আরটিআই আইন: অধিকারের জন্ম ও মৃত্যু

দেবব্রত শ্যামরায়

 

আরটিআই কি আপনাদের মুখে খাবার তুলে দিতে পেরেছে? যে বিপুল কালো টাকা বিদেশে জমা আছে, তাকে কি আরটিআই ফেরত আনতে পেরেছে?

[নরেন্দ্র মোদি, লোকসভা নির্বাচনী সভা, ২০১৪]

 

এক

অক্টোবর ১২, ২০০৫। দিনটি ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি জলবিভাজিকা। অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ অনুযায়ী সমস্ত প্রশাসনিক তথ্য গোপন রাখার অধিকার সরকারের ছিল। তা থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ভারতের আইনসভা এই প্রথম সরকারি তথ্যের ভাণ্ডার দেশের জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিল। অক্টোবরের ১২ তারিখ জম্মু ও কাশ্মির ছাড়া সারা দেশে লাগু হল তথ্যের অধিকার আইন বা রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট ২০০৫। একই দিনে পুনের একটি পুলিশ স্টেশনে দেশের প্রথম আরটিআই আবেদনপত্রটি জমা করে ইতিহাসে নাম তুললেন শহিদ রাজা বার্নি।

উপরের কথাগুলো যতটা সহজে বলা গেল, আরটিআই চালু করা ততটা সহজ হয়নি মোটেই। মান্ধাতা আমলের ঔপনিবেশিক আইনের রক্তচক্ষু তো ছিলই, সরকার ও এক শ্রেণির রাজনীতির কারবারিরা তাঁদের কাজকর্মের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহির জন্য আদৌ ইচ্ছুক ছিলেন না। দেশজোড়া মানবাধিকার কর্মীদের দীর্ঘদিনের মেধা, পরিশ্রম, ও রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অনেক ওঠাপড়ার পর অবশেষে দিনের আলো দেখেছিল আরটিআই।

লড়াইটা শুরু করেন সমাজকর্মী অরুণা রায় ও নিখিল দে, ১৯৮৭ সালের তাঁদের প্রতিষ্ঠিত মজদুর কিষাণ শক্তি সংগঠন সর্বপ্রথম তথ্যের অধিকারের ধারণা নিয়ে প্রচার শুরু করে। ধীরে ধীরে এই আন্দোলন জমাট বাঁধে, আরও অনেক সমমনা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন, ১৯৯৬তে গড়ে ওঠে National Campaign for People’s Right to Information। একই বছর ভারতের প্রেস কাউন্সিল তথ্যের অধিকারের একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরি করে। ক্রমে বিভিন্ন রাজ্যগুলি তথ্যের অধিকারকে মান্যতা দিয়ে আইন প্রণয়ন করতে শুরু করে যা অবশেষে ২০০৫-এ কেন্দ্রে ইউপিএ সরকারের আমলে জাতীয় আইনের রূপায়ণের মধ্যে দিয়ে চূড়ান্ত রূপ পায়।

তথ্যের অধিকার আইন এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? প্রথমত, ১৯২৩-এর ব্রিটিশ আইন যা প্রাথমিকভাবে একটি গুপ্তচর-প্রতিরোধী আইন ছিল, তাকে ব্যবহার করে স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারগুলি প্রশাসনিক কাজকর্মে চূড়ান্ত দুর্নীতি ও অস্বচ্ছতা বজায় রাখতে পেরেছিল। দ্বিতীয়ত, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকারকে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ রাখার কোনও ‘মোডাস অপারেন্ডি’ এই গণতন্ত্রে ছিল না। অথচ, তথ্যের অধিকার অংশগ্রহণকারী গণতন্ত্রের একটি মৌলিক অধিকার হিসেবেই গণ্য হওয়ার কথা। আরটিআই আইন শেষমেশ সর্বপ্রথম ব্যাক্তি-নাগরিক তথা সমষ্টির হাতে গণতন্ত্র রক্ষার এই অমিত শক্তিশালী হাতিয়ার তুলে দিল। বলা ভালো, তুলে দিয়েছিল। এই আইনের আওতায় অধিকাংশ কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারি সংস্থা, পূর্ণ বা আধাসরকারি, সরকার দ্বারা অধিগৃহীত, নিয়ন্ত্রিত, এমনকি সরকারি অর্থসাহায্যে পরিচালিত যেকোনও বেসরকারি সংস্থাও নিজের কাজ সংক্রান্ত যেকোনও তথ্য জানাতে বাধ্য থাকবে। সেই তথ্য জানাবারও নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে। তথ্য জানতে চেয়ে আবেদন করার (আবেদনপত্রের মূল্য মাত্র ১০ টাকা) তিরিশ দিনের মধ্যে আবেদনকারীকে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানিয়ে দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, আরটিআই আইন জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশজুড়ে ব্যপক সাড়া মেলে। ২০০৫-০৬ থেকে ২০১৫-১৬ অবধি সারা দেশে ২,৪৩,৯৪,৯৫১টি আরটিআই আবেদনপত্র জমা পড়েছে। আরটিআই-এর মাধ্যমে সামনে এসেছে বেশ কিছু বড়মাপের দুর্নীতি। যেমন, ২০০৮-এ মহারাষ্ট্রের আদর্শ সোসাইটি কেলেঙ্কারি, ২০০৭-এ অসমে খাদ্যবণ্টন কেলেঙ্কারি (মাননীয় মোদিজি, লেখাটির শুরুতে আপনার সংশয়ের উত্তর এখানে খোঁজা যেতে পারে, এক্ষেত্রে আরটিআই আক্ষরিক অর্থে মানুষের মুখের কেড়ে নেওয়া খাবারের হিসেব নিয়েছিল বইকি), পঞ্জাবে ত্রাণতহবিল স্ক্যাম ইত্যাদি। একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, যে সমস্ত আমলা ও রাজনীতিবিদ জনগণের খাবার অথবা তাদের ট্যাক্সের টাকা কেড়ে নিয়ে দুহাতে নিজেদের পকেট ভরছিলেন, তথ্যের অধিকার আইন আসার পর সামনে আনা গেছে, অপরাধীদের একটা বড় সংখ্যাকে আইনের আওতায় আনা গেছে, এবং শাসনযন্ত্রের এক বিপুল অংশকে সন্ত্রস্ত করা গেছে। যদিও এই জয়গুলি শুধুমাত্র কাগজে কলমের লড়াই-এ আসেনি, গত দেড় দশকে গোটা দেশে হাজার হাজার আরটিআই অধিকারকর্মী ও আবেদনকারীদের ওপর শারীরিক আক্রমণ হয়েছে, প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় পঞ্চাশের বেশি মানুষ। এই মুহূর্তে মনে পড়ে যাচ্ছে খনি কেলেঙ্কারি নিয়ে মামলা চলাকালীন আহমেদাবাদ হাইকোর্ট চত্বরে গুলিতে লুটিয়ে পড়েন আরটিআই আবেদনকারী অমিত জেঠওয়া। এসব সত্ত্বেও, আরটিআই আইনের এই রক্তচক্ষু যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভারতের গণতন্ত্রের এক জরুরি অর্জন তা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই।

 

দুই

অনেক লড়াই করে পাওয়া এহেন তথ্যের অধিকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গেল গত মাসের ২৫ তারিখ।

দ্বিতীয়বার কেন্দ্রে ক্ষমতাদখলের পর মোদি সরকার ২.০ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই একগুচ্ছ জনবিরোধী আইন পাশ করিয়ে নিলেন। ২৫শে জুলাই, ২০১৯ রাজ্যসভায় একটি সংশোধনী বিল পাশের মধ্যে দিয়ে আরটিআই-কে নখদন্তহীন করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল।

কী ছিল এই বিলে? আরটিআই পরিকাঠামোর শীর্ষে আছেন দশজন তথ্য কমিশনার এবং একজন মুখ্য তথ্য কমিশনার (Chief Information Commissioner বা CIC), যাঁদের নিয়োগকর্তা ছিলেন রাষ্ট্রপতি (বকলমে কেন্দ্রীয় সরকার)। এঁদের প্রত্যেকের কার্যকাল ও বেতন নির্দিষ্ট, প্রত্যেকের কার্যকাল পাঁচ বছর ও বেতন ছিল ভারতের নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের সমগোত্রীয়। অর্থাৎ তথ্য কমিশনারেরা স্বশাসিত সাংবিধানিক সংস্থা নির্বাচন কমিশনের মতোই নিজেদের কাজের ক্ষেত্রে অন্তত কাগজে-কলমে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতেন।

২০১৯ আরটিআই সংশোধনী তাঁদের এই স্বাধীনতা কেড়ে নিল৷

কেন্দ্র সরকারের সংশোধনী বিল তথ্য কমিশনারদের জন্য নির্দিষ্ট কার্যকাল ও বেতনকাঠামোকে খারিজ করে দিল। অর্থাৎ এখন থেকে কোনও তথ্য কমিশনার কতদিন ঐ পদে থাকবেন, তা ঠিক করার ক্ষমতা সরকারের। কে কী বেতন পাবেন, তা বাড়বে কি বাড়বে না, তা নির্ধারণ করার অধিকারও কেন্দ্র সরকারের। যদিও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলে চলেছেন, এ সংশোধনীর উদ্দেশ্য তথ্য কমিশনের স্বশাসন খর্ব করা নয়, বরং ইউপিএ সরকারের পাশ করা আইনের অসঙ্গতিগুলি দূর করার চেষ্টা করা হচ্ছে মাত্র, সাধারণ বুদ্ধি দিয়েও এটুকু বোঝা সম্ভব সে সরকার তথ্য কমিশনকে নিজেদের পোষ্যে পরিণত করতে চান।

যদিও আরটিআই আইনকে ভোঁতা করে দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ ও চেষ্টা বিজেপি সরকারই প্রথমবার করল, এমনটা নয়। আরটিআই-এর জন্মদাতা অর্থাৎ ইউপিএ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংহ তথ্য কমিশনারদের ষষ্ঠ বার্ষিক সম্মেলনে (২০১১) বলেছিলেন, ‘যদিও আমরা আরটিআই আইনের কার্যকারিতা উপলব্ধি করি ও তার প্রশংসা করি, এর প্রতি আমাদের কিঞ্চিৎ সমালোচনামূলক দৃষ্টি দেওয়া দরকার। কিছু কিছু সমস্যা দেখা যাচ্ছে যা নিয়ে আলোচনা করে দ্রুত সমাধান করা দরকার’। কী ছিল সেই সমস্যা? সমস্যা হচ্ছিল বটে, কিন্তু তা গণতন্ত্রের সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছিল শাসকের। মাত্র ক’দিন আগে একটি আভ্যন্তরীণ মেমো আরটিআইয়ের ফলে প্রকাশ হয়ে পড়ায় টুজি কাণ্ডে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের ভূমিকা প্রকাশ্যে আসে ও অস্বস্তিতে পড়ে শাসক দল।

অবশ্য আরটিআই নিয়ে ‘আলোচনা ও দ্রুত সমাধান’-এর সুযোগ পাননি মনমোহন সিংহ সরকার। ২০১৪-তে গদি উলটে যায়। ক্ষমতায় আসে মোদি সরকার। আরটিআই নিয়ে কোনওরকম ভাবভালোবাসা ছিল না এই নতুন সরকারের। নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি আরটিআই আইনকে কী চোখে দেখতেন (কালো টাকাও অবশ্য দেশে ফেরাতে পারেনি তাঁর সরকার, সে প্রসঙ্গ অবশ্য আলাদা) তা এই লেখার শুরুর ওঁর উদ্ধৃতি থেকেই স্পষ্ট।

পূর্বসূরি সরকারের মতোই মোদি সরকারের আরটিআই-এর সম্পর্ক শুরু থেকেই বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল না। থাকার কথাও নয়। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৮ সালের বিএ পাশ করা ছাত্রদের নামের তালিকা খোঁজার নির্দেশ দিয়েছিলেন তথ্য কমিশনার এম শ্রীধর আচার্যুলু, কারণ কোনও এক আরটিআই আবেদন ওই বছর প্রধানমন্ত্রী মোদির স্নাতক হওয়ার দাবিটি যাচাই করতে চেয়েছিল। শ্রীধরকে দ্রুত মানবসম্পদ সংক্রান্ত তথ্যের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়৷ এরপরের ঘটনাটি বিমুদ্রাকরণসংক্রান্ত। ঠিক কে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করার সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলেন, এই আরটিআই-এর প্রতুত্তরে বলা হয় এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাবে না কারণ এই তথ্যটি নাকি দেশের সুরক্ষা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত। কী চূড়ান্ত হাস্যকর এই অজুহাত! অবশ্য পাঠকই বিচার করবেন কোন অজুহাতটা বেশি হাস্যকর, এটা, নাকি রাফায়েল তথ্যপ্রমাণ সংক্রান্ত ফাইল প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আলমারি থেকে চুরি যাওয়ার দাবিটা?

তাই ক্ষমতায় এসেই আরটিআই-কে প্রাণে না মেরে তাকে ধীরে ধীরে পঙ্গু করার নীতি নেয় মোদি সরকার। NCPRI-এর সহ-আহ্বায়ক অঞ্জলি ভরদ্বাজ জানাচ্ছেন– ২০১৪ থেকে মুখ্য তথ্য কমিশনার পদে একটিও নিয়োগ করা হয়নি, যতক্ষণ না আদালত তাতে হস্তক্ষেপ করেছেন। কেন্দ্রে দশটি তথ্য কমিশনারের মধ্যে ছ’টি পদই দীর্ঘদিন শূন্য। নিয়োগের ফাইল মাসের পর মাস পড়ে থাকছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। একইভাবে, রাজ্যে রাজ্যে তথ্য কমিশনারের অনেকগুলি পদ খালি, নিয়োগ হচ্ছে না। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষের শেষে সারা দেশে জমে থাকা আর টি আই আবেদনের সংখ্যা ছিল (৮,৪৫,০৩২), বিজেপি সরকার গদি দখলের পর ২০১৬-১৭-এর শেষে সেই সংখ্যাটা (১১,২৯,৪৫৭) প্রায় ৩৩% বেড়ে গেছিল। অতএব আরটিআই-কে অকার্যকর করে দেওয়ার এই সমস্ত দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার পর কফিনে শেষতম পেরেক ঠোকা হল ২৫ জুলাই, সংশোধনী বিল এনে।

রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে সিবিআই, নীতি আয়োগ থেকে নির্বাচন কমিশন, যেভাবে গত কয়েক বছরে একের পর এক সাংবিধানিক সংস্থাগুলিকে কুক্ষিগত করবার নগ্ন প্রচেষ্টা চালিয়েছে এই সরকার, আরটিআই সংশোধনী বিল সেই ‘গ্র‍্যান্ড ডিজাইন’-এরই এক নবতম সংযোজন। সরকারের প্রথম টার্মে এই ধরনের আক্রমণ সংসদের বাইরে থেকে চালাতে হত, কারণ সেবার রাজ্যসভায় শাসক দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না। এবার আর সে ভয় নেই, নিজেদের দলীয় সংখ্যা ও সাথী দলগুলির বদান্যতায় সংসদের দুই কক্ষই এবার সরকারের হাতের মুঠোয়। ক্ষীণ আশা ছিল, রাজ্যসভায় আরটিআই বিল আটকে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ‘ইউ-টার্ন’ নিলেন বিজু জনতা দল, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রসমিতি ও ওয়াই এস আর কংগ্রেস। এদের সমর্থনে বিল পাশ হয়ে গেল। ফলে ইউএপিএ থেকে আরটিআই, কাশ্মিরে ৩৭০ ধারা বিলোপ থেকে স্বাস্থ্যবিল, একের পর জনবিরোধী ও শাসকদরদি বিলের বান ডাকল সংসদের সদ্য শেষ হওয়া অধিবেশনে। ঘরোয়া আরামে বসে আমরা দূরদর্শনে লাইভ দেখতে পেলাম সংসদে বিনা বাধায় একের পর এক বিল পাশ হয়ে চলেছে। না, ভুল বললাম, বিল পাশ নয়, আমরা আসলে যা দেখলাম তা হল— গণতন্ত্রের ক্রমঅবনমন ও ফ্যাসিস্ত উগ্রজাতীয়তাবাদী একনায়কতন্ত্রের উত্থান। এ বড় সুখের সময় নয়।

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 1912 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...