শুভম চক্রবর্তীর কবিতা

আবাহন 

 

 

ভেতর বাজিয়ে কেউ চলে গেল, পথ চিরে দিয়ে। আমি তার গান আর আবহাওয়া, দ্যোতনাসম্ভার।  সুদীর্ঘ পয়ার টেনে এঁকে রাখি, স্থলে; ইঁদারায়। ভেতর বাজিয়ে কেউ ভেতরেই ডুবেছে হাওয়ায়।

 

তোমাকে অজস্র গানে পান করে রেখেছি কোমল। কড়ি ও কামনা সব গলে যাবে যে কোনও বিকেলে। তুমি চলাচল করবে, প্রত্যেক নিভৃত কুয়াশায়। কোমল কোমল শব্দ মালা হয়ে গেঁথেছে গলায়।

 

তন্নিষ্ঠ পাঠক-কাল কালাতীত ভোরের ও’পারে। ডানাকে দোদুল ভেবে ঈশাবাস্য সন্ধ্যাকাশ ঝাড়ে। ঝাড়ে, অন্তরীক্ষময় মশারিবাহিত কথকতা। সমস্ত মৌনের ব্রতে পেতে রাখা শূন্যতাবিতান। পূর্ণতা গাছের নিচে থাকে জাগতিক আনচান।

 

জগৎ তোমার গৃহ। সমীহের বিষয় আলাদা। তাই তুমি ছলে, স্থলে, চোখভরা এ-বাদলে ঋণাত্মক ধ্বনি তুলে হয়ে যাচ্ছ সাদা।

 

স্থিতধী কিছুই নয়, স্থিতিস্থাপকতা ভালো জানে। প্রতিটি সন্ধানে কিছু উজ্জ্বল গলদ থেকে যায়। এই খুঁজে চলা, এই সন্ধ্যার আকাশভরা তারা। বিস্ময় গজিয়ে উঠছে পথে আর পাথরে পাথরে।

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 2168 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...