বিশ্ব স্কিল প্রতিযোগিতা— অশ্বত্থা নারায়ণ এবং অন্যরা

চার নম্বর নিউজডেস্ক

 

সম্প্রতি, সাতাশে অগাস্ট রাশিয়ার কাজানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্কিল প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ওড়িশার সি ভি রামন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র অশ্বত্থা নারায়ণ। ১১টি দেশের প্রতিযোগীদের কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা সামলে ওয়াটার টেকনোলজি প্রতিযোগিতায় সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিলেন তিনি, একই সঙ্গে সমস্ত ভারতীয় সতীর্থদের মধ্যে বেস্ট অফ নেশন পুরস্কার।

অশ্বত্থা নিজের এই জয় নিয়ে বলেছেন যে, ওয়াটার টেকনোলজিতে প্রতিযোগীকে নিজেকে এমন একজন ওয়াটার টেকনিশিয়ান মনে করতে হবে যার দায়িত্ব হল ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে সবার কাছে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া। আর যেহেতু জল পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, তাই এই পেশায় জড়িত সবার মূল্য সহজেই অনুমেয়। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পটনায়ক এই জয়ের জন্য অশ্বত্থাকে ইতিমধ্যেই টুইটারে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এই সোনা ছাড়াও ভারতের ঝুলিতে এসেছে আরও তিনটি পদক, একটি রুপো ওয়েব টেকনোলজিতে প্রণব নুতালাপতি ও দুটি ব্রোঞ্জ— জুয়েলারি টেকনোলজিতে বঙ্গসন্তান সঞ্জয় পরামানিক ও গ্রাফিক ডিজাইন টেকনোলজিতে মহারাষ্ট্রের শ্বেতা রতনপুরা। জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হল তাতারস্তানে পঁয়তাল্লিশতম বিশ্ব স্কিল প্রতিযোগিতার এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে। জেনে রাখা ভালো, ভারতের প্রায় ৪৮ জন অংশ নিয়েছিলেন এই বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ ভোকেশনাল স্কিল প্রতিযোগিতায়, ৪৪টি স্কিলে। ভারতকে নিয়ে ৬৩টি দেশ অংশ নিয়েছিল এই প্রতিযোগিতায়। স্কিল ইন্ডিয়া এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য ভারতের প্রতিযোগীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এ ছাড়াও ভারত ব্যবসায়ীদের জন্য আইটি সলুশন, ওয়েল্ডিং, ওয়াল এন্ড ফ্লোর টেলিং, ব্রিক লেয়িং ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের বিশেষ স্বীকৃতি স্বরূপ লাভ করেছে মেডেল অফ এক্সেলেন্স। কারিগরি শিক্ষায় আরও বেশি মানুষ এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এই পদকের সংখ্যা যে বাড়বেই, সে আশা নিশ্চয়ই খুব দূরাগত নয়।

তবে আমরা যে এঁদের সম্পর্কেও সামান্য একটু খোঁজখবর রাখব, সেই আশা কতটা দূরাগত তা বলতে পারি না!

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 1754 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...