কলা-সঙ্গীত ভবনের একশো বছর : ইতিহাসে উৎসবে ফিরে দেখা

কলা

সিসিফাস

 

 

‘বিশ্বভারতী যদি প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সঙ্গীত ও চিত্রকলা শিক্ষা তাহার প্রধান অঙ্গ হইবে।’ পৌরুষ। বিপরীতে চিত্রকলা ও সঙ্গীতের সংজ্ঞায়িত করা সমসাময়িক প্রজন্ম। এবং রবীন্দ্রনাথ। মেধা, প্রজ্ঞার গভীরে এক দিকদর্শন। ১৯১৯ সালে শান্তিনিকেতনের বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে এলেন নন্দলাল বসু। কলা-সঙ্গীত ভবনের প্রতিষ্ঠা সেবছরই। ১৯২২ সালে কলাভবনের অধ্যক্ষ হলেন। বাকিটা ইতিহাসের কোঠায় …। ১৯১৯। এবছর অর্থাৎ ২০১৮-তে শতবর্ষ পূর্তি উৎযাপনের সূচনা। এক বছর ব্যাপী উৎসবপালন। শান্তিনিকেতন। পরতে পরতে আর্ট, কালচার। রিফাইনড এক মননের ঘোরাফেরা। অসম্ভব উচ্চতায় থাকা কিছু মানুষের এক জায়গায় সহাবস্থান। উন্নাসিকতার অন্যদিকে তাদের অবস্থান। বেদি। শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কের অন্য ডেফিনেশন। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া, একেই বলে শিক্ষা। একেই বলে পঠন। বাকি বিশ্ব। দেখো, জাস্ট দেখো…

পুরনো কলাভবন

ভূমিকা এবং ইতিহাসটুকু নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। আর্ট কনয়সারদের কাছে কিছুটা মনটনির উদ্রেক করবে। তবু খুব সংক্ষেপে একবার ঝালিয়ে নিলে মন্দ হয় না। ১৯১৯ সালের ৩ জুলাই কলা সঙ্গীত ভবনের প্রতিষ্ঠা হয়। সেবছরই ‘শান্তিনিকেতন’ মাসিক পত্রিকার শ্রাবণ সংখ্যায় কলাবিদ্যাকে ভাগ করে দেওয়া হয় চিত্র এবং সঙ্গীতে। চিত্রের দায়িত্বে ছিলেন অসিত কুমার হালদার এবং সুরেন্দ্রনাথ কর। প্রসঙ্গত, কলাভবনের প্রথম অধ্যক্ষ অসিতকুমার। অবনীন্দ্রনাথ-গগনেন্দ্রনাথের বেঙ্গল স্কুল অফ পেন্টিং ঘরানার অন্যতম দিকপাল অসিতকুমার। চিরাচরিত বেঙ্গল স্কুলের বাইরে এক অন্যরকম আধুনিকতা আনতে রবীন্দ্রনাথ এক ভূয়সী পদক্ষেপ হিসেবে আনেন নন্দলাল বসুকে। ১৯১৯-এই শান্তিনিকেতন ছেড়ে ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ ওরিয়েন্টাল আর্টে চলে গেলেও ফিরে আসেন ১৯২২-এ। আর ঠিক পরের বছরই শান্তিনিকেতন ছেড়ে জয়পুর আর্ট কলেজে যোগ দেন অসিতকুমার, যিনি তিন বছর আগেই ছেড়ে যাওয়া নন্দলালের জায়গায় এসেছিলেন। এরকম এক দোলাচল এবং আসাযাওয়ার মধ্যে ধ্রুব ছিল চিরনতুন রবীন্দ্রনাথ এবং তাঁর নেতৃত্ব। কলাভবন তার নিজস্ব শিল্পসৃষ্টির তুলি বোলাতে বোলাতে জন্ম দেয় ভারতীয় শিল্পকলার এক যুগকে।

নন্দন আর্ট গ্যালারি। বিশ্বভারতীর কলাভবন প্রাঙ্গনের ঠিক লাগোয়া এক খুল যা সিম সিম। প্রায়শই চিত্র ও স্থাপত্যের জগতে একটার পর একটা দরজা খুলে দেওয়া এই আর্ট গ্যালারিতেই বিশ্বভারতী আয়োজন করল কলাভবন সেন্টেনারি একজিবিশন। প্রায় ৬০ জন দিকপালের কাজ। পেন্টিং। স্কাল্পচার। ল্যান্ডস্কেপ। পোর্ট্রেট। ট্যাম্পেরা কিংবা ইন্টাগ্লিও। এচিং থেকে ওয়াটার কালার। রবীন্দ্রনাথ। অবনীন্দ্রনাথ। গগনেন্দ্রনাথ। নন্দলাল। রামকিঙ্কর। সত্যজিৎ। হাল আমলের যোগেন চৌধুরী। বিরাট একটা স্প্যান জুড়ে ওঁদের আনাগোনা।

নন্দন আর্ট গ্যালারি

রবীন্দ্রনাথ। ৭০ বছর বয়সে বললেন, ভিক্টর হুগো পারলে আমি পারব না কেন? ছুঁলেই ইতিহাস। পাণ্ডুলিপির চিরনতুন ওইসব জুয়েলের বাইরে বাঁশের সিলিন্ডারের ওপর নারীমূর্তির ছাপ। সেরামিক্স। অথবা জল রঙে আঁকা তার মানসপ্রকৃতি।

শিল্পী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শিল্পী – গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর                      শিল্পী – অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মাস্টারমশাই অর্থাৎ নন্দলাল বসুর নিজের ছোঁয়া লাগা পেলিক্যান পাখি। অথবা ডান্ডির দিকে হাঁটা এক ফরিস্তা। ভালোবাসা।

শিল্পী – নন্দলাল বসু

স্থাপত্যে অসম্ভব মায়াবাস্তব। গোটা গ্যালারিতে পেন্টিংগুলির সঙ্গেই যেন ভীষণ বিমূর্তভাবে চেয়ে থাকা ব্রোঞ্জের এক প্যারালাল পৃথিবী। যেন তারাও দর্শক। এম কে বিনোদিনী। মনিপুরের অভিজাত পরিবারের মেয়ে। রামকিঙ্করের মিউস। তাঁর কথায়— ‘আমার মডেলরা আমার বহু স্কেচে, ছবিতে, মূর্তিতে বেঁচে আছে। মডেলরা তো এভাবেই বেঁচে থাকে।’ রামকিঙ্করের ব্রোঞ্জে সেই বিনোদিনীর মুখ। মানিদা, অর্থাৎ কেজি সুব্রহ্মণ্যমের আরেক ব্রোঞ্জ মূর্তি। মানবী মুখ। সঙ্গে সেই রামকিঙ্করকে মনে রেখেই সুষেণ ঘোষের ব্রোঞ্জের ত্রিবিউট। সেরামিকের ওপর শিল্পী কিরণ বড়ুয়ার কাজ। অথবা বিকাশ দেবনাথের তৈরি সেরামিকের স্নানরতা নারী।

বাঁদিকের ভাস্কর্যটি রামকিঙ্কর বেজের, ডানদিকেরটি কেজি সুব্রহ্মণ্যমের

বাঁদিকে বিকাশ দেবনাথের স্নানরতা নারী, ডানদিকে ওপরে কিরণ বড়ুয়ার কাজ, নিচে সুষেণ ঘোষের ট্রিবিউট

নন্দলাল, রামকিঙ্কররা ছাড়াও ছিলেন বিনোদবিহারী। সত্যজিতের ইনার আই। ছাত্রাবাসে জল ঢুকে যাওয়ার অভিযোগ জানাতে যে বিনোদবিহারীকে রবীন্দ্রনাথ শুনিয়েছিলেন আগের সেই রাতেই লেখা তাঁর গান। ‘ওগো দুখজাগানিয়া, তোমায় গান শোনাব, তাইতো আমায় জাগিয়ে রাখো’। গান শেষ করে বলেছিলেন, আর্টিস্ট, কবি— আমাদের একই দশা। আমাদের কেউ দেখে না।’ অসম্ভব প্রতিভার সঙ্গে সাদামাটা এক জীবনগাথার নাম বিনোদবিহারী। রামকিঙ্কর। চিরাচরিত কোনও স্কুল অফ পেন্টিং-এর বাইরে গিয়ে রামকিঙ্কর বিনোদবিহারীদের ছবিতে, স্থাপত্যে ফুটে ওঠা নিজস্বতা। সময়ের ছাপ। কলোকিয়ালিজম। উত্তর-আধুনিকতা। সঙ্গে কলাভবনের প্রথম তিরিশ বছরের দিকপাল সুরেন্দ্রনাথ কর, অসিত কুমার হালদার। ছিলেন চিরকাল প্রচারের বাইরে থাকা অসম্ভব প্রতিভাবান কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ। পুরাকীর্তি এবং বাংলার শিল্প সংস্কৃতির প্রায় পরাকাষ্ঠা হিসেবে থাকা কবির স্নেহধন্য মুকুল দে এবং তাঁর বিখ্যাত অবনীন্দ্রনাথের পোর্ট্রেট।

উপরের ছবিটি বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায়ের আঁকা, নিচেরটি রামকিঙ্করের

বাঁদিকে রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা ছবি, ডানদিকে মুকুল দে-র আঁকা অবনীন্দ্রনাথের পোর্ট্রেট

উত্তর-নন্দলাল যুগ। শিক্ষকতায় আরও অনেক নক্ষত্র। সনৎ কর। সুষেণ ঘোষ। দিনকর কৌশিক। সোমনাথ হোড়। শর্বরী রায়চৌধুরী। যোগেন চৌধুরী। এবং অবশ্যই মানিদা, তাঁর চিত্র ও স্কাল্পটিং নিয়ে এই সেদিনও শান্তিনিকেতন আলো করা কেজি সুব্রহ্মণ্যম। বলা বাকি থেকে যায় কলাভবনের প্রথম চল্লিশ বছরের কিছু আলো করা ছাত্রদের কথা। ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ দেববর্মণ। রামেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। রীতেন মজুমদার। শঙ্খ চৌধুরী। সুধীর খাস্তগীর। কৃষ্ণ রেড্ডি। বিনায়ক মাসোজি। এ রামাচন্দ্রন। পি হরিহরণ। এবং, অবশ্যই খোদ সত্যজিৎ। সেই সত্যজিৎ, মৃত্যুর দুদিন আগে হাসপাতালে শেষ শয্যার রামকিঙ্কর যাকে দেখে বলেছিলেন ‘মানিক, একটা রিকশা ডেকে আমাকে বাড়ি পৌঁছে দাও।’

শিল্পী যথাক্রমে দিনকর কৌশিক এবং এ রামচন্দ্রন

বাঁদিকে ওপরে সত্যজিৎ রায়ের আঁকা ছবি, নিচে ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ দেববর্মণের। ডানদিকের ছবিটি রীতেন মজুমদারের

দূর এশিয়া বা ইউরোপীয় শিল্প-সমালোচক এবং শিল্পীদের রবীন্দ্রনাথ ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে এসেছিলেন কিংবা উত্তর-রবীন্দ্রনাথ যুগেরও সেই আনাগোনার হেরফের হয়নি। এসেছিলেন লন্ডনের বিখ্যাত হেরিটেজ এবং মন্দির গবেষিকা স্টেলা ক্রামরিশ। কিংবা ফ্রান্সের আদ্রে কারপেলে। ইন্দোনেশিয়ার আফান্দি। আফান্দির পেন্সিল স্কেচের একটি বিখ্যার ছবি অদ্ভুত হন্টিং হয়ে দেখা গেছে নন্দনের এই প্রদর্শনীর একেবারে শুরুর দিকেই।

আফান্দির পেন্সিল স্কেচ

কিছু বলা বাকি থেকে যায়। আর সেখানেই ম্যাজিক। নারী। পুরুষতন্ত্রেরর বাইরে গিয়ে শিল্পচর্চা। বিদেশ থেকে স্টেলা ক্রামরিশ, আদ্রে কারপেল, মার্গারেট মিলওয়ার্ড, লিজা ভন পট কিংবা মা মেয়ে শিল্পী জুটি সাশা এবং এলিজাবেথ ব্রুনারদের শান্তিনিকেতনে আসা প্রাচ্য পাশ্চাত্যের নারীদের এক অঘোষিত যোগসূত্র নির্মাণ করে দেয়। সুনয়না দেবী এবং প্রতিমা দেবীর দেখানো পথে এগিয়ে আসেন বাকি মহীয়সীরা। কলাভবনের ১০০ বছরের প্রদর্শনীতে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ ছবি ছিল মহিলা শিল্পীদের। কে নেই? রাণী চন্দ, ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী, সরলাসুন্দরী নন্দী। ইন্দিরা দেবীর বেঙ্গল স্কুল, সুনয়না দেবীর ঐতিহ্যের সঙ্গে পুরাণের মিশেল বা প্রতিমা দেবীর নিজস্বতা হয়ে ক্রমশ ছাত্রীদের হাত ধরে আধুনিকতায় চলে আসা। অথবা চিত্রনিভা চৌধুরী। ছোট্ট মেয়ে নিভাননীর অপরূপ ছবি আঁকার হাত দেখে গুরুদেবের হাতেই নাম বদলে হয়ে যান চিত্রনিভা। প্রথমদিকে রবীন্দ্রনাথের প্রায় সমস্ত ছবির সামনে থেকে জন্মানোর সাক্ষী চিত্রনিভা পোর্ট্রেট, ফ্রেস্কোতেও নিজস্বতার সাক্ষর রাখেন। অংশীদার ছিলেন কেজি-র কালোবাড়ির ম্যুরালেও। ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনে সরসারি যুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার হওয়া ইন্দুসুধা ঘোষ, যিনি পরবর্তীকালে কমিউনিস্ট পার্টির স্থায়ী সদস্য হয়েছিলেন। অথবা লিনোকাট স্টাইলে দক্ষ অন্যতম বিদুষী চিত্রকর অনুকণা দাশগুপ্ত। ছিলেন লীলা, কিরণ বড়ুয়া। অথবা গৌরী ভঞ্জ। রাজস্থানী বাঁধনি নাচ, জাভার বাটিক বা মনিপুরি তাঁত শিল্প— সবেতেই অগাধ দক্ষতার অধিকারী গৌরী নেহেরুর অনুরোধে নন্দলালের প্রথম ভারতীয় সংবিধানের নকশা করার প্রোজেক্টের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন। যমুনা সেন। লিনোকাট, ফ্রেস্কো, মডেলিং— যমুনার শিল্পের পৃথিবীতে অন্যতম এক পালক হিসেবে ছিল কারুসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠা, ১৯৫৮ সালের পৌষ মেলায় অনুকণা দাশগুপ্ত এবং অন্যান্য মহিলা শিল্পীদের সঙ্গে স্থানীয় মহিলাদের এককাট্টা করে শিল্প সংস্থার নির্মাণ। অথবা পরবর্তীকালের শিল্পী এবং শিল্প-সমালোচক জয়া আপ্পাস্বামী, ইরা রায়, মীরা ধর। প্রশ্ন আসতেই পারে, সমসাময়িক পশ্চিমী দুনিয়ায় ঠিক সেই মুহূর্তে এত বেশি সংখ্যক মহিলা শিল্পী ছিলেন কি? সন্দেহ থেকে যায়। আর এখানেও এগিয়ে থাকে বাংলার চালচিত্র।

শিল্পী যথাক্রমে প্রতিমা দেবী এবং সুনয়না দেবী

বাঁদিকের ছবিটি চিত্রনিভা চৌধুরীর, ডানদিকেরটির শিল্পী ইন্দিরা দেবী চৌধুরানী

শিল্পী যথাক্রমে ইরা রায় এবং জয়া আপ্পাস্বামী

ধন্যবাদ দিয়ে বোধহয় ছোট করা যাবে না গ্যালারির কিউরেটর শিল্পী আর শিবকুমার এবং কলাভবনের অধ্যক্ষ অধ্যাপক গৌতম দাসকে।

এই আর্ট এক্সিবিশনের বাইরেও ১০০ বছরকে ধরার চেষ্টা থাকল নানান রঙে। আগের দিন বিকেলের পথ পরিক্রমা। প্রদর্শনীর দিন সন্ধেয় ছোট্ট করে একটি ফেলিসিটেশন। আলো আঁধারি কলাভবন। ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক পরম্পরাকে ধরতে চাওয়ার ব্যক্তিগত এক উদ্যোগ। মঞ্চসজ্জা।

শতবর্ষপূর্তি পদযাত্রায় কলাভবনের ছাত্রছাত্রীরা

সন্ধের শতবর্ষপূর্তি উৎযাপনের মুহূর্ত

এবং অবশ্যই নন্দন মেলা। বরোদা আর্ট ফেয়ারের মতো শান্তিনিকেতনেও একটি মেলা আয়োজন করার কথা ভাবলেন বিশ্বভারতীর স্থাপত্য বিভাগের সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক অজিত কুমার চক্রবর্তী। সায় দিলেন শঙ্খ চৌধুরী এবং কেজি সুব্রহ্মণ্যম। তাঁর ‘Vision and Creation’ বইয়ে এরকমই এক বার্ষিক মেলার কথা বলেছিলেন নন্দলাল। ১৯৬৬-তে তিনি প্রয়াত হন। আর ১৯৭৩-এ কলাভবনের এক ছাত্রের অসুস্থতার জন্য তহবিল তোলার জন্য কিছু একটা করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তখন কলাভবনের অধ্যক্ষ দিনকর কৌশিক। ব্যস। সেই তহবিল তোলার জন্য সেবছরেই শুরু হল নন্দন মেলা। ইতিহাস এবং লেগ্যাসি ধরে এখনও মেলার বিক্রিবাটার পুরোটাই যায় স্টুডেন্টস এইড ফান্ডে। শিল্পের সঙ্গে মানবতার সহাবস্থান। মাস্টারমশাইয়ের জন্মদিন ৩রা ডিসেম্বরের আগে দুদিন অর্থাৎ ১ ও ২ ডিসেম্বর মেলার আয়োজন। ফুলে ঢাকা খোদ প্রোজ্জ্বল শিল্পগুরু। মানিদা’র কালো সাদা ম্যুরাল। সেরামিক, গ্লাস, টেক্সটাইল, ক্র্যাফটস, পেন্টিং, স্কাল্পচার। পেপার কাটিং। রঙিন ফানুস। গাছ থেকে ঝোলা ল্যান্ডস্কেপ। জাঙ্ক সামগ্রী দিয়ে তৈরি নকশা। আলো আঁধারির এক জমকালো খানদান। বর্তমান ও প্রাক্তনীদের রিইউনিয়ন। শুধু সেদিনের মানুষগুলোই নেই। ফারাক বলতে এখানেই …

নন্দন মেলা ২০১৮-র টুকরো কিছু ছবি

স্বপ্নের কোনও বর্ষপূর্তি হয় না। সংস্কৃতিরও। একশো তাই, জাস্ট একটা সংখ্যা। কলাভবন অসীমে এগোক। বলার বলতে এটুকুই …

কেজি সুব্রহ্মণ্যমের ম্যুরাল, কলাভবন

 

About চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম 1378 Articles
ইন্টারনেটের নতুন কাগজ

Be the first to comment

আপনার মতামত...