ফ্যাসিবাদ কী?

জর্জ অরওয়েল

 

বাংলা ভাষান্তর : জিললুর রহমান

এরিক আর্থার ব্লেয়ার (জুন ২৫, ১৯০৩ - জানুয়ারি ২১,  ১৯৫০) একজন কালোত্তীর্ণ ইংরেজ সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক লেখক। অবিভক্ত ভারতের বাংলা প্রদেশের মতিহারিতে জন্ম হয়েছিল তাঁর। বিশ্ব সাহিত্য অঙ্গনে তিনি জর্জ অরওয়েল ছদ্মনামে সমধিক পরিচিত। তাঁর দুটি উপন্যাস— এনিমেল ফার্ম ও নাইন্টিন এইটি-ফোর বিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের তালিকায় স্থান পেয়েছে। তিনি আজীবন স্বৈরাচার ও একদলীয় মতবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। রিচার্ড ওয়ামেসলে ব্লেয়ার ও ইদামাবেল লিমুজিন দম্পতির একমাত্র সন্তান অরওয়েল মাত্র ৪৬ বছর বয়সে যক্ষ্মারোগে মৃত্যুবরণ করেন।

জর্জ অরওয়েল বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকীতে লেখালেখি থেকে শুরু করে উপন্যাস, প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা রচনা করেছেন।

উপন্যাসসমূহ:
বার্মিজ ডেজ (১৯৩৪)
এ ক্লার্জিম্যানস ডটার (১৯৩৫)
কিপ দ্য এসপিডিস্ট্রা ফ্লাইং (১৯৩৬)
কামিং আপ ফর এয়ার (১৯৩৯)
অ্যানিম্যাল ফার্ম (১৯৪৫)
নাইন্টিন এইটি-ফোর (১৯৪৯)

প্রবন্ধসমূহ:
ডাউন এন্ড আউট ইন প্যারিস এন্ড লন্ডন (১৯৩৩)
দ্য রোড টু উইগান পিয়ের (১৯৩৭)
হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া (১৯৩৮)‌

তার বেশিরভাগ লেখাই ছিল সংবাদপত্রের জন্য লেখা সভ্যতা ও রাজনৈতিক সমালোচনামূলক নিবন্ধ।

সূত্র : উইকিপিডিয়া

আমেরিকায় একটি সামাজিক সমীক্ষা সংগঠন সম্প্রতি শ’খানেক মানুষকে জনে জনে এই প্রশ্ন করেছে (—‘ফ্যাসিবাদ’ কি?) এবং যে জবাব পেয়েছে তা ‘বিশুদ্ধ গণতন্ত্র’ থেকে ‘বিশুদ্ধ বদমায়েশি’ পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দেশে তুমি যদি গড়পড়তা চিন্তার মানুষকে ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞা বলতে বলো, সে সাধারণত জার্মান আর ইতালীয় কালপর্বের দিকে আঙুল দেখাবে। কিন্তু এটা খুবই অসন্তোষজনক, কেননা এমনকি বড় বড় ফ্যাসিস্ট দেশগুলোও একে অপরের সাথে মতদ্বৈধতা পোষণ করে কাঠামো (স্ট্রাকচার) এবং ভাবাদর্শের (আইডোলজি) মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায় জার্মান আর জাপানকে একই অবকাঠামোতে ফেলা অত সহজ নয়; এবং কিছু কিছু ছোট রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এটা আরও কঠিন যারা ফ্যাসিস্ট হিসেবে বর্ণনার যোগ্য। যেমন ধরুন, এটা আসলে ধারণা করা হয় যে ফ্যাসিবাদ জন্মগতভাবেই রণলিপ্সু বা যুদ্ধপ্রিয়— এটা বেড়ে ওঠে হিস্টিরিয়ার মতো যুদ্ধবাদী-বিকারগ্রস্ত পরিবেশে। এবং তার অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধান করতে পারে কেবলমাত্র যুদ্ধপ্রস্তুতি আর ভিনদেশ জবরদখলের মাধ্যমেই। এটা কিন্তু পুরোপুরি সত্য নয় বলা চলে, পর্তুগাল ও দক্ষিণ আমেরিকার একনায়কত্বের ক্ষেত্রে। আবার ইহুদিবিদ্বেষবাদকে ফ্যাসিবাদের বৈশিষ্ট্য নির্দেশকারী চিহ্নরূপে গণ্য করা হয়। কিছু কিছু ফ্যাসিস্ট আন্দোলন কিন্তু ইহুদিবিদ্বেষী নয়। শিক্ষিত বাদানুবাদ বছরের পর বছর ধরে আমেরিকার ম্যাগাজিনগুলোতে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—এখনো স্থির করতে পারছে না যে, ফ্যাসিবাদ ধনতন্ত্রের বা ক্যাপিটালিজমের কোনও ফর্ম বা কাঠামো হতে পারে কিনা, নাকি পারে না। কিন্তু আমরা এখনও যখন ফ্যাসিজম অভিধাটি জার্মানি, জাপান বা মুসোলিনির ক্ষেত্রে ব্যবহার করি, আমরা জানি ব্যাপকার্থে আমরা কী বোঝাচ্ছি। এটা আন্তর্জাতিক রাজনীতির ব্যাপার, যার ফলে এই শব্দটি তার অর্থবোধকতার শেষ কণাটিও হারিয়েছে। কারণ, তুমি যদি পত্রপত্রিকাগুলো নিরীক্ষণ করে দেখ তো দেখতে পাবে যে, কোনও মানবসমাজ নেই— নিঃসন্দেহে কোনও রাজনৈতিক দল নেই, অথবা যে কোনও ধরনের সাংগঠনিক দল নেই— যাকে গত ১০ বছরে ফ্যাসিস্ট বলে নিন্দা করা হয়নি। এখানে আমি ফ্যাসিস্ট অভিধাটির মৌখিক ব্যবহার নিয়ে বলছি না। আমি বলছি প্রকাশনায় (পত্রপত্রিকায়) যেসব দেখেছি সে বিষয়ে। আমি দেখেছি নিচে উল্লিখিত মানব সংগঠনগুলোর প্রতি সব ধরনের গুরুতর পরিস্থিতিতে ‘সমবেদনায় ফ্যাসিস্ট’ অথবা ‘ফ্যাসিস্ট প্রবণতা’ কিংবা শুধুই সরলভাবে ‘ফ্যাসিস্ট’ শব্দাবলী প্রয়োগ করা হয়েছে—

রক্ষণশীল : সন্তুষ্ট কিংবা অসন্তোষবাদী যা-ই হোক না কেন, সকল রক্ষণশীলগণই হচ্ছে বিষয়ীগতভাবে প্রো-ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্টমুখী ভাবাপন্ন। ভারত ও উপনিবেশগুলোতে ব্রিটিশ আইনকে নাৎসিবাদ থেকে কোনওভাবেই আলাদা করা যায় না। যে সংগঠনগুলোকে কেউ একজন বলতে পারে দেশপ্রেমিক এবং চিরায়ত ধরনের তাদেরও চিহ্নায়িত করা হয়েছে ছদ্ম-ফ্যাসিস্ট কিংবা ফ্যাসিস্ট-মনোভাবসম্পন্ন বলে। উদাহরণগুলো হল : বয়স্কাউট, মেট্রোপলিটন পুলিশ, এম.আই.৫, ব্রিটিশ সৈন্যবাহিনী। মূল প্রবাদ হল : ‘সরকারি বিদ্যালয়গুলো ফ্যাসিজমের প্রজনন-ক্ষেত্র’।

সমাজতন্ত্রী : পুরনো ধাঁচের ধনতন্ত্রের ধ্বজাধারীরা (যেমন স্যার আর্নেস্ট বেন) এই মত বজায় রাখে যে সমাজতন্ত্র আর ফ্যাসিজম একই জিনিস। কিছু ক্যাথলিক সাংবাদিক মনে করে সমাজতন্ত্রীরা নাৎসি-অধ্যুষিত দেশগুলোতে প্রধান সহযোগী বা কোলাবরেটর ছিল। একই অভিযোগ ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে কমিউনিস্ট পার্টিও তার অতি-বাম পর্বে থাকা কালে করে থাকে। ১৯৩০-৩৫ সালের সময় ডেইলি ওয়ার্কার পত্রিকা স্বভাবত লেবার পার্টিকে লেবার-ফ্যাসিস্ট বলে সম্বোধন করত। এটা অন্য অতি-বাম দলেরাও প্রতিধ্বনিত করত, যেমন নৈরাজ্যবাদীরা বা অ্যানার্কিস্টরা। কিছু ভারতীয় জাতীয়তাবাদী দল ব্রিটিশ ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে ফ্যাসিস্ট সংগঠন মনে করে।

কমিউনিস্টগণ : একটি বিবেচনাযোগ্য ধী-গোষ্ঠী (উদাহরণ : রশনিং, পিটার ড্রুকার, জেমস বার্নহাম, এফ.এ.ভয়েইট) নাৎসি এবং সোভিয়েত শাসনের মধ্যে কোনও পার্থক্য স্বীকার করতে রাজি নয়; এবং এই মতে স্থির থাকে যে, সকল ফ্যাসিস্ট এবং কমিউনিস্টরা আপাতদৃষ্টে একই জিনিসকে লক্ষ করে ধাবিত হচ্ছে; এবং কিছু ক্ষেত্রে একই লোকগুলো। যুদ্ধপূর্ব টাইমস পত্রিকায় সেভিয়েত ইউনিয়নকে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আবার ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এই কথাই প্রতিধ্বনি করে নৈরাজ্যবাদী ও ট্রটস্কিবাদীরাও।

ট্রটস্কিবাদী : কমিউনিস্টরা মূল ট্রটস্কিবাদীদেরকে (অর্থাৎ ট্রটস্কির নিজ সংগঠনকে) নাৎসিদের পয়সায় ছদ্ম-ফ্যাসিস্ট দলে পরিণত হবার অভিযোগে অভিযুক্ত করে। জনপ্রিয় বা পপুলার-ফ্রন্ট আমলে বামেদের মধ্যে এটা ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হত। তাদের অতি-ডান পর্ব কালে কমিউনিস্টরা একই অভিযোগ করতে থাকে তাদের চেয়ে বামে থাকা সব সংঘাতপূর্ণ দল-উপদলের প্রতি, উদাহরণস্বরূপ কমনওয়েলথ বা আই.এল.পি.।

ক্যাথলিকগণ : নিজের মর্যাদাসম্পন্নদের বাইরে ক্যাথলিক চার্চকে প্রায় সর্বজনীনভাবে প্রাক-ফ্যাসিস্ট বলে গণ্য করা হয়, বিষয়গত ও বিষয়ীগত উভয়ার্থেই।

যুদ্ধরোধী বা যুদ্ধ-প্রতিরোধকারীগণ : শান্তিবাদীরা এবং আর যারা যুদ্ধবিরোধী, তাদের ব্যাপারে প্রায়ই অভিযোগ করা হয় যে তারা চক্রের জন্যে সবকিছুকে অতিসরলই করে তোলে না, বরং হাল্কা ফ্যাসিস্টমুখী অনুভূতির রংও লাগিয়ে থাকে।

যুদ্ধবাদী বা যুদ্ধ-সমর্থকগণ : যুদ্ধরোধীরা সাধারণত তাদের মামলাগুলো করে এই দাবির ভিত্তিতে যে, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ নাৎসিবাদের চেয়েও খারাপ। এবং ফ্যাসিস্ট অভিধাটি সামরিক বিজয়ের পক্ষপাতী যে কারও উপরই প্রয়োগ করতে চায়। জনগণের সম্মেলনের সমর্থকেরা নাৎসি আগ্রাসন ঠেকানোর ইচ্ছাপোষণকে ফ্যাসিস্ট সহানুভূতির একটা চিহ্ন বলে প্রায়শ দাবি করে। হোমগার্ড একসময় ফ্যাসিবাদী সংগঠন বলে নিন্দিত হয়েছে তার আবির্ভাবের পরপরই। উপরন্তু, বামদের সকলেই সামরিকতন্ত্রকে ফ্যাসিবাদের সাথে সমান মাত্রায় রাখতে চায়। রাজনৈতিক সচেতন বেসরকারি সৈন্যরা সবসময়ই তাদের অফিসারদের ‘ফ্যাসিস্ট-মনস্ক’ বা ‘প্রাকৃতিক-ফ্যাসিস্ট’ বলে ডাকত। সমর-বিদ্যালয়গুলোতে চকচকে তরবারিসহ অফিসারদের স্যালুট জানানোর ব্যাপারটাকে ফ্যাসিবাদের সহায়ক মনে করা হয়। যুদ্ধের পূর্বে টেরিটোরিয়াল বা স্থানীয় রিজার্ভ ফোর্সে যোগদানকে ফ্যাসিস্ট-প্রবণতা বলে গণ্য করা হত। বাধ্যতামূলকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সৈন্যদল আর একটি পেশাদার সেনাদল উভয়ই ফ্যাসিবাদী প্রপঞ্চ রূপে নিন্দিত হয়েছে।

জাতীয়তাবাদীগণ : জাতীয়তাবাদ সর্বজনীনভাবেই জন্মগত দিক থেকে ফ্যাসিবাদী হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু এমনটা ঘটে কেবল সেসব জাতীয় আন্দোলনগুলোর উপর প্রয়োগের ক্ষেত্রে যখন বক্তারা সেগুলি অপছন্দ করে। উদাহরণস্বরূপ, আরব, পোলিশ, ফিনিসীয় জাতীয়তাবাদ, ভারতীয় কংগ্রেস পার্টি, মুসলিম লিগ, জায়নবাদ, আই.আর.এ— এদের সবাইকেই ফ্যাসিবাদী বলে বর্ণনা করা হয়েছে; কিন্তু একই ব্যক্তির কণ্ঠে নয়।

***

এটা দেখা যাবে যে, ‘ফ্যাসিবাদ’ শব্দটি যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে তা প্রায় সর্বতোভাবেই অর্থহীন। আলাপচারিতায় অবশ্যই এটা ছাপানোর চেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছে। আমি এটাকে প্রয়োগ করতে দেখেছি খামারি, দোকানদার, সামাজিক কৃতিত্ব, কর্পোরেট শাস্তি, শিয়াল শিকার, ষাঁড়ের লড়াই, ১৯২২ কমিটি, ১৯৪১ কমিটি, কিপলিং, গান্ধী, চিয়াং-কাই-শেক, সমকামিতা, প্রিসলি’র সম্প্রচার, যুবা-হোস্টেল, জ্যোতিষবিদ্যা, নারী, কুকুর এবং আমি জানি না এমন কত কিছুর উপর। তারপরও, এত কিছু জগাখিচুড়ির পরও এর একটা সমাহিত বা চাপা পড়ে যাওয়া অর্থ আছে। প্রথমত এটা পরিষ্কার যে, এখানে ‘ফ্যাসিবাদী শাসন’ আর যাকে ‘গণতান্ত্রিক শাসন’ বলা হয় তাদের মধ্যে অনেক বিশাল পার্থক্য রয়েছে, তার কিছু সহজে ব্যাখ্যা করা যায়, আর কিছু করা যায় না। দ্বিতীয়ত, যদি ‘ফ্যাসিবাদী’ অর্থ ‘হিটলারের সাথে সহমর্মিতা’ বুঝায়, তবে আমি যে উপরে বেশ কিছু অভিযোগের তালিকা করেছি তা দৃশ্যত অন্যদের চেয়ে বেশি যুক্তিগ্রাহ্য। তৃতীয়ত, যে লোকগুলো বেপরোয়াভাবে ‘ফ্যাসিস্ট’ শব্দটি ছুঁড়ে দেয় প্রতিটি দিকেই, যে কোনও মাত্রার ভাবালুতার গুরুত্ব এতে জুড়ে দেয়— ‘ফ্যাসিবাদ’ বলতে মোটামুটিভাবে তারা বুঝায়, কিছু একটা নিষ্ঠুর, নীতিবর্জিত, উদ্ধত, অজ্ঞেয়বাদী, উদারনীতি-বিরোধী, এবং শ্রমিক শ্রেণি-বিরোধী। কিছু সংখ্যক ফ্যাসিবাদী সহানুভূতিশীলগণ এবং প্রায় যে কোনও ইংরেজ ব্যক্তিই মেনে নেবে— ‘বুলি (নির্মম-পীড়নকারী)’ শব্দটি ‘ফ্যাসিস্ট’-এর সমার্থক শব্দ। অর্থাৎ একটা সংজ্ঞার যথেচ্ছাচার হয়ে এমন অবস্থায় উপনীত হয়েছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদ আবার একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদ্ধতিও বটে। তবে কেন আমরা একটা পরিষ্কার এবং সাধারণ্যে গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা পাচ্ছি না? হায়! আমরা এটা পাব না— এখনও না, কোনওভাবেই না। যদি বলতে হয় কেন এত সময় লাগবে, তবে যারা একে সাংঘাতিক করতে চায় তাদের পক্ষে বস্তুত— খোদ ফ্যাসিস্টদের, বা রক্ষণশীলদের, বা যে কোনও বর্ণের সমাজতন্ত্রীদের এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত না করে ফ্যাসিবাদকে সন্তোষজনকভাবে সংজ্ঞায়িত করা অসম্ভব। সবাই এখন যা করতে পারে এমুহূর্তের জন্যে সামান্য পরিমাণ সতর্কতার সাথে শব্দটি ব্যবহার করা, এবং সাধারণত যা করা হয়— এটাকে খিস্তির পর্যায়ে নামিয়ে আনা, তা না করা।

(ট্রিবিউন ১৯৪৪)

(বাংলা অনুবাদের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০১৮)

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 952 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*