শিবনাথ শাস্ত্রীর চোখে বিদ্যাসাগর

রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য

 

বিদ্যাসাগর সম্পর্কে রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী (১৮৬৪-১৯১৯)-র স্মৃতি-বক্তৃতা-ই সকলের জানা। সেখানেই তিনি বলেছিলেন: ‘বিদ্যাসাগরের মহত্ত্বের সম্মুখীন হইতে হইলে আমাদের ক্ষুদ্রত্বের উপলব্ধি জন্মিয়া আত্মগ্লানি উপস্থিত হয়…।’ তার কারণটাও তিনি বলে রেখেছিলেন:

অণুবীক্ষণ নামে একরকম যন্ত্র আছে; তাহাতে ছোট জিনিসকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিসকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থবিদ্যা শাস্ত্রে নির্দ্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্ম্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্ব্বদা ব্যবহৃত হয় না। কিন্তু বিদ্যাসাগরের জীবনচরিত বড় জিনিসকে ছোট দেখাইবার জন্য নির্ম্মিত যন্ত্রস্বরূপ। আমাদের দেশের মধ্যে যাহারা খুব বড় বলিয়া আমাদের নিকট পরিচিত, ঐ গ্রন্থ একখানি সম্মুখে ধরিবামাত্র তাহারা সহসা অতি ক্ষুদ্র হইয়া পড়ে…।

কীসে বিদ্যাসাগর এমন মর্যাদার দাবিদার? অনেক ব্যাপারেই তিনি সাধারণ গড়পড়তা বাঙালির অনেক ওপরে ছিলেন— দু-চারজন মতান্ধ লোক ছাড়া (সে-মতান্ধতা ডান ও বাঁ দুদিকেরই হতে পারে) কেউ তা অস্বীকার করেন না। কিন্তু বিদ্যাসাগরের কোন্‌ (বা কোন্‌ কোন্‌) বৈশিষ্ট্য তাঁকে এমন মর্যাদাবান করে তুলেছিল? বেশিরভাগ লোকই বিদ্যাসাগরের দয়া, অকাতর হাতে দান, মেয়েদের প্রতি মমতা— এইসব গুণের কথা ভাবেন। লেখাপড়ার জগতের লোক ভাবেন বাঙলা গদ্যনির্মাণে তাঁর কৃতিত্ব, সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যের গবেষকরা তাঁকে জানেন সুষ্ঠু পাঠ-সমালোচক (টেক্‌স্‌ট্‌ ক্রিটিক) রূপে, ইত্যাদি।

এর কোনওটাই মিথ্যে নয়, কিন্তু এর সবকটি মিলিয়েও বিদ্যাসাগরের প্রতিভা আর কর্মদক্ষতার পরিমাপ করা যায় না। অনেক সময়েই ব্যাপারটি অন্ধ-গজ-ন্যায় বা অন্ধদের হাতি দেখার মতো হয়ে পড়ে। ছজন অন্ধ যেমন হাতির শুঁড়, লেজ, পা ইত্যাদি জায়গায় হাত বুলিয়ে হাতিকে দড়ি, থাম, ইত্যাদির মতো ভেবেছিলেন— পুরো হাতির স্বরূপ ধরতে পারেননি, আমরাও তেমনি বিদ্যাসাগরের এক-একটি দিককে দেখে তাকেই পুরো বিদ্যাসাগর বলে মনে করি।

 

***

বিদ্যাসাগরকে বোঝার পক্ষে শিবনাথ শাস্ত্রী (১৮৪৭-১৯১৯)-র ‘পণ্ডিতবর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ ভাষণটি দিকনির্দেশের কাজ করে। আট বছর বয়স থেকে তিনি বিদ্যাসাগরকে চিনতেন। তাঁর অসাধারণ গুণগুলির পাশাপাশি ‘দুই একটা উৎকট দোষ’-এর কথাও তিনি জানতেন অনেকের চেয়ে ভালোভাবে। তবু তিনি মনে করতেন:

কিন্তু সেই তেজঃপুঞ্জ চরিত্রের সোজাপথে চলা যখন স্মরণ করি, তখন আর কোনও দোষের কথা মনে থাকে না; বলি, হায়! এমন মানুষ আবার কতদিনে পাইব।

সে যা-ই হোক, বিদ্যাসাগরকে শিবনাথ শাস্ত্রী কীভাবে দেখেছিলেন— সেটি এবার বিচার করা যাক। প্রথমেই তিনি বলেন জগতের মহামনা ব্যক্তিদের কথা, যাঁরা ‘দেহরাজ্যের জীবনকে তুচ্ছ জানিয়া মনন-রাজ্যের জীবনকেই সারজ্ঞান’ করেন। বিশেষ করে যাঁরা মানবসমাজের সংস্কারের কাজে ব্রতী হন তাঁরা বেশিরভাগ সময়ে নিজেদের মনন রাজ্যেই বাস করেন।

এই মনন রাজ্য-বাসীদের চরিত্রর কয়েকটি উপাদান শিবনাথ শাস্ত্রী তুলে ধরেন। প্রধান উপাদান ‘বর্ত্তমানে অতৃপ্তি’। এমন অতৃপ্তি সব মানুষেরই থাকে, কিন্তু ‘জগতের ধর্ম্ম বা সমাজ-সংস্কারকদের হৃদয়ে [এটি] ঘনীভূত আকারে প্রকাশ পায়, এই অতৃপ্তি নরপ্রেমের সহিত মিলিত হইয়া তাহাদিগকে ঘোর দুঃখে নিমগ্ন করে।’

কিন্তু অতৃপ্তিই শেষকথা নয়। সাধারণ মানুষের অতৃপ্তি ‘অনেক সময়ে দরিদ্রের মনোরথের ন্যায় হৃদয়ে উদয় হইয়াই লয়প্রাপ্ত হয়; কিন্তু নির্ম্মলচিত্ত মহামনা ব্যক্তিদিগের অন্তরে স্থায়ী ফল প্রসব করে। তাঁহারা এই অতৃপ্তি লইয়া বসিয়া থাকেন না; মনন-শক্তির বলে ভবিষ্যতের ছবি গড়িতে থাকেন।’ এই ভবিষ্যতের ছবি ‘বিষয়াসক্ত ব্যক্তি’র চোখে মরীচিকার মতো মনে হয়। তার জন্যে তাঁরা এক পয়সাও খরচ করতে রাজি হন না। ‘কিন্তু জগতের এক শ্রেণীর লোকের নিকট ইহা [ভবিষ্যতের ছবি] অপেক্ষা অধিক সত্য আর কিছুই নাই। চক্ষু যেমন আকাশে বিস্তৃত পদার্থকে দর্শন করে, তাঁহারাও ইহাকে সেইরূপ উজ্জ্বলভাবে দর্শন করিয়া থাকেন।’

শিবনাথ শাস্ত্রী এখানেই থামেননি। তিনি বলে চলেন:

সেই ভবিষ্যতের ছবি তাঁহাদের ধ্যানজ্ঞানে প্রবেশ করে; তাঁহাদের চিত্তকে সিক্ত ও আপ্লুত করে; তাঁহাদের কল্পনাকে উত্তেজিত করে ও হৃদয়কে জাগ্রত করে!

ধর্ম ও সমাজ-সংস্কারকদের আরও একটি লক্ষ্মণের কথা শিবনাথ শাস্ত্রী বলেন:

সেটি নিজ-মনন-গঠিত আদর্শের অনুরাগ…। মানুষ আপনার মননশক্তির দ্বারা যে ছবি বা যে আদর্শ সমুৎপন্ন করে তাহাতে এমনি আসক্ত হয়, জীবনকে জীবন জ্ঞান করে না।

এর দৃষ্টান্ত শিবনাথ শাস্ত্রী দিয়েছেন ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯)-এর নায়কদের জীবন থেকে। ‘গত শতাব্দীর শেষভাগে ফরাসী বিপ্লবের অধিনায়কগণ সাম্য ও স্বাধীনতার জন্যে যেরূপ ক্ষিপ্তপ্রায় হইয়া ছিলেন কোন পুরুষ কোন স্ত্রীলোকের জন্যে আজি পর্যন্ত ততদূর ক্ষিপ্ত হইয়াছে?’ কোন্‌ মনন-রচিত আদর্শে তাঁদের এমন দশা? শিবনাথ শাস্ত্রীর উত্তর, পাল্‌টা প্রশ্নর আকারে: ‘সাম্যের পরিবর্ত্তে বৈষম্য যদি ফরাসী-বিদ্রোহের অধিনায়কদের লক্ষ্যস্থলে থাকিত তাহা হইলে কি তাঁহারা সেরূপ ক্ষিপ্ত হইতে পারিতেন?’ শিবনাথ শাস্ত্রীর বক্তব্য: ‘যেখানে মানবচিত্ত ভবিষ্যতে কোনো আদর্শের প্রতি লক্ষ্য রাখিয়া উন্মাদগ্রস্ত হইতেছে সেখানে সত্য, ন্যায়, প্রেম, পবিত্রতা, প্রভৃতির প্রতিষ্ঠাই দেখিতে চাহিতেছে; এবং এইগুলি হৃদয়ে থাকিয়া হৃদয়কে উত্তেজিত করিতেছে।’

দৃষ্টান্ত দিয়ে শিবনাথ শাস্ত্রী বলেন: ‘বর্ত্তমান সময়ে ইউরোপ ও আমেরিকার সভ্য দেশ সকলের ভূমিকম্পের ন্যায় যে ঘন ঘন সমাজ-কম্প হইতেছে, এবং ধনী-দরিদ্র, রাজা-প্রজাতে যে ঘোর বিদ্রোহ চলিতেছে সেখানেও মানুষের দৃষ্টি সত্য, ন্যায়, প্রেম প্রভৃতির প্রতিষ্ঠার দিকে নিবদ্ধ রহিয়াছে।’ এখানে শিবনাথ শাস্ত্রী বলছেন উনিশ শতকের শেষভাগে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর বিদ্রোহী অভ্যুত্থানগুলির কথা। ১৮৭১-এ পারী কমিউন-এর পতনের পরেও সেগুলি একেবারে থেমে যায়নি।

শিবনাথ শাস্ত্রী ছিলেন ঈশ্বরবিশ্বাসী। তার জন্যই তিনি মনে করেন: সত্য, ন্যায়, প্রেম প্রভৃতি ঈশ্বরের স্বরূপ। ‘অতএব যদি বলি যে স্বয়ং ঈশ্বর মানব আত্মাতে নিহিত থাকিয়া মানবসমাজকে আপনার অভিমুখে লইতে চাহিতেছেন তাহা হইলে কী অত্যুক্তি হয়?’ তবে শিবনাথ শাস্ত্রীর বক্তব্য এইটুকু নয়। তিনি মনে করেন কিছু মানুষ নিজের মনন রচিত ছবির জন্যে (তা ঈশ্বর প্রেরিত হোক বা না হোক) যদি পাগল হয় সেটা আমাদের সৌভাগ্য। তাঁর মতে বিদ্যাসাগর ছিলেন এইরকমের পাগল। ‘বিদ্যাসাগর মহাশয় মনে করিলে দেহরাজ্যের সামান্য জীবনে কী সন্তুষ্ট থাকিতে পারিতেন না? তিনি নিজের শ্রমের অন্ন কি সুখে আহার করিতে পারিতেন না? নিজের অসাধারণ প্রতিভাবলে পণ্ডিতকুলের মধ্যে যশস্বী হইয়া জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সৌভাগ্যলক্ষীর ক্রোড়ে কি বাস করিতে পারিতেন না?’ এর সবগুলিই আলঙ্কারিক প্রশ্ন। সবকটির উত্তর: হ্যাঁ, পারতেন। শিবনাথ শাস্ত্রী লেখেন: ‘কিন্তু বিধাতা তাঁহাকে সে পথে যাইতে দিলেন না। কী যেন কিসের জন্য তাঁহাকে পাগল করিয়া জগতের মহৎ ব্যক্তিদিগের মধ্যে তাঁহার নাম লিখিয়া দিলেন।’

বিধাতার কথা যদি ছেড়েও দিই, বিদ্যাসাগরের বিদ্যাসাগরত্ব আসলে এইখানেই যে একটা লক্ষ্য স্থির করে তিনি সোজা পথে চলতেন। আর সোজা পথে চলার ক্ষেত্রে বিদ্যাসাগরের ভরসা ছিল: নিজের অন্তর্নিহিত তেজ। শিবনাথ শাস্ত্রী একটি অসাধারণ দৃষ্টান্ত দিয়েছিলেন:

ইনি স্বদেশবাসীদিগকে বিধবাবিবাহ বুঝাইবার জন্য শাস্ত্রীয় বচন উদ্ধৃত করিয়া ছিলেন বটে, বাহিরে দেখিতে শাস্ত্রের দোহাই দিয়াছিলেন বটে, কিন্তু তাঁহার মন শাস্ত্রের নিম্নে না পড়িয়া শাস্ত্রের উপরে উঠিয়া শাস্ত্রকে আদেশ করিয়াছিল,– “আমি এইটা চাই, তোমাকে উহা প্রমাণ করিতে হইবে।” শাস্ত্র তাঁহার হস্তে কাদার তালের ন্যায় যাহা চাহিয়াছিলেন তাহাই দিয়াছিল (মোটা হরফ যোগ করা হয়েছে)।

বিদ্যাসাগর প্রসঙ্গে শিবনাথ শাস্ত্রী তাহলে তিনটি বিষয়ের উল্লেখ করলেন: বর্তমানে অতৃপ্তি, ভবিষ্যত রচনা ও নিজ আদর্শে আসক্তি। মহৎ ব্যক্তি মাত্রেই এই তিনটি গুণের অধিকারী হন। এপ্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য: বিদ্যাসাগর অন্তরে যে ছবি দেখতেন আর অন্তরের অন্তরে যা চাইতেন— তার সঙ্গে তুলনায় বর্তমানকে তাঁর বড়ই হীন বলে মনে হত। এতই হীন যে বর্তমানের বিষয়ে কথা উপস্থিত হলে তিনি সহিষ্ণুতা হারাতেন:

তাঁহার জীবনের শেষভাগে যখন আর তাঁহার পূর্ব্বের ন্যায় খাটিবার শক্তি ছিল না, তখন এই অতৃপ্তি ভূগর্ভশায়ী প্রদীপ্ত অনলের ন্যায় তাঁর অন্তরে বাস করিতে ছিল; প্রসঙ্গ উপস্থিত হইলেই ঐ অনল আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ন্যায় জ্বালারাশি প্রকাশ করিত।

যাঁরা বলেন বিদ্যাসাগর শেষ বয়সে মানবপ্রেমিক থেকে মানববিদ্বেষী হয়ে পড়েছিলেন (চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৫৮-১৯১৬) থেকে প্রমথনাথ বিশী (১৯০১-১৯৮৫) অনেকেই যেমন বলেছেন), শিবনাথ শাস্ত্রীর এই কথাগুলি কি তাঁদের সমর্থন করে?

শিবনাথ শাস্ত্রীর মূল্যায়নের আরও একটি বৈশিষ্ট্য এই যে, বর্তমানের অতৃপ্তির পাশাপাশি বিদ্যাসাগরের যে ভবিষ্যত-রচনার শক্তি ছিল— এই দিকটিকে তিনি নজরে এনেছিলেন:

তিনি নিজ অন্তরে ভাবী ভারতের কি ছবি ধারণ করিয়া ছিলেন তাহা কোনো স্থানে সমগ্রভাবে প্রকাশ করেন নাই। কিন্তু দেশমধ্যে শিক্ষাবিস্তার, স্ত্রীশিক্ষা প্রচলন, বিধবা-বিবাহ প্রচলন ও বহুবিবাহ নিবারণাদির চেষ্টা দ্বারা তিনি জানিতে দিয়াছেন যে ভবিষ্যৎ ভারতসমাজের একটি ছবি তাঁহার হৃদয়ে ছিল, তিনি সেই ছবির দিকে স্বদেশকে অগ্রসর করিতে চেষ্টা করিতেছিলেন এবং শীঘ্র যায় না বলিয়া সহিষ্ণুতা হারাইতেছিলেন।

সেই ভবিষ্যৎ ছবির কেন্দ্রে ছিল শিক্ষা, আধুনিক শিক্ষার বিস্তার, সে-শিক্ষা পশ্চিমের দেশগুলোতেই জন্ম নিয়েছিল।

শিবনাথ শাস্ত্রীর ভাষণে বিদ্যাসাগরের চরিত্র, দয়া, ইত্যাদি নিয়েও অনেক কথা ছিল। সেসব কথা অন্যেও বলেছেন। বিদ্যাসাগরের রোদনপ্রবণতা নিয়ে রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী খানিক মজাই করেছিলেন (১৯৯১, ৯১)। তিনি জোর দিয়েছিলেন বিদ্যাসাগরের ‘প্রাচ্য মনুষ্যত্বের আদর্শ’-র ওপর (ঐ, ৯৫)। শিবনাথ শাস্ত্রী কিন্তু জোর দিয়েছেন প্রতীচ্য জ্ঞান বিস্তারের ওপরে। তাঁর রচনাটির বিশেষত্ব এই যে বিদ্যাসাগরকে তিনি একজন লক্ষ্যমুখী মননদৃষ্টি-সম্পন্ন মানুষ রূপেই উপস্থিত করেন। সকলে সেটা করেন না।


রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ ও শিবনাথ শাস্ত্রীর ‘পণ্ডিতবর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ ভাষণদুটি বিমান বসু সম্পা.প্রসঙ্গ বিদ্যাসাগর, বঙ্গীয় সাক্ষরতা প্রসার সমিতি, ১৯৯১, পৃ. ৮৪-৯৫ ও ১৭-৩০-এ পুনর্মুদ্রিত হয়েছে।

কৃতজ্ঞতাস্বীকার: গোপা বসু, বিশ্বজিৎ ঘোষাল, শ্যামল চট্টোপাধ্যায় ও অমিতাভ ভট্টাচার্য

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 1754 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...