন চড়ন অবস্থা। এমন কী ঝগড়ারত ছেলেটা আর মেয়েটাও। আমাদের ছেলেটা ওদের পেরিয়ে এগিয়ে গেল খানিক। এগিয়ে গিয়ে দেখে একবারে রাস্তার মধ্যিখানে একটা দরজা। এপারে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে একটা ছেলে, ওপারে আরেকটা মেয়ে। দুজনেরই মুখেই ধরা পড়ে যাওয়ার হাসি। আমাদের ছেলেটা এগিয়ে গেল আরও খানিকটা। সামনে আরেকটা অদ্ভুত দৃশ্য! বৃষ্টি স্থির হয়ে আছে চারিপাশে। মাটিতে নামতে পারার আগেই, আকাশ থেকে মাটি পর্যন্ত, বিভিন্ন উচ্চতায় স্থির হয়ে আছে বৃষ্টি। সঙ্গে স্থির হয়ে আছে দুটো মেঘের মেয়ে ছেলে। মাটি থেকে খানিকটা ওপরে। আমাদের ছেলেটা এগিয়ে গেল আরেকটু। রাস্তার মাঝখানে আরেকটা রেলের কামরা…

ফোন করেছিল বহুবার… নেটওয়ার্ক ছিল না। সেবার জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। সঙ্গে হাওয়া। স্যাঁতস্যাঁতে হাওয়া৷ মেয়েটা সেবার শহরে নেই…

একলা ছেলেটাকে শুধু—

কিছু মিছু রাত পিছু পিছুটান ডেকে যায়

দৃশ্য ৪

এত ব্যস্ততার মধ্যে সাধের না খুঁজে পাওয়া জামাটা পরে আছে কে? নাহ! সে কথা আর বলবার নয়। এর পরের রাগটা, ঝগড়াটা প্রশয়ের। ছবির। আদরের। নিজের ঘরের গন্ধটার মতো আপন। জামা কী শুধু জামা? জামাটা হল— “জামাটা কিনে দিলাম, না পরলে আমায় দিয়ে দিস”… মন্তাজের পর মন্তাজ… দৃশ্যের পর দৃশ্য… মিলেমিশে একাকার। সেই কে বেশ একটা বলেছিল চাঁদের বুড়ির চরকায় কাটা সুতোর জামায় রূপকথার মতো দেখায়। এই যে এত জামা, ওতে জমে চলেছে রোজের রূপকথারা, সাজিয়ে না রাখলে চলে?

রাতে বিস্তর হলে কালো তাতে অতীত জমাতে হয়

দৃশ্য ৫

কথা ছিল হেঁটে যাব ছায়াপথ

চৌরাস্তার মোড় থেকে একটা রাস্তা সোজা চলে গেছে নিরুদ্দেশে। সেখানে বিকেল রঙের নদীর ধারে কাজল সন্ধ্যা নামে। নদীর পাড় থেকে কুড়িয়ে নেওয়া যায় নুড়ির মতো নাকছাবি। সেখানে কেউ এমন আছে যার সামনে দাঁড়াতে পারো তুমি, শব্দহীন। যাকে বোকা ভাবো না তুমি, তেমন কেউ। আছে। কী হয়েছে? তুমি অভ্যাস করে ফেলেছ ছল? তার পরোয়া যদি না করে কেউ? কাকে ঠকাচ্ছ তুমি? এই ধরা না পড়বার ভয়, কী এমন পরিপূর্ণতা দেয় তোমায়? কী এমন মরুভূমি তুমি পেরিয়ে এসেছ তুমি যে নিজেকে মরীচিকা করে রেখেছ? শহর হওয়ার সম্ভাবনা এড়িয়ে যাও বার বার। ক্যানো? কাকে ভয় তোমার? কীসেরই বা ভয় তোমার? একা হয়ে যাবে? না, কেউ এমন আছে যার সামনে দাঁড়াতে পারো তুমি, শব্দহীন। নিজেকেও কেন ঢেকে আড়াল করে রেখেছ এমন। কীসের এত অবিশ্বাস জড়ো করেছ বুকে? কীসের ভয়ে তোমার হাত সবকিছু পেতে চায় একবারে? এত কাঙাল তুমি তো নও? তবে, ভালোবাসতে কীসের ভয় তোমার? সত্যি বলতে? কীসের এত শূন্যতা তোমার যা ভরিয়ে তুলতে এত ব্যস্ততা? কী আশ্চর্য কৌতুক তোমার চোখে, কী আশ্চর্য ভাষাজ্ঞান। কী আশ্চর্য ম্যাজিকে তুমি জানো খুশি করার কৌশল। একবার নিজের চারপাশের আয়নার দেওয়ালগুলো খুলে দিয়ে দেখো, ভালোবাসা অতটাও স্বার্থপর নয়।

চৌরাস্তার মোড় থেকে একটা রাস্তা সোজা চলে গেছে নিরুদ্দেশে। সেই মোড়ে অপেক্ষা করছে একটা ট্যাক্সি। আমাদের ছেলেটা এগিয়ে গেল আরেকটু। রাস্তার মাঝখানে আরেকটা রেলের কামরা থেকে ছেলেটা এসে নামল ট্যাক্সিটার সামনে। ছেলেটা আজ প্রায় এক জন্ম দাঁড়িয়ে আছে ট্যাক্সির দরজাটার সামনে। মেয়েটা এলেই বেরিয়ে পড়বে। শুধু একবার থামতে হবে ডাক্তারখানায়। অ্যালোপ্যাথ।

 

ওই যা হয় আর কী। একটা ঢ্যাঙা, এলোমেলো, ময়লা ছেলে আর একটা পরীর মতো মেয়ে। চেনা প্লট। চেনা ছক। না, মেয়েটা হয়ত অতটাও পরী পরী নয়, কিন্তু ছেলেটা তো তাকিয়েছে, চশমা, আরিব্বাস, ভালোবাসা, আদর, ‘এ আমায় পছন্দ করল কী করে’, আরও আরিব্বাস, আরও আরিব্বাস, আরও ভালোবাসা, আরও আদরের ফিল্টারের মধ্যে দিয়ে। উডি অ্যালেন থেকে মৈনাক ভৌমিক, কে নেই সেই দলে। রোমান্টিক কমেডির ভরসাযোগ্য আদি ও অকৃত্রিম প্রতিষ্ঠান। আমাদের কোনও…

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 1438 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

1 Comment

  1. এই জঁরের লেখাগুলো বড্ড ভালো খোলে তোর হাতে। ভালো হয়েছে…

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*