প্রসঙ্গ বিশ্বভারতী এবং সাম্প্রতিক গৈরিকীকরণ

প্রদীপ ভট্টাচার্য

 



লেখক কবি, গল্পকার ও পত্রিকা সম্পাদক।

 

 

বিশ্বভারতী সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ লিখছেন—

ভারতবর্ষের যে মন আজ হিন্দু বৌদ্ধ জৈন শিখ মুসলমান খ্রিস্টানদের মধ্যে বিভক্ত ও বিশ্লিষ্ট হইয়া আছে সে মন আপনার করিয়া কিছু গ্রহণ করিতে বা আপনার করিয়া কিছু দান করিতে পারিতেছে না। দশ আঙুলকে যুক্ত করিয়া অঞ্জলি বাঁধিতে হয়— নেবার বেলাও তাহার প্রয়োজন, দেবার বেলাও। অতএব ভারতবর্ষের শিক্ষাব্যবস্থায় বৈদিক পৌরাণিক বৌদ্ধ জৈন মুসলমান প্রভৃতি সমস্ত চিত্তকে সম্মিলিত ও চিত্তসম্পদকে সংগৃহীত করিতে হইবে; এই নানা ধারা দিয়া ভারতবর্ষের মন কেমন করিয়া প্রবাহিত হইয়াছে তাহা বলিতে হইবে …।

… শিক্ষার প্রকৃত ক্ষেত্র সেইখানেই যেখানে বিদ্যার উদ্ভাবনা চলিতেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য কাজ বিদ্যার উৎপাদন, তাহার গৌণ কাজ সেই বিদ্যাকে দান করা। বিদ্যার ক্ষেত্রে সেই সকল মনীষীদিগকে আহ্বান করিতে হইবে যাঁহারা নিজের শক্তি ও সাধনা দ্বারা অনুসন্ধান, আবিষ্কার ও সৃষ্টির কার্যে নিবিষ্ট আছেন। তাঁহারা যেখানেই নিজের কাজে একত্র মিলিত হইবেন সেইখানে স্বভাবতই জ্ঞানের উৎস উৎসারিত হইবে, সেই উৎসধারার নির্ঝরিণী তটেই দেশের সত্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা হইবে।

অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ নিজেই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সুরটি বেঁধে দিয়েছিলেন। বিশেষ কোনও মতাদর্শের ধারাকে অস্বীকার করেছেন। লাল মাটির বীরভূমে রুক্ষ প্রান্তরে যে ধুলা ওড়ে তা একান্তই প্রকৃতির নিজস্ব রং, আরোপিত কোনও প্রতীক নয়। সেই ধারাতেই চলে আসছিল প্রতিষ্ঠার পর থেকে। আর পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে তার চরিত্র আলাদা। প্রতিষ্ঠার অনেক পরে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিগণিত হবার সময়ে এবং পরে এক স্বতন্ত্র চরিত্র লক্ষ্যে তার প্রবাহ। কখনও কখনও কেন্দ্রীয় শিক্ষানিয়ন্ত্রণ সংস্থার নিয়মতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতায় সিলেবাস, পরিকাঠামো, শিক্ষক নির্বাচনসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে অভিন্ন আইন অনুযায়ী চলতে হলেও স্বকীয়তা কখনওই নষ্ট হয়নি। ‘শ্রীনিকেতন’ তার এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ। সন্তোষ পাঠশালা, আনন্দ পাঠশালা, শিক্ষাসত্র, পাঠভবন একেবারেই স্বতন্ত্র থেকেছে। একটা নিজস্ব ‘ঘরানা’-র ধারক ও বাহক যার প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রাচীন ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক বৈজ্ঞানিক চিন্তার মেলবন্ধন— স্বনিয়ন্ত্রিত অর্কেস্ট্রা।

আচার্য পদে আসীন হয়েছেন ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রী, অবশ্যই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষিত হবার পরে। বিশ্বভারতী স্বচ্ছন্দ থেকেছে, ঋদ্ধ হয়েছে জওহরলাল নেহেরুর পাণ্ডিত্য ও আধুনিক চিন্তাভাবনায়— একসময়ের ছাত্রী, পরে দোর্দণ্ডপ্রতাপ ইন্দিরা গান্ধি এখানে আচার্য পদে থেকেও ছাত্রী পরিচয়কে অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন। মোরারজি দেশাই তো আর এক ব্যতিক্রম, যিনি নিজেকে যোগ্য ভাবেননি ঘোষণা করে আচার্য পদে আসীন হননি, নাক গলানোতেও তাঁর অনীহা ছিল। বিশ্বভারতী রাজনৈতিক আচার্যের রাজনৈতিক মৃগয়া ক্ষেত্র সেভাবে কোনওদিনই ছিল না। যদিও প্রধানমন্ত্রী আচার্য হওয়ার কারণে এবং তাঁদের সময়াভাবে ছাত্রছাত্রীসহ সমগ্র প্রতিষ্ঠান অসুবিধার মুখে পড়েছে নিয়মিত, নির্দিষ্ট তারিখে ‘সমাবর্তন’ অনুষ্ঠান না হওয়ায়— যা একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই যে ‘আচার্য’ নির্বাচন সেখানে শিক্ষাগত বৌদ্ধিক যোগ্যতা মূল্যহীন— রাজনৈতিক ক্ষমতাই একমাত্র মাপকাঠি। ‘বিশ্বভারতী’ও তার থেকে আলাদা নয়। অথচ রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘বিশ্বভারতী’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবনায় বলেছিলেন, ‘… এক দল লোক গর্হিত উপায়ে বিদ্বেষবুদ্ধিকে তৃপ্তিদান করাকেই কর্তব্য মনে করে, আর এক দল লোক চাটুকারবৃত্তি বা চরবৃত্তির দ্বারা যেমন করে হোক অপমানের অন্ন খুঁটে খাবার জন্য রাষ্ট্রীয় আবর্জনাকুণ্ডের আশেপাশে ঘুরে ঘুরে বেড়ায় …।’

কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় আসীন শাসকের পছন্দ অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিফলিত হয়েছে পরিচালন ব্যবস্থায় সরকারের প্রতিনিধি নির্বাচনে (বলা ভালো মনোনয়নে), কিন্তু একটা ‘লক্ষ্মণরেখা’র মধ্যেই।

কিন্তু শুরু হল এক নতুন অধ্যায়, বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসকের আমলে। সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল শুরু হল। ফ্যাসিদর্শনের মূল লক্ষ্য ইতিহাসকে অস্বীকার করো, ভুলিয়ে দাও, নির্বিচারে ভাঙো বিশ্লেষণ-যুক্তি-বিশ্লেষণের মুক্তচিন্তা। জিজ্ঞাসা মানুষকে এগিয়ে দেয়, সেখানেই অবরোধ আনতে বিশ্বাসকে বসাও— বিশ্বাস টান দেয় পশ্চাৎদিকে। সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ‘বিশ্বভারতী’তেও ঘটল ‘অনুপ্রবেশ’— শাসকের অনুপ্রবেশ। মুক্তচিন্তার সমার্থক রবীন্দ্রনাথও রেহাই পেলেন না। সমাবর্তন শেষে শুনতে হল ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি— মঞ্চের সবচেয়ে কাছাকাছি সামনের সারিতে বসলেন বিদগ্ধ পণ্ডিত, সৃজনশীল শিল্পীসাহিত্যিক নন, উড়িয়ে আনা রাজনৈতিক দলের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণির নেতাকর্মীরা। ‘আচার্য’ প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেলেন— শোনা গেল নির্বাচনী বক্তৃতা, প্ররোচনামূলক বিদ্বেষ, পারিষদকুলের ‘জয় শ্রীরাম’। সমগ্র সমাবর্তনে বিশ্বভারতীতে অনুচ্চারে বয়ে চলল ‘রামনাম সত্য হ্যায় …’।

ফ্যাসিবাদী দর্শনের প্রসার ঘটানোর প্রাথমিক শর্তই হল ইতিহাস, ঐতিহ্য ধ্বংস করা— কার্ল মার্কস ইতিহাস, ঐতিহ্যকে সমাজবিজ্ঞানের অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মনে করতেন— পশ্চাদমুখী ফ্যাসিজম-এর প্রধান শত্রুর সঙ্গে তাই বিপরীত মেরুর অবস্থান। এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করলাম এই কারণে যে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ যেখানে সমাজের অগ্রগতির সপক্ষে সওয়াল করে বার্তা দিয়েছেন, পরিবর্তন ও উন্নত তরুণ ব্যবস্থার পক্ষে পরীক্ষানিরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বভারতীতে আধুনিক গবেষণার ব্যবস্থা করেছিলেন সীমিত আর্থিক ক্ষমতা সত্ত্বেও, সেখানে পশ্চাদমুখী পদক্ষেপ শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য স্বপন দত্ত। গোশালায় গরুর পরিচর্যার ছবি পাঠিয়ে কেন্দ্র সরকারের স্নেহধন্য হওয়ার নির্লজ্জ চেষ্টা চালালেন। কিন্তু অক্ষম প্রয়াস, রাজনৈতিক দিক থেকে দেউলিয়া বলেই। কয়েকবছর স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ না করে ডামাডোল তৈরি করে সঙ্ঘ-ঘনিষ্ঠ উপাচার্যের সন্ধান চলে।

রবীন্দ্রনাথ বললেন, ‘ভারতবর্ষ তার আপন মনকে জানুক এবং আধুনিক সকল লাঞ্ছনা থেকে উদ্ধার লাভ করুক। রামানুজ, শঙ্করাচার্য, বুদ্ধদেব প্রভৃতি বড় বড় মনীষীরা ভারতবর্ষে বিশ্বসমস্যার যে সমাধান করবার চেষ্টা করেছিলেন তা আমাদের জানতে হবে। জোরাস্তেরীয়, ইসলাম প্রভৃতি এশিয়ার বড় বড় শিক্ষাসাধনার সঙ্গে পরিচিত হবে হবে। ভারতবর্ষের কেবল হিন্দুচিত্তকে স্বীকার করলে চলবে না। ভারতবর্ষের সাহিত্য, শিল্পকলা, স্থাপত্য, বিজ্ঞান প্রভৃতিতেও হিন্দু মুসলমান্দের সংমিশ্রণে সংমিশ্রণে বিচিত্র সৃষ্টি জেগে উঠেছে। তারই পরিচয়ে ভারতবর্ষীয়দের পূর্ণ পরিচয়। …’

সর্বনাশ! এইসব যিনি লিখেছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানও কি এইসব শিখিয়ে আসছে? তাহলে নাগপুর নিয়ন্ত্রিত বিষবিদ্যালয়গুলির ভবিষ্যৎ তো অন্ধকার! সুতরাং লালমাটির দেশের রুক্ষ ইতিহাসে সবুজের যে উন্মেষ তাতে যেন ভুল করেও পলাশ না ফোটে— ধুলোর গেরুয়া রংকে ব্যবহার করো— ‘ত্যাগ’-এর গেরুয়াকে বদলাও, নাৎসি উল্লাসে নেচে উঠুক অন্য ‘গৈরিক’। পরোক্ষে না, সরাসরি আক্ষরিক অর্থেই ক্যাপচার করতে হবে শান্তিনিকেতন, বিশ্বভারতী। শুর হল তোড়জোড়।

বিশ্বভারতী এই প্রথম অনুভব করল গৈরিক উপাচার্যের সশব্দ পদচারণা। ‘বনসৃজন’-এ বেছে নেওয়া হল পলাশ, শাল, মহুয়া, কৃষ্ণচূড়া নয়, রুদ্রাক্ষের গাছ। ইউজিসির দোহাই দিয়ে বুধবারের ছুটির দিনের চিরকালীন ট্র্যাডিশন ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে গতানুগতিক শনি রবির পন্থায় নিয়ে আসা হল বিশ্বভারতীকে। ‘আশ্রমিক’ প্রাক্তনীদের অপাঙক্তেয় করে দাও— আমন্ত্রিত মনীষীদের তালিকায় যেন আর কোনও ল্যেভি, এলমহারস্ট, পিয়ারসন, এন্ড্রুজ, বিধুশেখর না থাকে— এলেন তথাগত। তারপর একের পর এক সেমিনার নামধারী শাসক দর্শনের প্রচারসভা।

আর এই শিক্ষা ফ্যাসি দর্শনের ঠিক বিপরীত মেরুর অবস্থান। সুতরাং ভাঙো ভাঙো ভাঙো; সমস্ত ঐতিহ্যকে একে একে ভেঙে রবীন্দ্রনাথকেই অনাত্মীয় করা শুরু হয়েছে, রবীন্দ্রচেতনাকে বিস্মৃতপ্রায় করে তুলতে শুরু করা হয়েছে। ৭ই পৌষের ছাতিমতলায় উপাচার্য থামালেন রবীন্দ্রনাথের গান— শুরু করলেন ব্যক্তিগত ক্ষোভ— উঠে এল দীনদয়াল উপাধ্যায়ের স্মৃতি। পরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থাপনার ত্রুটি রেখে সমাবর্তনে, বসন্তোৎসবে অভূতপূর্ব বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হল। পৌষমেলা বন্ধ করার নানা বাহানা, ব্যর্থ করার চেষ্টা ফলপ্রসূ না হওয়ায় – লাঠিয়াল দিয়ে স্বয়ং উপাচার্য নেমে পড়লেন পরিবেশের দোহাই দিয়ে। এসবই সৃষ্টি করা হল মেলা প্রাঙ্গণে।

ফ্যাসিবাদের শত্রু রবীন্দ্রনাথের চিন্তাভাবনা ধ্বংসের চেষ্টা নগ্নভাবে শুরু বর্তমান উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে। বক্তৃতা দিতে ডাকা হতে থাকল বিজেপির নেতাদের।  ইতিহাস নিয়ে কথা বলতে আনা হল তথাগত রায়, ইতিহাস সম্বন্ধে যাঁর নূন্যতম ব্যুৎপত্তি নেই। সারা দেশে যে কালা আইনের বিরুদ্ধে স্বতস্ফূর্ত প্রতিবাদ চলছে, সেই আইনের সমর্থনে বক্তৃতা দিতে আনা হল বিজেপির সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তকে। ছাত্রদের গেটের বাইরে রেখে তালাবন্ধ ঘরে সেই বক্তৃতায় দর্শক উপাচার্যের নিজস্ব বাহিনী। বিশ্বভারতীতে কর্তৃপক্ষ তোষণ, সুবিধাভোগী মানসিকতা কর্মী ও অধ্যাপক মহলে বেশ প্রতিষ্ঠিত বেশ কিছুকাল ধরেই। বর্তমান উপাচার্য এটাকেই উদ্দেশ্য সাধনের অস্ত্র করে এগোনোর চেষ্টা শুরু করলেন। কিন্তু ছাত্রসমাজ চুপ করে থাকবে কেন। উপাচার্যের অপপ্রয়াসের সব পদক্ষেপ বাধা দিতে গড়ে উঠল ছাত্রঐক্য। নিরাপত্তার অজুহাতে সিআইএসএফ নিয়োগ, কর্মশালার দায়িত্ব আরএসএস নিয়ন্ত্রিত সংস্থাকে দেওয়া, অস্বাভাবিক ফি বৃদ্ধি সহ নানা অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে বিশ্বভারতীতে অভূতপূর্ব ছাত্রঐক্য সৃষ্টি হল। বলা ভালো দক্ষিণপন্থার দুর্গে বাম ছাত্র আন্দোলন দুর্বার হতে থাকল।

কর্তৃপক্ষ প্রমাদ গুনল। আস্ফালন শুরু হল দখল করার শৃঙ্খলার নামে। বাধা সেই রবীন্দ্রনাথ। তিনি তো লিখেই গেছেন ‘… ছেলেরা যা খুশি তাই কখনও করিবে না। তারা ঠিক পথেই চলিবে, যদি তাহাদের সঙ্গে ঠিকমতো ব্যবহার করা হয়। যদি তাহাদিগকে অপমান কর, তাহাদের জাতিধর্ম বা আচারকে গালি দাও, যদি দেখে তাহাদের পক্ষে সুবিচার পাইবার আশা নাই, যদি অনুভব করে যোগ্যতা সত্ত্বেও তাহাদের স্বদেশীয় অধ্যাপকেরা অযোগ্যের কাছে মাথা হেঁট করিতে বাধ্য, তবে ক্ষণে ক্ষণে তারা অসহিষ্ণুতা প্রকাশ করিবেই; যদি না করে তবে আমরা সেটাকে লজ্জা এবং দুঃখের বিষয় বলিয়া মনে করিব।’

শুরু হল জেএনইউ-এর ধাঁচের লুম্পেন তাণ্ডব। হোস্টেলের বামছাত্র আক্রান্ত হল উপাচার্য ও নিরাপত্তা কর্মীদের মদতে। সমস্ত বিরুদ্ধ কণ্ঠ বন্ধ করতে, ছাত্র আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাকে লঘু করতে ছাত্র আন্দোলনের অন্য ঘটনাকে যুক্ত করতে সাজানো তদন্ত ঘোষণা হল।

পরবর্তী চিত্রনাট্য শুরু হবে নাগপুর ইশারায়। ফ্যাসিবাদের পথের কাঁটা রবীন্দ্রনাথের চিন্তা ধ্বংস করার গোপন অ্যাজেন্ডা আর গোপন থাকছে না।

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 2615 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...