অ্যান্ড্রু গ্রাহাম ইয়ুল: সাংবাদিকতায় নির্ভীকতার পাঠ দিয়েছিলেন যিনি

সত্যব্রত ঘোষ

 

সংবাদপত্রের দপ্তরে বন্দুক তাক করে পুলিশবাহিনীর প্রবেশ!

এখন হয়তো এমন ঘটনা অতটা চমকপ্রদ মনে হবে না। তবে অনতিঅতীতে ব্যস্ত কোনও কর্মস্থলে পুলিশ এভাবে হানা দিলে অধিকাংশ মানুষ আতঙ্কে বাকরুদ্ধ হতেন।

যেমনটা ঘটেছিল আর্জেন্টিনায়। আজ থেকে ৪৪ বছর আগে। ২২শে অক্টোবর, ১৯৭৫। ওয়েনস আইরেস (Buenos Aires)-এর হেরাল্ড সংবাদপত্রের দপ্তরে। পুলিশ সেদিন রীতিমতো ধড়াচুড়ো পড়ে গ্রেপ্তার করতে আসে বার্তা সম্পাদক অ্যান্ড্রু গ্রাহাম ইয়ুলকে। পুলিশের সন্দেহ, তিনি একজন সন্ত্রাসবাদী, কারণ, এয়েরসিতো রেভলিউসানারিও ডি পুয়েবলো (পিপলস রেভলিউশনারি আর্মি)-র একটি সম্মেলনে তাঁকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।

ইসাবেলা পেরঁ খাতায়কলমে তখন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বটে। তবে তাঁর স্বামী য়ুহান ডোমিনগো পেরঁ-র স্বৈরাচারে বীতশ্রদ্ধ আর্জেন্টিনার সামরিক বাহিনী প্রশাসনব্যবস্থায় নিজের মুঠি শক্ত করছে। (ছয় মাস বাদে সত্যিই তারা ক্যু করে দেশের শাসনভার ছিনিয়ে নেয়)। এমন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে পেরঁ সরকার নিজের ক্ষমতা বজায় রাখতে নিষ্ঠুরতার চরম সীমা অতিক্রম করেছে। সুস্থবুদ্ধির যে মানুষরা প্রকাশ্যে সরকারের সমালোচনা করেছেন, রহস্যজনকভাবে তাঁরা ‘অদৃশ্য’ হয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন কাউকে না কাউকে তুলে নিয়ে গিয়ে হয় জেলবন্দি করা হচ্ছে, নয়তো তাঁরা খুন হয়ে যাচ্ছেন।

সুতরাং বন্দুকধারী পুলিশ কোথাও হানা দিলে ধরে নেওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল, কেউ না কেউ এবার খুন হবে। কিন্তু লেদার জ্যাকেট পরিহিত যে পুলিশরা গ্রাহাম ইয়ুল-কে গ্রেপ্তার করতে ‘ডেকান’ পত্রিকার দপ্তরে এল, তাদের জানা ছিল না খবরটা আগেই চলে এসেছে কর্মরত সাংবাদিকদের কানে। তাঁদের মধ্যে কেউ বুদ্ধি করে একজন উকিলকে পুলিশের হানার খবর অগ্রিম জানিয়েছেন। বিদেশেও বার্তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, পুলিশ যে গ্রাহাম ইয়ুল-কে নিজেদের হেফাজতে নিতে এসেছে, তা ইতিমধ্যেই নথিবদ্ধ।

ঝড়ের মতো দপ্তরে ঢুকে তারা গ্রাহাম ইয়ুল-এর ফাইলপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করে। এবং বিগত দশ বছরের সাংবাদিক জীবনে তিনি দপ্তরে বসে যা কিছু লিখেছেন, তা নষ্ট করে দেয়। দপ্তরে উপস্থিত অন্য সাংবাদিকেরা জানেন বাধা দিলে আরও বড় সর্বনাশ ঘটবে। তাঁদের সামনে গ্রাহাম ইয়ুলকে টেনে নিয়ে গিয়ে একটি চিহ্নহীন গাড়িতে বসায় পুলিশ। হেরাল্ড পত্রিকার সম্পাদক রবার্ট কক্স নাছোড়বান্দা। সেই গাড়িতে তিনিও উঠলেন। দুজনকে নিয়ে যাওয়া হল একটি থানায় । পরবর্তীকালে কীভাবে তাঁদের কয়েদি বানানো হয়, তা দুই সাংবাদিক বিশদে বলেছেন। তার সঙ্গে বলেছেন পুলিশ স্টেশনে উচ্চগ্রামে রেডিও বাজানোর কথা। যার নিনাদ বেসমেন্টে আটক সেই অত্যাচারিত কয়েদিদের আর্তনাদের তীব্রতাকে ঢাকতে ব্যর্থ হচ্ছিল প্রতি মুহূর্তে।

পুলিশ অবশ্য দুই সাংবাদিককে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। কিন্তু যে কয়েকটি দিন তাঁরা আটক ছিলেন, সেই সময়টুকুর মধ্যে হেরাল্ড পত্রিকার সাংবাদিকরা পরিণামের পরোয়া না করে প্রকাশ করলেন “Wot, no tanks?” নামে বিদ্রূপাত্মক এক নিয়মিত column, যার মাধ্যমে সংবাদপত্রের পাঠকরা জানতে পারেন পেরঁ সরকার চারপাশে কী ঘটাচ্ছে।

কক্স এবং গ্রাহাম ইয়ুল এরপর ফিরে এলেন নিজেদের ডেস্কে। যত ঝুঁকি থাকুক না কেন, খবর সংগ্রহ এবং প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ কাজটি তাঁদের চালিয়ে যেতেই হবে। দেশের বিভিন্ন কোণে প্রতিদিন কিছু মানুষ হারিয়ে যাচ্ছেন। সেই খবর সবাইকে সংবাদপত্রের মাধ্যমে ছড়ানো প্রয়োজন।

বেপরোয়া সেই অ্যান্ড্রু গ্রাহাম ইয়ুল-এর অকস্মাৎ প্রয়াণ ঘটল এই বছর, লন্ডনে। গত ৬ জুলাই। ৭৫ বছর বয়সী এই সাংবাদিকের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে শোক পালন করল গোটা আর্জেন্টিনা।

সাংবাদিকের মৃত্যু সচরাচর নামী সংবাদমাধ্যমের হেডলাইন হয় না। সংবাদ জগতে অ্যান্ড্রু গ্রাহাম ইয়ুল প্রকৃত অর্থেই ছিলেন এক শিরদাঁড়া সোজা লম্বা একটি মানুষ।

বেশ কিছু বছর আগে আর্জেন্টিনার বিভিন্ন পত্রিকা সম্মিলিতভাবে অ্যান্ড্রু গ্রাহাম ইয়ুলকে ‘সাতের দশকের অন্যতম নির্ভীক সাংবাদিক’ শিরোপা দিয়েছিলেন। তাঁর যে ছবিটি প্রকাশিত হয় তাতে দেখা যাচ্ছে শ্বেতশুভ্র শ্মশ্রুগুল্ফ শোভিত মানুষটি ক্যামেরার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে তাকিয়ে আছেন। বাস্তবে কিন্তু মানুষটি নিজেকে একেবারেই কেউকেটা ভাবতেন না।

তদন্তমুলক সাংবাদিকতাই নয়, অ্যান্ড্রু একজন ঐতিহাসিক এবং কবিও। তাঁর রচিত অজস্র বইয়ের একটি হল ‘আ স্টেট অফ ফিয়ার’ (১৯৮৫), যা স্বৈরাচারের এক অমূল্য দলিল হিসেবে গণ্য। তবে অ্যান্ড্রুর সবচেয়ে বেশি পরিচিতি ‘ওয়েনস আইরেস হেরাল্ড’ নামে স্বল্প বিতরিত ইংরেজি সংবাদপত্রটি ঘিরেই। যে দেশটিতে স্প্যানিশই প্রধান ভাষা, সেই আর্জেন্টিনার ইতিহাসে খানিকটা বেমানানভাবেই এই ইংরেজি খবরের কাগজটির স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পুলিশী হামলার ছয়মাস বাদে আর্জেন্টিনায় যে সামরিক বাহিনীর ক্যু ঘটে, তাতে আতঙ্কের বাতাবরণটি আরও জমাট বাঁধে। যার অবসান হয় ১৯৮৩ সালে। হিসেবমতো, প্রায় ৩০,০০০ মানুষের মৃত্যু হয় কারণ, বামপন্থী গেরিলা, ছাত্র, ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী, মনস্তত্ত্ববিদ, শিল্পী, সাংবাদিক এবং তাঁদের পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের বেছে নিয়ে লক্ষ্যভেদ করছিল কর্তৃপক্ষ।

তবে পুলিশের হামলার চার সপ্তাহ পরেই ‘ওয়েনস আইরেস হেরাল্ড’-এর দপ্তরে একটি ফোন আসে। অন্য প্রান্তে কেউ শীতল কণ্ঠে জানায়, “অতঃপর যাবতীয় মাধ্যমে কোনও ব্যক্তির মৃত্যু অথবা নিরুদ্দেশের সংবাদ প্রকাশ নিষিদ্ধ করা হল। একমাত্র কর্তৃপক্ষের দ্বারা নিশ্চিত করা হলেই তা জনসমক্ষে পৌঁছাবে।” হেরাল্ড সেই আদেশের পরোয়া না করে হুমকিটির খবর পরের প্রতিবেদনে ছাপায়। নির্ভীকতার খ্যাতি ছড়াতে দেরি হয় না। শহরের যে মানুষগুলি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নিজেদের শোক এবং আশঙ্কার কথা জানিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, তাঁরা হেরাল্ড-এর দপ্তরে ভিড় করে আসেন। নিরুদ্দিষ্ট স্বজন ও প্রিয়জনের হদিশ মিলতে পারে, এই আশায়।

গ্রাহাম ইয়ুল-এর অন্যতম সম্পদ ছিল স্থানীয় স্তরে তাঁর যোগাযোগ। ওয়েনস আইরেস-এই তাঁর জন্ম। মা ইংরেজ এবং বাবা স্কটিশ হওয়ার ফলে দুটি ভাষাতেই তাঁর সমান দখল। তিনি স্প্যানিশ বললে তাতে ইটালিয়ান প্রভাবিত পর্তেনো বাচনভঙ্গি স্পষ্ট। আর ইংরেজি বললে তাতে থাকত হালকা এক স্কটিশ আভাস। সমাজের যে কোনও স্তরের মানুষদের সঙ্গে অনায়াসে মিশতে পারতেন তিনি। পরবর্তীকালে অবশ্য স্বীকার করেছেন, কাজের নেশায় তিনি নিজের পরিবারকে বিশেষ সময় দিতে পারেননি।

কক্স অবশ্য বারবার তাঁকে সাবধান করেছেন। প্রতি সপ্তাহে আর্জেন্টাইন সাংবাদিকগুলির সঙ্গে বসে লাঞ্চ নাই বা করলে। কারণ, সংবাদজগতে সামরিক বাহিনীর মুখবীররা মিশে আছে। বুড়ো বদমায়েশগুলোর সঙ্গে ওঠাবসার পরিণাম সাংঘাতিক হতে পারে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। অ্যান্ড্রু নিয়মিত তাঁদের আসরে আকন্ঠ পান করে আসতেন।

সঙ্গে অবশ্য নিয়ে আসতেন নানা খবরও। একবার ১৯৭৬-এর মে মাসে এমন একটি আসরে অ্যান্ড্রু জানতে পারলেন প্রসিদ্ধ নাট্যকার এবং উপন্যাসিক হ্যারল্ডো কন্টির বাড়িতে হানা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি নিখোঁজ। পরবর্তীকালে গ্রাহাম ইয়ুল স্মৃতিচারণ করেছিলেন, “কন্টির বন্ধুরা আমাকে বারবার বলছিল খবরটা ছাপাও। ওদের মধ্যে নৌবাহিনীর একজন অফিসার ছিল। সে সাবধান করে আমাকে: খবরদার না, ছাপালে কী কেলেঙ্কারি ঘটবে তুমি ভালোই জানো।”

কথা না বাড়িয়ে ফিরে এসে গ্রাহাম ইয়ুল নিজের ডেস্কে বসে প্রতিবেদনটি লিখে ফেলেন। সেদিনের কাগজটি ছাপতে পাঠানোর সময় গ্রাহাম ইয়ুল-এর বুক কেঁপেছিল। তাই কেউ তাঁকে বেপরোয়া বললে তিনি আপত্তি করতেন।

১৯৭৬-এ পরের দিকে গ্রাহাম ইয়ুলকে নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়। পরিচিত একজন তাঁকে সাবধান করে, এবার কিন্তু আপনাকে ওরা ছাড়বে না। এমনকি আপনার স্ত্রীও ওদের খতম তালিকায় আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি চে-গুয়েভারার বোনের সহপাঠিনী ছিলেন, সেই অপরাধে। কক্সকেও নির্বাসনে পাঠানো হয়। ওনার ছেলেকে মেরে মেরে ফেলবার হুমকি দেয় সামরিক কর্তৃপক্ষ।

লন্ডনে ‘ইনডেক্স অন সেন্সরশিপ’ পত্রিকার সম্পাদক হন গ্রাহাম ইয়ুল। পরবর্তীকালে কক্সও পত্রিকাটির সঙ্গে যুক্ত হবার পর তার ইতিহাস ঘাটতে গিয়ে জানতে পারেন তাঁর গ্রাহাম ইয়ুলও একসময়ে তাতে কাজ করেছেন। ১৯৭২ সালে যখন পত্রিকাটি শুরু হয়, তখন প্রধানত পূর্ব ইউরোপের ঘটনাবলির দিকেই তার চোখ ছিল। গ্রাহাম ইয়ুল-এর পর জুডিথ ভিডাল-হল পত্রিকাটির হাল ধরেন। স্মৃতিচারণে তিনি বলেছেন, “অ্যান্ড্রু যোগ দেওয়ার পরই কম্যুনিস্টদের দ্বারা প্রচলিত সেন্সরশিপের ধারণাটি প্রশস্ত হয় পত্রিকার। সেন্সরশিপ যে নানান রূপে সারা বিশ্বে লাগু আছে, তা এর আগে আন্দাজই করা যায়নি।”

১৯৮৪ সালে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্য দিতে গ্রাহাম ইয়ুলকে আর্জেন্টিনায় ডেকে পাঠানো হয়। লন্ডন ছাড়বার আগে তিনি ভিডাল-হলের হাতে ব্রাউন পেপারের একটি খামে ভরা কিছু কাগজ দিয়ে যত্ন করে রাখতে বলেন। জুডিথ বুঝতে পারেন অ্যান্ড্রু হয়তো বেঁচে নাও ফিরতে পারেন। কারণ, বহু অত্যাচারী আর খুনী ওয়েনস আইরেস-এর রাস্তায় দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে তখন। প্যাকেটটি না খুলে জুডিথ নিজের বিছানার নীচে রেখে দেন। গ্রাহাম ইয়ুল লন্ডনে ফিরে এসে জুডিথের সামনেই খামটি খোলেন। দেখা যায়, কাগজগুলিতে উনি হাতে লিখে একটি তথ্যপঞ্জি বানিয়েছেন। আর্জেন্টিনায় যে মানুষগুলি অতগুলি বছরে নিরুদ্দেশ হয়েছেন, তাঁদের নাম, ঠিকানা, তারিখ এবং বিশদ বিবরণ লেখা এই চোদ্দ হাজারের বেশি শব্দ এবং ব্যক্তিগত কাহিনীতে সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক নথিগুলি এভাবেই সেন্সরশিপের জাল এড়িয়ে রয়ে গেছে।

তার একটি অনুচ্ছেদে লেখা আছে ভাষাবিদ ক্রিস্টিনা ওয়াইটক্রস এবং প্রকাশনা ব্যবসায় যুক্ত তাঁর স্বামী রিচার্ডের কথা। ওয়েনস আইরেস-এর কুখ্যাত ‘ভিলা ডেভেতো’ জেলখানায় এই দম্পতিকে আটকে রাখা হয়েছিল। ‘হেরাল্ড’ পত্রিকায় গ্রাহাম ইয়ুল তাঁদের অসহায়তার কথা লিখেছিলেন বলে তদানীন্তন সামরিক প্রশাসন বুঝতে পারে তাঁদের গতিবিধির উপর কেউ নজর রাখছে।

লন্ডনে থাকাকালীন ‘ইনডেক্স অফ সেন্সরশিপ’ পত্রিকার শেষ পাতাগুলিতে গ্রাহাম ইয়ুল আর্জেন্টিনায় ঘটতে থাকা অপরাধের খতিয়ান ছাপাতেন। সেই সময় বিভিন্ন দেশে কীভাবে এবং কোথায় মুক্তকণ্ঠ রুদ্ধ করবার ঘটনা ঘটেছে তার নির্দেশিকা প্রকাশিত হত ‘ইন্ডেক্স অফ সেন্সরশিপ’-এ।

আঠেরো বছর নির্বাসনের পর আর্জেন্টিনায় ফিরবার পর গ্রাহাম ইয়ুল ‘ওয়েনস আইরেস হেরাল্ড’ সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। তখন তিনি অ্যাংলো-আর্জেন্টিনিয়ান সমাজের চোখে পরম শ্রদ্ধেয়। জীবনের সান্ধ্যকাল তিনি যাপন করেন উত্তরের ‘এন্ত্রে রিওস’ অঞ্চলে।

জুডিথ একবার ওনার কাছে জানতে চান, “অত ঝুঁকি নেওয়ার দরকার ছিল কি?” মৃদুভাষী মানুষটি শান্ত কণ্ঠে শুধু বলেছিলেন, “আমার কাজটুকু আমি করে গেছি। সেই সময়ে আমার দেশে যা ঘটছিল, আমি শুধু তা নিয়ে লিখেছি। হ্যাঁ, ভয় পেয়েছি। কিন্তু ভয় পাওয়া আর কাপুরুষের মতো বেঁচে থাকা এক নয়।”

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 1802 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...