ভেতর বাজিয়ে কেউ চলে গেল, পথ চিরে দিয়ে। আমি তার গান আর আবহাওয়া, দ্যোতনাসম্ভার। সুদীর্ঘ পয়ার টেনে এঁকে রাখি, স্থলে; ইঁদারায়। ভেতর বাজিয়ে কেউ ভেতরেই ডুবেছে হাওয়ায়।
২
তোমাকে অজস্র গানে পান করে রেখেছি কোমল। কড়ি ও কামনা সব গলে যাবে যে কোনও বিকেলে। তুমি চলাচল করবে, প্রত্যেক নিভৃত কুয়াশায়। কোমল কোমল শব্দ মালা হয়ে গেঁথেছে গলায়।
৩
তন্নিষ্ঠ পাঠক-কাল কালাতীত ভোরের ও’পারে। ডানাকে দোদুল ভেবে ঈশাবাস্য সন্ধ্যাকাশ ঝাড়ে। ঝাড়ে, অন্তরীক্ষময় মশারিবাহিত কথকতা। সমস্ত মৌনের ব্রতে পেতে রাখা শূন্যতাবিতান। পূর্ণতা গাছের নিচে থাকে জাগতিক আনচান।
৪
জগৎ তোমার গৃহ। সমীহের বিষয় আলাদা। তাই তুমি ছলে, স্থলে, চোখভরা এ-বাদলে ঋণাত্মক ধ্বনি তুলে হয়ে যাচ্ছ সাদা।
৫
স্থিতধী কিছুই নয়, স্থিতিস্থাপকতা ভালো জানে। প্রতিটি সন্ধানে কিছু উজ্জ্বল গলদ থেকে যায়। এই খুঁজে চলা, এই সন্ধ্যার আকাশভরা তারা। বিস্ময় গজিয়ে উঠছে পথে আর পাথরে পাথরে।
আলম খোরশেদ রাফায়েল কুর্তোয়াসি বাইয়ত (জ. ১৯৫৮) উরুগুয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠিত লেখক, যিনি কবিতা ও কথাসাহিত্য উভয় মাধ্যমেই সমান সিদ্ধহস্ত। চারটি উপন্যাস, এগারোটি ছোটগল্প সঙ্কলন ও আঠারোটি কাব্যগ্রন্থের জন্যক কুর্তোয়াসি কবিতা এবং কথাসাহিত্য উভয়ের জন্যই উরুগুয়ের জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার বিরল সম্মান অর্জন করেছেন। অ্যা ডগস্ লাইফ উপন্যাসের জন্য ১৯৯৭ সালে…
সাতটি কবিতা অন্নঋণ কৃষকের কাছে আমার অন্নঋণ কৃষকেরা পাক ফসলের সোনাদিন। মাঠগুলো উঠে আসছে স্লোগান তুলে ব্যারিকেড দিয়ে রুদ্ধ কোরো না ভুলে। কল্লোল তুলে নদীগুলো রাস্তায় ইনসাফ নিতে ঢেউয়ে ঢেউ গান গায়। যেই হাতে মাটি চাষ হয়ে দেয় ধান তারা পাক পুরো হৃদয়ের সম্মান। কৃষকের কাছে আমার অন্নঋণ কৃষকেরা…
বৃষ্টির দিনে তোমার, আমার প্রিয় বৃষ্টি এল আজ। জলের গভীর থেকে সাড়া দিয়ে একটি মাছ জানালো অনুরোধ; আমার সাঁতারটুকু কেড়ে নিয়ো না তোমরা। তুমি সম্মতি দিলে, আমি সম্মত হলাম। ছাতা খুলে উড়িয়ে দিলাম হাওয়ায়। শিকড়ের সমস্ত বাঁধন ছিঁড়ে যেন আজ মুক্ত হয়ে যাবে, বাতাসের তোলপাড়ে এরকমই ফুলেফেঁপে উঠেছিল রাস্তার…