নিষ্ফলা দিনের কিছু ভাবনা

বিলাল হোসেন

 


লেখক কবি, প্রাবন্ধিক, অণুগল্পকার

 

 

 

মাঝে মাঝে এমন হয়— অন্যান্য লেখক-কবি-সাহিত্যিকদের মতই আমারও হয়— নিঃসঙ্গ হয়ে যাই, চিন্তাভাবনামুক্ত হয়ে যাই সবরকমের সংশ্লিষ্টতা থেকে। নিজেকে এমন করে আড়ালঘরে নিয়ে আসি যেন আমার সকল কিছু— তাপউত্তাপ, নৈঃশব্দের দেয়ালে উৎকীর্ণ শব্দ শোনার মত তৃতীয় কান অথবা সম্পর্কসূত্র ছিন্ন হয়ে যাওয়া এই লেখার টেবিল-কম্পিউটার-স্ক্রিন; আশেপাশে স্তুপ করা ছোট-বড় খ্যাত-অখ্যাত কত লেখকের বই; সবকিছুকে ‘আমার নয় আমার নয়’ বলে চিৎকার করে উঠতে ইচ্ছা হয়। আমার ছোট্ট ঘর, সিঙ্গেল খাট সবকিছুকেই আমার অসহ্য মনে হয়; সবকিছুকেই না-দেখার না-ছুঁয়ে দেখার একটা মর্মস্পর্শী অভ্যাস ভেতরে ভেতরে হানা দেয় অথচ এরাই আমার সব। লেখা আসে না, মাথা কাজ করে না, চিন্তাভাবনার সমস্ত দুয়ার রুদ্ধ হয়ে যায়— এইরকম পরিস্থিতিতে কী করা যায়, কী করা উচিত?

নিষ্ফলা এই সময়টুকু কীভাবে অতিবাহিত করা যায়— সেসব নিয়ে বিভিন্ন সময়ে রথী-মহারথী বহু লেখকই তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা যেমন বর্ণনা করেছেন, তেমনি পরামর্শ দিয়েছে এই সময়টুকু কীভাবে কাটালে নিষ্ফলা শব্দটি আর থাকে না তার জীবনে, হয়ে ওঠে ফ্রুটফুল টাইম।

পড়ছিলাম ‘হৃদকলমের টানে’।

এই যে বন্ধ্যা সময়, অস্বস্তিমূলক সময় একজন কবি-সাহিত্যিকের জন্য, কবি হলে তাহলে তার জন্য পরামর্শ হল— পরামর্শটি দিচ্ছেন সৈয়দ হক— অন্য ভাষা থেকে কবিতা অনুবাদ করে দেখা যেতে পারে। সাহিত্যিকদের জন্যও কি একই পরামর্শ? এই ক্ষেত্রে সমারসেট মমের একটি ঘটনা উল্লেখ করে সৈয়দ হক লিখেছেন— ‘সমারসেট মম তরুণ বয়সে তার কলম চালু রাখার জন্য অন্য কারও প্রিয় উপন্যাস কপি করতেন তার খাতায়।’

পরামর্শটি গ্রহণ করে চুপিসারে পরীক্ষা করে দেখেছি— এটি একটি অভিনব উদ্ভাবন!

এই পদ্ধতিতে এগিয়ে গেলে ক্লান্তশ্রান্তকর আর অনুৎপাদনশীল ঘুমকাতুরে বিষণ্ণ কলমটি নতুন করে সজীব হবে, প্রাণবন্ত হবে আর কলমটির নতুন করে ঘুম ভাঙবে। আমি মনে করি, একেবারে নিষ্ফলা থাকার চেয়ে অন্য কারও লেখা— হোক সেটা উপন্যাসের অংশ বা ছোটগল্পাংশ অথবা একটি অণুগল্প— যদি আপনি কপি করেন তাহলে এই কপিটি করার ক্ষেত্রে আপনি দেখতে পাবেন, প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ছোটগল্পকার অণুগল্পকার তার লিখিত রচনায় বাক্যটি কীভাবে লিখেছেন, কোন শব্দটি নির্বাচন করেছেন অথবা তার যে চিত্র তুলে ধরেছেন সে-চিত্রটির কোন কোন অংশ তিনি ব্যবহার করেছেন, কোন অংশটি ব্যবহার করতে পারতেন কিন্তু করলেন না, কোন শব্দ এবং বাক্যকে কীভাবে লিখেছেন, কীভাবে যতিচিহ্নগুলো ব্যবহার করেছেন, স্তবকটি কীভাবে লিখেছেন এবং পরের স্তবকে আসার ক্ষেত্রে যে উল্লম্ফনটি তিনি দিয়েছেন সেটি কীরকম সফল হয়েছে, ব্যবহৃত উল্লম্ফনটি স্থানগত নাকি সময়গত— সেটি আপনি ধরতে পারবেন এবং সর্বোপরি, আমি মনে করি, এই যে আপনি আরেকজনের জমিতে খনন করছেন, এই খননের কারণেই ওই জমির তলা থেকে গুপ্তধন বেরিয়ে আসবে, যে গুপ্তধন এতদিন লুক্কায়িত ছিল, যে গুপ্তধনের মূল্য আপনি বুঝতে পারেননি, দৃষ্টিতে পড়েনি, বিবেচনায় আসেনি।

এবং এটাই বাস্তবতা আর স্বাভাবিক, পাঠকালে আমরা অনেক কিছুই দেখি এটা যেমন সত্য; অনেক কিছুই আড়ালে থেকে যায়— সেটি আরও সত্য।

তবে এই যে ক্লান্ত এবং অলস কলমকে সক্রিয় করার জন্য যে পদ্ধতি উদযাপন করা হল— সেক্ষেত্রে আমার নিজস্ব মতামত আছে। এই পদ্ধতিতে আমরা কাজ করব অবশ্যই কিবোর্ড বা কম্পিউটারের স্ক্রিনে নয়। আমরা এটা কাগজে কলমে লিখব। কাগজে কলমে লেখার ফলে খননকার্যটা ভালো হবে এবং বেশি বেশি গুপ্তধনের সাক্ষাৎ মিলবে।

আসুন শুরু করি।

 

অণুগল্প নিয়ে— এমন দেখা যাচ্ছে— লোকেদের নানা রকমের প্রশ্ন থাকছে। প্রশ্ন থাকছে কিছুটা তথ্য জানার জন্য, কিছুটা আমার সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য— এক্ষেত্রে সময়-কাটানো-প্রত্যাশীর আর কোনও উপায় থাকে না অণুগল্পের প্রশ্ন করা ছাড়া। কেননা অণুগল্প বিষয়টি ছাড়া আমার দৃষ্টি আকর্ষণের আর কোনও মাধ্যম নাই, তাই। কিছু কিছু প্রশ্ন খুবই সহজ সরল; প্রসাধনহীন। কিছু প্রশ্ন বক্রতার ঘেরাটোপে আটকানো, উত্তর জানার ক্ষেত্রে যত না আগ্রহ— ‘বক্রপ্রশ্ন করার ক্ষমতা আছে’ দেখিয়ে একথা প্রমাণ করতে চান অণুগল্পের পুরাতন মানুষ তারা; এই সব মানুষদের কাছে গভীরতার আরেক নাম— বক্রপ্রশ্ন। বক্রপ্রশ্নের সেই কূপ থেকে কিছু প্রশ্ন বালতিযোগে উত্তোলন করেছি। তারই আলোকে উত্তর খোঁজার ইচ্ছে করেছি সমুদ্রসম এই গ্রুপে; এই ধারাবাহিক গদ্যে। এর পাশাপাশি পরিকল্পিত কিছু প্রসঙ্গ তো আছেই।

অণুগল্প প্রথম দশকের মাঝামাঝি অবস্থান করছে— এটা যেমন একটি তথ্য একইভাবে অণুগল্পের সমার্থক ঐতিহাসিক ফেসবুক গ্রুপ ‘অণুগল্প গ্রুপ’-এরও মাঝামাঝি সময় অতিবাহিত হতে চলেছে। অণুগল্পের জন্মতিথি থেকে শুরু করে, এর পয়মন্ত বাড়ন্ত সময়সহ যতগুলো বাৎসরিক মাসিক ও দৈনন্দিন ক্ষণ অতিবাহিত হয়েছে তার সঙ্গে অণুগল্প গ্রুপের আগাপাশতলা সাদৃশ্য আছে। অর্থাৎ অণুগল্প গ্রুপের জন্মতিথি এর পয়মন্ত বাড়ন্ত সময়সহ যতগুলো বাৎসরিক মাসিক ও দৈনন্দিন ক্ষণ আছে একইসঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। তারা পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে এমনভাবে ওতপ্রোতভাবে জড়িত যে তাদেরকে আলাদা করা প্রায় অসম্ভব। এবং, আলাদা করার বাসনা অপরাধমূলক, দুরভিসন্ধিমূলকও বটে। বস্তুত এ-দুইকে আলাদা করা যায় না ঐতিহাসিকভাবেই। আর এই বক্তব্যটি ধোঁয়াতোলা গালভরা উচ্চঅনুপ্রেরণার কোলে আশ্রয় নেওয়া কোনও কথা নয়, এটিই সত্য; স্মরণযোগ্য নিকট বাস্তবতা।

 

আমি যদি একটি প্রশ্ন রাখি; একটি অস্বাভাবিক প্রশ্ন; অতি চিন্তাশীল ভাবনাশীল প্রশ্ন; যে প্রশ্নের উত্তর এই মুহূর্তে আমার জানা নেই, আমরা চিন্তা করেও যে প্রশ্নের উত্তর ভেবে বের করতে পারছি না, পারব না; যে প্রশ্নের প্রকৃত অর্থে কোনও উত্তরই হয় না। কেননা প্রশ্নটি ভেবে কল্পনা করে হিসাব করে উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। এই প্রশ্নের উত্তর কেবল ভবিষ্যৎই দিতে পারবে। ভবিষ্যতে না গিয়ে বর্তমানে করায় প্রশ্নের উত্তর খোঁজা মোটেও স্বাভাবিক নয় তবুও প্রশ্নটি আসে; মনে জাগে তবুও। আমাদেরকে তাড়িত করে কারণ প্রশ্নটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্নটি হল— সাহিত্যের ভবিষ্যৎ কী?

সাহিত্য ভবিষ্যতে মানুষকে কতটুকু উদ্দীপ্ত করে রাখবে? কতখানি অনুপ্রাণিত করবে? সমাজে রাষ্ট্রে ব্যক্তিতে এই সাহিত্য কতটুকু জড়িত থাকবে অথবা কতখানি জড়িত থাকবে না? ভবিষ্যতের মানুষদের কাছে সাহিত্য কতখানি আদরণীয় হয়ে থাকবে আসলেই আদরণীয় হবে কিনা? ভবিষ্যৎ মানুষের কাছে ভবিষ্যৎ সাহিত্য কোন পর্যায়ের কলাকৌশল কি পরিমাণ পরিবর্তিত হয়ে তার নিজস্ব আদল নিবে; যে আদলের প্রেমে পড়ে ভবিষ্যতের মানুষেরা সাহিত্যের কাছে ফিরে বসবে, সাহিত্যের মুখোমুখি হবে‌, সাহিত্যকে সময় দেবে। আসলেই কি ভবিষ্যতের মানুষেরা সাহিত্যের নিকটবর্তী থাকবে নাকি এমনই জীবন আসবে, এমন দুস্তর দুরতিক্রম্য মানুষের মন হয়ে যাবে— যে-মনে সাহিত্য ঢুকতে পারবে না; যে-মনে কোনও দরজা থাকবে না। সেই ভবিষ্যতের কথা আমি বলছি— সেই ভবিষ্যতে সাহিত্য কী রূপে অবস্থান নেবে বা সাহিত্য বেঁচে থাকবে কি না!

সত্যিকার অর্থেই ভবিষ্যতে সাহিত্য সুস্থ থাকবে নাকি থেকে থেকে মুমূর্ষু হয়ে যাবে, তার সমস্ত আবেদন হারাবে অথবা সাহিত্য এমন এক পক্ষাঘাত শরীর নিয়ে বেঁচে থাকবে— যে শুধু মৃত্যুকামনাই করবে! সাহিত্য কি সেই পর্যায়ে চলে যাবে— সেই ভবিষ্যতের কথাই বলছি। আমি ওই ভবিষ্যতের কথা বলছি যে ভবিষ্যতে সাহিত্যর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার আগে আগে শ্বাসকষ্ট হবে! শ্বাস নিতে নিতে তার পাঁজর বুক এবং সর্বশরীর ব্যথায় জর জর হয়ে উঠবে !

আমি সেই ভবিষ্যৎ চেহারার কিছু অংশ বর্ণনা করতে চাই মাত্র। উত্তরটি আপনরাই দেবেন।

 

এই সব মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার উত্থান পতন এবং এই জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক জ্ঞান কতটা ঋদ্ধ; সংস্কৃতিমনস্কতা কতটুকু অথবা বৈদেশিক ভাষার চাপ, অর্থের চাপ কতটুকু নিতে পারে, কতটুকূ প্রতিরোধ করতে পারে? এই গ্রহণ-বর্জনের মধ্য দিয়েই ভাষার রূপে কী পরিবর্তন হয় জানব।

একটি দেশের ভাষাভাষীর জনরুচির উপর নির্ভর করে সেই ভাষার জীবন, সেই ভাষার মৃত্যু। লেখকের সঙ্গে পাঠকের আকাঙ্ক্ষার যোগ বিচ্ছিন্ন হলে সবরকমের সহানুভূতি চলে যায়। লেখকের সঙ্গে পাঠকের আকাঙ্ক্ষার দূরত্ব যত বাড়বে ততই সাহিত্যবিমুখ হিসেবে মানুষ অবস্থান নেবে। পাঠক সাহিত্যের সঙ্গে নিজের সমাজের মানুষের চালচিত্রের অন্তস্থিত ভাবের পরিচয় না পেলে সে-সাহিত্য বর্জ্য হিসেবেই পরিগণিত হবে।

এমন যদি হয়— সাধারণত লেখক ঐ সমাজের ঐ সময়ের থেকে অনেক দূরে অবস্থান করেন অর্থাৎ বর্তমানের গর্ভে বাস করেন ভবিষ্যতের লেখক। এই লেখকদের লেখনীর সঙ্গে কোনওরকমেরই মিল খাওয়াতে পারেন না বর্তমানের পাঠক। তারা যদিও এ-সাহিত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন পিছিয়ে পড়া মানুষ বলে; আর যিনি লিখেছেন তিনি বর্তমানে বাস করা এগিয়ে থাকা এমন একজন লেখক যার লেখা বর্তমান পাঠকের জন্য দুর্বোধ্য হলেও এই পাঠকরা যখন ভবিষ্যতে পৌঁছাবেন তাদের উন্নত রুচি-মানসিকতা পরিবর্তন হলে তারা বুঝতে পারবেন এই লেখকের মননশীলতা। অর্থাৎ সমস্ত লেখাই কোনও না কোনও সময়ের জন্য লিখিত হয়েছে। কিন্তু এই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাঠক ও লেখকের যে মানসিক দূরত্ব; রুচি এবং আকাঙ্ক্ষা যুক্ত না-করতে পারলে লেখক-পাঠকের মধ্যে যে দূরত্ব ছিল সে দূরত্বই রয়ে যাবে।

এই প্রসঙ্গে মনে পড়ছে রবি ঠাকুরের একটি পদ্য। রবীন্দ্রনাথ লিখছেন—

বাবা নাকি বই লেখে সব নিজে।
কিছুই বোঝা যায় না লেখেন কী যে।
সেদিন পড়ে শোনাচ্ছিলেন তোরে,
বুঝেছিলি?— বল্‌ মা সত্যি ক’রে।
এমন লেখায় তবে
বল্‌ দেখি কী হবে।
তোর মুখে মা, যেমন কথা শুনি,
তেমন কেন লেখেন নাকো উনি।
ঠাকুরমা কি বাবাকে কক্‌খনো
রাজার কথা শোনায়নিকো কোনো।
সে-সব কথাগুলি
গেছেন বুঝি ভুলি?

অর্থাৎ এই যে মুখের ভাষায় যে কথাগুলো আমরা বলছি প্রতিনিয়ত, সাহিত্যের ভাষা কিন্তু সেটি নয়। সাহিত্যের ভাষা আর দৈনন্দিন জীবনের ভাষা/মুখের ভাষার মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য থাকে। সাহিত্যের ভাষায় লেখকের চিন্তাশক্তি জড়িত আছে। সাহিত্যের ভাষার মধ্যে লুক্কায়িত করণকৌশল আছে; মননশীলতা সৃজনশীলতা অলঙ্কার থাকে এবং থাকে লেখকের নিজস্ব স্টাইল, মুদ্রাদোষ, কোনও শব্দ-বাক্যের প্রতি অন্ধভাবে পক্ষপাতিত্ব দেখান। আর এই দেখানোটা এমনভাবে আড়াল করে করে প্রোথিত করে যান, সাধারণ পাঠকরা সেইসব মণিমুক্তো ছড়ানো গুপ্তধন হয়তো পান না কিন্তু এইসব ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মণিমুক্তোর জন্যই মূলত লেখাটি পাঠককে ছুঁয়ে গেছে, সাধারণ পাঠক কারণটি বুঝতে পারেন না হয়ত কিন্তু পাঠকে মধ্যে সেই সেতু তৈরি করা আছে যে সেতু দিয়ে একজন লেখক পাঠকের মনের দরজায় চলে যেতে পারেন।

যদি এমন হয়, পাঠক কোনও সেতু তৈরি করতে সক্ষম হননি অথবা লেখকের মধ্যে যে স্টাইল করণকৌশল বা লেখাকে সম্বৃদ্ধ করে— এমন সব দুষ্প্রাপ্য জড়োয়া দিয়ে লেখাটি জড়িয়ে দিয়েছেন— পাঠক ধরতেই পারলেন না। হয় পাঠক যুগের চেয়ে পিছিয়ে আছেন অথবা সেই লেখক যুগের চেয়ে এগিয়ে এমন এক ভবিষ্যৎ সাহিত্যের অবতারণা করেছেন যা বর্তমানকে ছাপিয়ে গেছে অর্থাৎ এই যে লেখক এবং পাঠকের সংযোগ সেতু তৈরি হল না এর জন্য কখনও লেখক কখনও পাঠক দায়ী ।

 

 

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 2615 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...