
দেবাশিস মিথিয়া
পশ্চিমবঙ্গ জাতীয় শিক্ষানীতি মানবে না, আগেই জানিয়েছে। রাজ্য আলাদা শিক্ষানীতি তৈরি করেছে। তবে সেই শিক্ষানীতি অনেকাংশেই জাতীয় শিক্ষানীতিকে নতুন মোড়কে প্রয়োগের পরিকল্পনা। ইতিমধ্যেই রাজ্যের কলেজগুলিতে চার বছরের স্নাতক কোর্স, সঙ্গে ‘মাল্টিপল এন্ট্রি অ্যান্ড এক্সিট’ চালু হয়েছে। স্কুলশিক্ষায় 'লার্নিং হাব' বা 'স্কুল ক্লাস্টার' মান্যতা পেয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা হোলিস্টিক রিপোর্ট কার্ডে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল হাতে পেয়েছে। এগুলি সবই জাতীয় শিক্ষানীতির অংশ। তাহলে, ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পের বিরোধিতা কেন? নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলির নামের আগে ‘পিএম-শ্রী’ জুড়ে দেওয়ার বিষয়টিতে রাজ্যের ঘোরতর আপত্তি। বিশেষ করে রাজ্যকে যখন প্রকল্পের ৪০ শতাংশ ব্যয় বহন করতে হবে। এছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব মডেল স্কুল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে এবং তারা মনে করে ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পটি শিক্ষাখাতে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা
‘পিএম-শ্রী’ (পিএম স্কুলস ফর রাইজিং ইন্ডিয়া) প্রকল্পে যুক্ত না হওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ, কেরল এবং তামিলনাড়ুর সমগ্র শিক্ষামিশনের বরাদ্দ আটকে দিয়েছে। যার পরিমাণ পশ্চিমবঙ্গ, কেরল এবং তামিলনাড়ুর ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১,০০০ কোটি টাকা, ৮৫৯.৬৩ কোটি টাকা এবং ২,১৫২ কোটি টাকা। শিক্ষা, মহিলা, শিশু, যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান দিগ্বিজয় সিং বিষয়টির তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং এই পদক্ষেপকে “অযৌক্তিক” বলে মন্তব্য করেছেন। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি রাজ্যগুলির বকেয়া তহবিল অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেছে।
পিএম–শ্রী প্রকল্প কী?
২০২৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় শিক্ষানীতির (এনইপি) অধীনে এই নতুন প্রকল্প চালু করে। ঠিক হয় অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন রাজ্যে মডেল স্কুল তৈরি করা হবে। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের উদ্যোগে চালু স্কুলগুলি থেকে কিছু স্কুলকে বেছে নিয়ে তাদের মানোন্নয়ন করাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। সেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ থাকবে। পাশাপাশি গুণগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে। স্কুলগুলিতে স্মার্ট ক্লাসরুম, উন্নত ল্যাবরেটরি, ডিজিটাল লাইব্রেরি ও খেলার মাঠের মতো আধুনিক পরিকাঠামোও থাকবে। এছাড়াও স্কুলগুলিকে পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলা হবে। একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে স্কুলগুলিকে নির্বাচন করা হবে। আপাতত ‘পিএম-শ্রী’-র অধীনে ১৪,৫০০টির মতন স্কুলকে উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি ভাবনা, এতে ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে সরাসরি সুবিধা দেওয়া যাবে।
অনেকে এটিকে নবোদয় বিদ্যালয়ের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছেন। তা কিন্তু নয়। নবোদয় বিদ্যালয় সম্পূর্ণরূপে আবাসিক বিদ্যালয় যার প্রধান উদ্দেশ্য গ্রামীণ এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে গুণগত শিক্ষা প্রদান করা। যাতে করে তারা শহুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে। সেখানে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া, ইউনিফর্ম, পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করা হয়।
কেন সমগ্র শিক্ষামিশনের বরাদ্দ বন্ধ?
দেশের ৩৬টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ৩৩টি রাজ্য ইতিমধ্যেই ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে এমওইউ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং মডেল স্কুল তৈরির কাজে হাত দিয়েছে। তিনটি রাজ্য (পশ্চিমবঙ্গ, কেরল এবং তামিলনাড়ু) এই চুক্তি স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেছে। সংসদীয় কমিটিকে শিক্ষা দপ্তর জানিয়েছে ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পটি নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির অধীনে উন্নতমানের স্কুল তৈরির একটি উদ্যোগ। আর সমগ্র শিক্ষামিশন হল এই শিক্ষানীতির লক্ষ্যগুলি পূরণ করার জন্য একটি কর্মসূচি। আমাদের সংবিধানের ৮৬তম সংশোধনী অনুযায়ী, ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তাই, যদি রাজ্য সরকারগুলি এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি (সমঝোতা স্মারক) স্বাক্ষর করতে না চায়, তাহলে তা সংবিধানের বিরোধিতা বলে ধরে নেওয়া হবে। ‘পিএম-শ্রী’তে যুক্ত না হওয়া রাজ্যগুলির অনুদান বন্ধের পিছনে এটাই যুক্তি।
তিনটি রাজ্য ‘পিএম–শ্রী’তে কেন যোগ দেয়নি?
‘পিএম-শ্রী’ জাতীয় শিক্ষানীতি (এনইপি) ২০২০-এর অংশ। জাতীয় শিক্ষানীতির বিরোধিতা করতেই ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পে আপত্তি।
- এনইপি ২০২০-র তিন-ভাষা নীতির বিষয়টিতে তামিলনাড়ু তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। তারা তাদের নিজস্ব ভাষানীতির পক্ষে সওয়াল করে সরাসরি ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্প গ্রহণের বিরোধিতা করেছে।
- এছাড়াও, এই রাজ্যগুলি শিক্ষানীতি নির্ধারণে কেন্দ্রের অত্যধিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা নিজস্ব শিক্ষাব্যবস্থা তৈরিতে স্বাধীনতা বজায় রাখতে চায়। ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্প সেই স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ— রাজ্যগুলি এমনই মনে করছে।
- জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়েও রাজ্যগুলির মধ্যে মতভেদ রয়েছে। রাজ্যের কারও কারও নিজস্ব সফল শিক্ষা মডেল রয়েছে। তারা কেন্দ্র-চালিত প্রকল্প গ্রহণের পরিবর্তে সেগুলিতেই ভরসা করছে বেশি।
- ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পের অধীনে তহবিল বিতরণের স্বচ্ছতার অভাব নিয়েও রাজ্যগুলির মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। তারা তাদের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত এবং ন্যায্য সম্পদপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চায়।
- সবশেষে, কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারগুলির মধ্যে রাজনৈতিক পার্থক্যও এই ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা। কিছু ক্ষেত্রে, ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পের বিরোধিতা বৃহত্তর রাজনৈতিক মতবিরোধের অংশ।
সংক্ষেপে, নীতিগত পার্থক্য, স্বায়ত্তশাসন নিয়ে উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা রাজ্যগুলির এই প্রকল্পের প্রতি অসম্মতির প্রধান কারণ।
সংসদীয় কমিটির পর্যবেক্ষণ
সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সর্বশিক্ষা অভিযান বা এসএসএ (বর্তমানে যা সমগ্র শিক্ষামিশনের অধীন)— যা শিক্ষার অধিকার আইন বাস্তবায়নের জন্য তৈরি হয়েছিল এবং যেখানে বলা হয়েছিল শিক্ষা প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার— এই এসএসএ, ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পের আগে চালু হয়েছিল। ফলে জাতীয় শিক্ষানীতির (এনইপি) অজুহাতে শিক্ষার এই মৌলিক অধিকারকে আটকানো উচিত নয়। প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কেরল, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলিতে বিদ্যালয়ে ভর্তির হার জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেক বেশি। সেই সব রাজ্যে সমগ্র শিক্ষামিশনের তহবিল আটকে দেওয়ার অর্থ স্কুল পরিকাঠামোর উন্নতি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং ছাত্র সহায়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি বন্ধ করে দেওয়া। এই তহবিল বন্ধের ফলে রাজ্যগুলি শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য তাদের নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তামিলনাড়ু সমগ্র শিক্ষামিশন-এ বরাদ্দ করেছিল ৩,৫৮৬ কোটি টাকা। যার মধ্যে ২,১৫২ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে আসার কথা ছিল, কিন্তু বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও সেই অর্থ দেওয়া হয়নি। এর প্রভাব পড়েছে শিক্ষকদের বেতন এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের পরিবহনে। কমিটি আরও জানিয়েছে, ‘পিএম-শ্রী’র মতো পৃথক প্রকল্পে যুক্ত না হওয়ার কারণে সমগ্র শিক্ষামিশন-এর বরাদ্দ আটকে রাখা ন্যায়সঙ্গত নয়।
বেতন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই তাহবিল জরুরি। তাই সংসদীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবিলম্বে এই বকেয়া ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। রাজ্যগুলিকে ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্প প্রত্যাখ্যান করার জন্য যেন শাস্তি দেওয়া না হয়, সে-বিষয়েও সুপারিশ করা হয়েছে। শিক্ষক এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য সময়মতো অর্থপ্রদান নিশ্চিত করতে শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি তিন মাসে প্রয়োজনভিত্তিক তহবিল বিতরণের একটি মডেল তৈরি করার কথাও রিপোর্টে বলা হয়েছে।
‘পিএম-শ্রী’তে পশ্চিমবঙ্গের আপত্তি কেন?
পশ্চিমবঙ্গ জাতীয় শিক্ষানীতি মানবে না, আগেই জানিয়েছে। রাজ্য আলাদা শিক্ষানীতি তৈরি করেছে। তবে সেই শিক্ষানীতি অনেকাংশেই জাতীয় শিক্ষানীতিকে নতুন মোড়কে প্রয়োগের পরিকল্পনা। ইতিমধ্যেই রাজ্যের কলেজগুলিতে চার বছরের স্নাতক কোর্স, সঙ্গে ‘মাল্টিপল এন্ট্রি অ্যান্ড এক্সিট’ চালু হয়েছে। স্কুলশিক্ষায় ‘লার্নিং হাব’ বা ‘স্কুল ক্লাস্টার’ মান্যতা পেয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা হোলিস্টিক রিপোর্ট কার্ডে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল হাতে পেয়েছে। এগুলি সবই জাতীয় শিক্ষানীতির অংশ। তাহলে, ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পের বিরোধিতা কেন? নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলির নামের আগে ‘পিএম-শ্রী’ জুড়ে দেওয়ার বিষয়টিতে রাজ্যের ঘোরতর আপত্তি। বিশেষ করে রাজ্যকে যখন প্রকল্পের ৪০ শতাংশ ব্যয় বহন করতে হবে। এছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব মডেল স্কুল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে এবং তারা মনে করে ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পটি শিক্ষাখাতে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা।
বিষয়টি নিয়ে গত মাসেই সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার বিগত কয়েক বছর ধরে বৈষম্যমূলক আচরণ করে যাচ্ছে। বাংলায় ভোটে জিততে পারছে না বলে এই প্রকল্পের বরাদ্দ টাকা আটকে রাখছে। ভোটে হারজিত থাকতেই পারে। কিন্তু এ রাজ্যের শিশুরা ভারতেরও শিশু। তাদের বঞ্চিত করার কোনও অধিকার নেই কেন্দ্রীয় সরকারের। অবিলম্বে এই টাকা দিয়ে দেওয়া উচিত।” এ-বিষয়ে কেন্দ্রের বক্তব্য, সমগ্র শিক্ষামিশনের সঙ্গে ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পকে যুক্ত করলে তবেই মিলবে বরাদ্দকৃত অর্থ।
এ তো “রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়”! কেন্দ্র-রাজ্যের এই চাপানউতোরে বঞ্চিত হচ্ছে তিন রাজ্যের হাজার হাজার স্কুলপড়ুয়া। ‘পিএম-শ্রী’ প্রকল্পের অধীনে, ১৪,৫০০টি স্কুলকে মডেল প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার কথা। এ-পর্যন্ত, এনসিইআরটি, কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় এবং নবোদয় বিদ্যালয় নেটওয়ার্কের অধীনে থাকা স্কুলগুলি থেকে ১১,৯২০টি নির্বাচিত হয়েই গেছে। তবে এত লড়াই কেন?
আলোচনায় পরিষ্কার রাজনৈতিক দড়িটানাটানি চলছে। একদিকে কেন্দ্রের দাদাগিরি। কিছু হলেই টাকা আটকে ভাতে মারার কৌশল। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে থেকেও পশ্চিমবঙ্গের মতো কিছু রাজ্যের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার জেদ বাড়তি সমস্যা তৈরি করছে। ভুললে চলবে না, অকারণ এই আকচা-আকচিতে ক্ষতি হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের। নেতারা সবই বোঝেন কিন্তু ভোটের কথা ভাবতে গিয়ে প্রান্তিক ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতে তাঁরা কুণ্ঠাবোধ করছেন না। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুরে বলি, অবিলম্বে কেন্দ্র-রাজ্য দ্বন্দ্ব বন্ধ হোক এবং “সৌহার্দ্যপূর্ণ” সমাধানের রাস্তা বেরিয়ে আসুক।
*মতামত ব্যক্তিগত
আপনাদের পত্রিকায় অনেক চমৎকার লেখা থাকে। এই যেমন এই পোস্টটি।
আমার মনে হয়,
সঙ্গে লেখক পরিচিতি থাকলে (যে পরিচিতি আপনাদের জানা) ভালো হত।
হীরক সেনগুপ্ত